আপডেট : ২৪ জুলাই, ২০১৯ ২২:৫২

এবার কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাইলেন এস কে সিনহা

অনলাইন ডেস্ক
এবার কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাইলেন এস কে সিনহা

যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। টরেন্টো থেকে প্রকাশিত ইতালিয়ান ভাষার পত্রিকা কোরিয়েরে কানাডিজ এই সংবাদ দিয়েছে। এর আগে, গত ৪ জুলাই কানাডায় যান এসকে সিনহা।

কোরিয়েরে কানাডিজ পত্রিকায় প্রতিবেদক জো ভোলপে লিখেছেন, আপনারাও নিশ্চয়ই আমার মতো এই সংবাদ শুনে মেঝে থেকে লাফ দিয়ে উঠছেন! কেননা, তিনি কোনো সাধারণ নাগরিক নন। তিনি একটি দেশের সর্বোচ্চ বিচারপতি ছিলেন।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বিভিন্ন নেতিবাচক দিক তুলে ধরে বলা হয়, সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা ভারতীয় উপমহাদেশের এক উত্তাল সময়ের মধ্যে বড় হয়েছেন। সেখানে বিদেশি দখলদারিত্ব তিনি যেমন দেখেছেন। তেমনি দেখেছেন, স্থানীয়, জাতিগত ও ধর্মীয় বিভেদ। বৃটিশ ও পাকিস্তানি দখলদারিত্ব শেষ হলেও, বাংলাদেশে এখনও এমন পরিস্থিতি আছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামোর বর্ণনা দিয়ে পত্রিকাটিতে লেখা হয়, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এখনও অতটা পরিপক্ব নয়। ফলে সরকারের বিভিন্ন শাখা, অর্থাৎ আইনসভা, নির্বাহী ও বিচার বিভাগ এখনও সম্পূর্ণ পৃথক হতে পারেনি। আইনসভা ও নির্বাহী বিভাগ নির্বাচনের ভিত্তিতে ঠিক হয়।

এমন এক পরিস্থিতিতে ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি এসকে সিনহা প্রথম হিন্দু হিসেবে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিচারালয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন।

বাংলাদেশের দুটি ইংরেজি পত্রিকার বরাত দিয়ে বলা হয়, ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে এসকে সিনহার গ্রামের বাড়িতে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

প্রতিবেদনে এসকে সিনহার দেশত্যাগের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বাংলাদেশ সরকারের সমালোচনা করা হয়।

এর আগে, গত ফেব্রুয়ারিতে এসকে সিনহা যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন, তবে তার স্ত্রী করেননি। তবে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে সাড়া দেয়নি। বিষয়টি টেনে পত্রিকাটি কানাডার অভিবাসন, শরণার্থী ও নাগরিকত্ব বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ হোসেনের (যিনি নিজেও সাবেক শরণার্থী) কাছে প্রশ্ন রেখা হয়, ‘তার কাছেও কী (সিনহার আবেদন) সমস্যা মনে হবে?’

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে