‘দু-হাত তুলে দোয়া করি, শেখ হাসিনা আজীবন প্রধানমন্ত্রী থাকুক’

পাকা ঘর তো দূরের কথা মাথা গোজার ঠাঁই ছিল না তাঁদের। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর ‘জমি আছে, ঘর নাই’ ও দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় যশোরের শার্শা উপজেলার এমন ৩৫৬টি অসহায় পরিবারকে পাকা ঘর করে দেওয়া হয়েছে।

সরকারি পাকা ঘর পেয়ে খুশিতে কেঁদে ফেললেন হতদরিদ্র এসব পরিবারের সদস্যরা। বললেন, ‘শেখ হাসিনার জন্য আমরা দু-হাত তুলে দোয়া করি, তিনি আজীবন প্রধানমন্ত্রী থাকুক।’

ঘর পেয়ে অসহায় এক নারী বলেন, ‘এতদিন মাথা গোজার ঠাঁই ছিল না। ঝড়-বৃষ্টিতে অনেক কষ্ট করেছি। আজ শান্তিতে ঘুমাতে পারছি। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। আমাদের মতো সহায় সম্বলহীন পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য। ঘর পেতে কাউকে কোনো টাকা পয়সা দিতে হয়নি। হঠাৎ একদিন অফিসার এসে বলেন, আমার নামে নাকি প্রধানমন্ত্রী ঘর বরাদ্দ দিয়েছে।’

শার্শা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের দুর্দশা লাঘবে ‘যার জমি আছে, ঘর নাই’ ও দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় পাকা ঘর তৈরি করে দিয়েছে সরকার। ‘যার জমি আছে, ঘর নাই’ প্রকল্প থেকে ৩৩৩টি এবং দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২৩টি পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়।

সরকারি ঘর পাওয়া একাধিক পরিবারের সদস্যরা বলেন, ‘রোদ-বৃষ্টি-ঝড় ও তুফানে অনেক কষ্টে ভাঙাচোরা ঘরে দীর্ঘদিন বসবাস করেছি আমরা। পাকা বাড়ি নির্মাণ করা তো দূরের কথা আমাদের অনেকের সংসারই চলে না ঠিকমতো। কখনো কল্পনাও করিনি সরকার আমাদের পাকা বাড়ি বানিয়ে দেবে। এমন অবস্থায় নতুন বাড়ি পেয়ে আমরা খুশি এবং আনন্দিত। শেখ হাসিনার জন্য আমরা আল্লাহর কাছে হাত তুলে দোয়া করব, তিনি আজীবন প্রধানমন্ত্রী থাকুক।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পুলক কুমার মণ্ডল বলেন, ‘যার জমি আছে, ঘর নাই’ প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী পদক্ষেপ। যাদের জমি আছে কিন্তু ঘর নির্মাণের সামর্থ্য নেই তাদের ঘর করে দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায় শার্শা উপজেলায় ৩৩৩টি পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। ঘর নির্মাণকাজ সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দরিদ্র পরিবারগুলোকে ঘর বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

মন্তব্য