সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর

বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন করে আসা প্রাথমিক শিক্ষকদের বেশকিছু সুখবর দিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনজুর কাদের। প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন তাঁরা।

সোমবার (০২ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের প্রধান মুখপাত্র মো. বদরুল আলম ওইসব সুখবরের কথা সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তুলে ধরেছেন।

জানা গেছে, গত ২৯ নভেম্বরের জরুরি মিটিং-এর সিদ্ধান্ত মোতাবেক রোববার ঐক্য পরিষদের মুখপাত্র মো. বদরুল আলমের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মনজুর কাদেরের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে এ বিষয়ে আশ্বাস দেন মহাপরিচালক।

আর সেই আশ্বাসের বিষয়গুলো জানিয়ে বদরুল আলম বলেন, ‘গত ৬ নভেম্বর প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনার সময় মহাপরিচালক মহোদয় শিক্ষকদেরকে আশ্বাস প্রদান করেছিলেন যে, কর্মবিরতি ও আন্দোলনের কারণে যে সকল শিক্ষকের বিরুদ্ধে শোকজ করা হয়েছে, তা প্রত্যাহার করে নেয়া হবে এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন হবার কোন প্রয়োজন নেই।’

মহাপরিচালকের আশ্বাসের পরও কিছু কিছু জেলায় আন্দোলনের কারণ দেখিয়ে গত ১৭ নভেম্বর নতুন করে কিছু শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে যা সত্যিই দুঃখজনক। এ বিষয়ে মহাপরিচালক মহোদয় বলেন আমি বিষয়টি দেখবো কোন অসুবিধা হবে না।

তিনি বলেন, ‘চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত যে সকল প্রধান শিক্ষক ২০১৮ সালে দায়িত্ব পেয়েছেন তারা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন ভাতা পাচ্ছেন অথচ যারা ২০১৭ সালে দায়িত্ব পেয়েছেন ওই সকল শিক্ষকেরা দায়িত্ব ভাতা পাচ্ছেন না। এ বিষয়ে ডিজি মহোদয় আমাদেরকে বলেন, অচিরেই এ বিষয়ে অর্থ ছাড় দেয়া হবে। পাশপাশি নতুন শিক্ষক-নিয়োগ নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। আগামীতে নতুন নিয়োগবিধি অনুযায়ী শিক্ষকদের নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক রাখা হয়েছে।’

‘এছাড়া চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের পদ অচিরেই স্থায়ী করা হবে, ১২ মাস শিক্ষকগণ বদলি হতে পারবেন এবং শিক্ষকদের পদোন্নতির জন্য নতুন নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে।’

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

মন্তব্য