সরকারকে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ‘৩৫ চাই’ আন্দোলনকারীদের

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বাস্তবায়ন করার জন্য সরকারকে নতুন করে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্রকল্যাণ পরিষদ নেতারা। আগামী ১৩ ডিসেম্বরের মধ্যে ৩৫ এর দাবি না মানলে তারা আরো কঠোর কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।

গত ৬ ডিসেম্বর থেকে প্রেসক্লাবের সামনে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করাসহ চার দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে টানা অনশন কর্মসূচি পালন করে আসছেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা।
আজ অনশনের পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও এখনও পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোন আশ্বাস কিংবা উদ্যোগের খবর পাওয়া যায়নি।

আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘টানা পাঁচ দিন অনশন করছি। গতকাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কাফনের কাপড় পরে কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। কিন্তু এখনো কোনো অগগ্রতি হয়নি, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আশ্বাস দেওয়া হয়নি। এ অবস্থা চলতে পারে না, আমাদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে হবে। আমরা আগামী ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারকে সময় দিতে চাই। এ সময়ের মধ্যে আমাদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।’

তবে, কঠোর কর্মসূচি কী হবে তা এখনই জানাননি আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক মুজাম্মেল মিয়াজী বিডিটাইমসকে বলেন, ‘৪১তম বিসিএসে চাকরিতে যোগদানের বয়সমীমা ৩৫ অন্তর্ভুক্ত করে পুনরায় সার্কুলার প্রকাশের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ না পাওয়া পর্যন্ত আমরা কাফনের কাপড় পরে গণঅনশন চালাবো। আমাদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। আশা করি বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা আমাদের সন্তান স্বরূপ বিবেচনা করে চার দফা দাবি মেনে নেবেন।

তাদের চার দফা দাবি হলো- চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৫ বছরে উন্নীত করা, অমানবিক আবেদন ফি কমিয়ে ৫০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে নির্ধারণ, নিয়োগ পরীক্ষাগুলো জেলা কিংবা বিভাগীয় পর্যায়ে নেওয়া এবং তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্নসহ সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা।

আন্দোলনরতদের পক্ষে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির প্রধান সমন্বয়ক সুরাইয়া ইয়াসমিন, কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক উজ্জল সরকার, রেশমা আক্তার, মুসাদ্দেক আলী, নাজিম উদ্দিন, এস এ সজীব আহমেদ, উজ্জল কুমার প্রমুখ।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

মন্তব্য