বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ ধনী ক্রিকেটার ও তাদের সম্পদের পরিমাণ

বর্তমান সময়ে ২২ গজের যুদ্ধে ক্রিকেটীয় বিনোদনের চেয়ে এখন অর্থই বেশি মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি, আইপিএল, বিপিএল বিগব্যাস এর বদৌলতে কাড়ি কাড়ি টাকা মুঠোবন্দী করেছেন বিশ্বের ক্রিকেটাররা। ক্রিকেট থেকে রোজগার তো বটেই বিজ্ঞাপন বাবদ আয় কম নয় তাদের।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের প্রধান খেলা ক্রিকেট। ১৯৭৭ সালে প্রথমবারের মত বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থা আইসিসির সহযোগী সদস্য পদ লাভ করে অনেক লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ আইসিসি চ্যাম্পিয়নশিপ বিজয়ী হবার মধ্য দিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটের বৃহত্তম আসর আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট ১৯৯৯ খেলার সুযোগ পায়। প্রথমবারে অংশগ্রহণে বাংলাদেশ শক্তিশালী পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় পায়। এরপর থেকে আর পিছনে থাকাতে হয়নি। বাংলাদেশ দলের খেলার মান একই সাথে সুযোগ-সুবিধা বাড়তে থাকে।

বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক, জীবনযাত্রার মান ও খেলার ধরণে বেশ উন্নতি হয়েছে। পাশাপাশি বেড়েছে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক ও ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ। বিশ্বের অন্যান্য ক্রিকেটারদের তুলনায় সেটা আহামরি না হলেও আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে অনেকই বলা যায়। আজ পাঠকদের জানাবো বাংলাদেশ জাতীয় দলের সেরা ১০ ধনী ক্রিকেটার ও তাদের অর্জিত সম্পদ সম্পর্কে। চলুন জেনে নেওয়া যাক_

১০) অলক কাপালি

কাপালি বাংলাদেশের অন্যতম সেরা একজন ক্রিকেটার। ১৯৮৪ সালে সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। কাপালি ডানহাতি ব্যাটসম্যান এবং ডানহাতি লেগ ব্রেক বোলার। বাংলাদেশি ক্রিকেট খেলোয়াড়দের মধ্যে তিনিই প্রথম টেস্ট ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের পেশোয়ার টেস্টে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি। বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ ধনী ক্রিকেটারের মধ্যে ১০ নম্বরে আছেন অলক কাপালি। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২ লাখ ইউএস ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা)। ২০১৫ সালে বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পিছনে ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানের অনেক অবদান।

৯) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবার কিছুই নেই। তিনি বাংলাদেশের বৃহত্তর জেলা ময়মনসিংহের সন্তান। ২০০৯ সালের পর থেকে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য হিসেবে নিয়মিত ক্রিকেট খেলেছেন বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান রিয়াদ বাংলাদেশের সেরা পাঁচ ক্রিকেটারের একজন হিসেবে বিবেচিত হন। ক্রিকেটার হিসেবে জনপ্রিয়তা ও সম্মানের পাশাপাশি তিনি প্রচুর অর্থ আয় করেছেন। জাতীয় দলের থেকে বেতন-বোনাসের পাশাপাশি ম্যাচ ফি, বোনাস, নানান পুরস্কার থেকে বেশিরভাগ অর্থ পেয়ে থাকেন। এছাড়াও তিনি বিপিএল, সিপিএল থেকেও যথেষ্ট আয় করেছেন। এছাড়া বিজ্ঞাপনের আয় তো আছেই। সব মিলিয়ে দেশের শীর্ষ ১০ ধনী ক্রিকেটারের তালিকায় ৯ নম্বরে আছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ডানহাতি এই অলরাউন্ডারের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩ লাখ ইউএস ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা)।

৮) মুমিনুল হক

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের একমাত্র টেস্ট স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক সৌরভ। বিশ্বের সবচাইতে খাটো এই ক্রিকেটারের আদিনিবাস চট্টগ্রামের কক্সবাজারে। একজন টেস্ট ব্যাটসম্যান হিসেবে ২০১৩ সালে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সাথে তার পথচলা শুরু। অভিষেকের পর থেকেই তিনি নিজেকে দারুণভাবে প্রমাণ করে বিশ্বের বেশ কিছু বড় বড় রেকর্ড দখল করে নেন। টানা ১২ ম্যাচে ৫০ প্লাস রানের ইনিংস খেলে তিনি রীতিমতো বিশ্বক্রিকেটে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। টেস্ট ক্রিকেটের পাশাপাশি তিনি বিপিএল ও ডিপিএলে নিয়মিত খেলে থাকেন। সেই সাথে এনসিএল, বিএসএল ও তার আয়ের মূল উৎস। দেশের শীর্ষ ধনী ১০ ক্রিকেটারের তালিকায় অষ্টম অবস্থানে আছেন মমিনুল হক। তার ব্যক্তিগত মোট সম্পদের পরিমাণ ৫ লাখ ইউএস ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪কোটি টাকা)।

৭) নাসির হোসেন

রংপুরের একটি অতি দরিদ্র পরিবার থেকে কত কষ্ট করে নিজেকে জাতীয় দলের ক্রিকেটে হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন নাসির, তা অনেকেরই জানা। ক্রিকেটার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরুটাও কতইনা দুর্দান্তভাবে করেছিলেন, বনে গিয়েছিলেন দেশের ক্রিকেটের প্রথম ও একমাত্র ফিনিশার। বেশ কিছুদিন সেই তকমা গায়ে মেখে দলকে দারুন সার্ভিস দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই সফলতা তিনি বেশিদিন ধরে রাখতে পারেননি। ২০১১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষিক্ত এই অলরাউন্ডারের বর্তমান ক্রিকেটে অবস্থা কতটা বাজে তা গত বিপিএলে বেশ বোঝা গেছে। বিপিএলেও তিনি ঠিকমতো সুযোগ পাননি। এর পেছনে ছিল নানান রকম বিতর্ক ও নারী কেলেঙ্কারি। ক্যারিয়ারের মাঝামাঝি সময় থেকেই তিনি অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনের জন্য বারংবার বাদ পড়া শুরু করেন। বর্তমানে জাতীয় দল থেকে বিতাড়িতই বলতে পারেন। তবে তারপরও ঘরোয়া ক্রিকেট ও নানান বিজ্ঞাপনে কাজের মাধ্যমে তিনি আয়ের মধ্যেই আছেন। দেশের শীর্ষ ধনী ক্রিকেটারের এই তালিকায় নাসির হোসেন আছেন ৭ম স্থানে। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৮ লাখ ইউএস ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা)।

৬) আব্দুর রাজ্জাক

প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডেতে ২০০ উইকেট শিকারি বোলার আব্দুর রাজ্জাক। নিজের সময় তিনি ছিলেন দলের অন্যতম মূল বোলার, কিন্তু ক্যারিয়ার শেষের দিকে তেমন সুযোগ মেলেনি। এই বাঁহাতি স্পিনার ওয়ানডে ফরমেটে উজ্জ্বল হলেও টেস্ট ক্রিকেটে কখনোই ছিলেন না নিয়মিত। তবে নিজের সর্বশেষ টেস্টে সাকিবের ইনজুরির কারণে খেলতে নেমে দারুণ করেছিলেন তিনি। এখন আর জাতীয় দলে দেখা না গেলেও রাজ্জাক নিয়মিত খেলে যাচ্ছেন বিপিএল, এনসিএল এর মত ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলোতে। এসব লীগ থেকে অর্জিত অর্থই তার আয়ের মূল উৎস। তবে এর পাশাপাশি তিনি বেশকিছু ব্যবসার সাথে যুক্ত আছেন। তার ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমান ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮ কোটি টাকা), যা তাকে শীর্ষ ধনীদের তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে জায়গা করে দিয়েছে।

৫) মাশরাফি বিন মর্তুজার

শীর্ষ ধনী ক্রিকেটারের তালিকায় পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ক্যাপ্টেন, নড়াইল এক্সপ্রেস খ্যাত ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা। তার ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ ১ দশমিক ২ মিলিয়ন ইউএস ডলার (৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা)। ইনজুরির কারণে তিনি অনেক সময় অনেক বাধার সম্মুখীন হয়েছেন, এমনকি ডাক্তার তাকে খেলতে পর্যন্ত নিষেধ করে দিয়েছেন কিন্তু কোনো বাঁধাযই তাকে থামিয়ে রাখতে পারেনি। ইনজুরি থেকে ফিরে তিনি ২০১৪ সালে একটি ভাঙ্গাচুরা দলকে তুলে এনেছেন আজকের বিশ্বের সেরা ৬ টি দলের একটি হিসেবে। শুধুমাত্র একদিন ক্রিকেট খেলা এই ফাস্ট বোলারের মূল আয়ের উৎস জাতীয় দল থেকে প্রাপ্ত বেতন, বোনাস ও বিপিএল থেকে অর্জিত অর্থ। এর পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটে বিজ্ঞাপন থেকে মোটা অংকের আয় হয়ে থাকে। বর্তমানে তিনি একজন এমপিও। ছাড়াও যুক্ত আছেন বেশ প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে। সবমিলিয়ে ইনকামের দিক থেকে তার হাত অনেক দূরই বলা যায়। ২০০১ সালে দেশের পক্ষে অভিষিক্ত মাশরাফি দেশকে সার্ভিস যাচ্ছেন দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে।

৪) আশরাফুল

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে আশরাফুলের নামটি কম বিতর্কিত নয়। বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘প্রথম প্রেম’ খ্যাত এই ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার শুরুতে যতটা জনপ্রিয়তা ছিল, বর্তমান সময়ে ঠিক তার উল্টো। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরে তিনি মোটামুটি ভালো করলেও দেশের ক্রিকেটের সবচাইতে বড় আসর বিপিএলে তিনি নিজেকে প্রমাণে ব্যর্থ হন। জাতীয় দল থেকে ২০১৩ সালে বাদপড়া এই ক্রিকেটার দেশের শীর্ষ ধনী ক্রিকেটার তালিকায় চতুর্থ স্থানে আছেন। এই ব্যাটসম্যানের মোট ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ ১ দশমিক ৩ মিলিয়ন ইউএস ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা)। ঘরোয়া ক্রিকেটের পাশাপাশি বিদেশি নানা ছোট ছোট লীগ ও বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই মূলত তার এই আয়। সেইসাথে শোনা যায় তিনি বেশকিছু ব্যবসার সাথে জড়িত।

৩) মুশফিকুর রহিম

বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। ক্যারিয়ারের শুরুতে অতটা ভাল মানের ব্যাটসম্যান না হওয়ার পরও দিনের-পর-দিন কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে নিয়ে যাচ্ছেন অনন্য উচ্চতায়। বর্তমান সময়ে এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানকে বলা হয় মিস্টার ডিপেন্ডেবল্ বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মাঝে শীর্ষ দশ ধনীর তালিকায় তার অবস্থান ৩ নম্বরে। মুশফিকের ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ কোটি টাকা)। জাতীয় দল থেকে পাওয়া বেতন-বোনাস ও বিপিএল থেকে মোটা অংকের পারিশ্রমিকই মুশফিকের মূল আয়ের উৎস। এছাড়াও নানান ধরনের বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও তার আয় হয়।

২) তামিম ইকবাল

দেশের শীর্ষ ১০ ধনী ক্রিকেটার মাঝে একমাত্র তামিম ইকবালই ক্রিকেট পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। তিনি জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খানের ভাতিজা ও সাবেক ওপেনার নাফিস ইকবালের ছোটভাই। চট্টগ্রামের বিখ্যাত খান পরিবারে তার জন্ম। দেশের ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেছেন। সবচাইতে ধনী ক্রিকেটারের তালিকায় দুই নম্বরে আছেন বাঁহাতি এই ওপেনার। তারা আয়ের মূল উৎস জাতীয় দল থেকে পাওয়া বেতন-বোনাস, বিপিএল থেকে পাওয়া মোটা অংকের পারিশ্রমিক। এছাড়াও তিনি বিদেশে বিভিন্ন লীগে খেলে থাকেন। অন্যদিকে বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি নানান প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে যুক্ত আছেন। এই সব মিলিয়ে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ কোটি টাকা)। ২০০৭ সাল থেকে তামিম দীর্ঘ ১২ বছর ধরে বাংলাদেশ দলকে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেন।

১) সাকিব আল হাসান

অবধারিতভাবেই তালিকার শীর্ষে আছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। বিশ্বের ধনী ক্রিকেটার তালিকায় কোন বাংলাদেশির নাম পূর্বে কখনো দেখা যায়নি, এই প্রথমবার এমনটি ঘটলো বাস্তবে, সাকিব আল হাসান বিশ্বের সেরা ধনী ক্রিকেটারদের তালিকায় চলে এসেছেন। সম্প্রতিক এক জরিপে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ উপার্জনকারী ক্রিকেটার হলেন সাকিব আল হাসান। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ২৮ কোটি টাকা।

সাকিব আল হাসানের আয়ের উৎস হয়তো বা তিনি নিজেও বলতে পারবেন না। কত কত প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত আছেন তিনি, তাদের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে একের পর এক বিজ্ঞাপন তো থাকেই। অন্যদিকে জাতীয় দলের পাশাপাশি তার মোটা অঙ্কের ইনকাম হয় আইপিএল, সিপিএল, পিএসএল থেকে। এখানেই শেষ নয় তিনি যুক্ত আছেন বেশ কিছু ব্যবসায়। তার রেস্টুরেন্ট ‘সাকিব-৭৫’ মিরপুরে অবস্থিত। আছে একটি কসমেটিক শপও। তার হাতের সাধারন একটা স্বাক্ষরেও লাখ লাখ টাকা আয় হয়। তাহলে বুঝুন এবার, কেন তিনি বিশ্বের শীর্ষ ধনী ক্রিকেটার তালিকায় উঠে গেছেন।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

4 thoughts on “বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ ধনী ক্রিকেটার ও তাদের সম্পদের পরিমাণ

    1. ভুল হলে শুধরে দেওয়া ভদ্র মানুষের পরিচয়। অভদ্র মন্তব্য অভদ্ররাই করে..

মন্তব্য