কানাডার রাস্তায় এ কোন ‘গু বাবা’?

ঢাকার রাস্তায় মাঝে মাঝে ‘গু বাবার’ দেখা পাওয়া যায়। গায়ে চটের ছালা পরা, হাতে গু নিয়ে পার্কে রাস্তায় ঘুড়ে বেড়ান তারা। নিঃস্বঙ্গ পথচারীদের পেলেই হাতের গু ওই পথচারীদের গায়ে মেখে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা পয়সা আদায় করে নেয় তারা। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে তাদের এই অপকর্মের শিকার হন নারীরা। এরকম এক ‘গু বাবার’ সন্ধান পাওয়া গেছে কানাডার টরোন্টোর রাস্তায়। গত এক সপ্তাহে অন্তত তিনটি গু মাখানোর অভিযোগ জমা পড়েছে কানাডার পুলিশ দফতরে।

কে এই গু বাবা?

টরন্টো পুলিশ আরও একটি ঘটনা তদন্ত করছে যাতে টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভবনের সামনে গভীর রাতে একজন মহিলার গায়ে গু ছোড়া হয়েছে। সন্দেহভাজনকে ২০ বছরের একজন পুরুষ হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। যিনি ঘটনার সময় একটি হলুদ রঙের কন্সট্রাকশন হ্যাট, নীল শার্ট এবং গ্লাভস পরেছিলেন।

টরেন্টো শহরে গত পাঁচ দিনে এটি তৃতীয় গু ছুড়ে মারার ঘটনা। সব ঘটনাগুলো টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় বা ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের এলাকায় ঘটেছে।

গু বাবার ভিডিওটি দেখুন

পুলিশ জানিয়েছে, ২২ নভেম্বর টরন্টোর রবার্টস লাইব্রেরিতে প্রথম গু ছোড়ার ঘটনাটি ঘটেছে। তারা এই ঘটনার তদন্ত করছেন। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২৪ নভেম্বর সন্ধ্যা ৫ টায় ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কট লাইব্রেরিতে ঘটেছিল।

পুলিশ জানায় যে, একজন লোক একটি বালতিতে করে গু নিয়ে লাইব্রেরিতে প্রবেশ করে, তারপর তিনি বালতির গু টেবিলে বসে থাকা একজন ব্যক্তির উপর ঢেলে দিয়ে দৌঁড়ে পালিয়ে যান।

গত রাতে ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ থেকে সন্দেহভাজন একজনের ছবি প্রকাশ করেছে টরেন্টো পুলিশ। সেখানে দেখা যাচ্ছে, সন্দেহভাজন ২০ বছর বয়সী এক যুবক একটা নিল কাপড়ে ঢাকা বালতি হাতে এগিয়ে যাচ্ছেন। তার পরনে কালো টুপি, নীল সোয়েটার, হালকা ঘিয়ে রঙের প্যান্ট এবং ঘন কালো গ্লাভস। চেখে চশমা।

শিক্ষার্থীরা যখন শীতকালীন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে তখন এটি ঘটছে। এটা এমন একটা সময়ে ঘটছে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠাগারগুলিতে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনায় বিশেষত ব্যস্ত থাকে।

ধারাবাহিকভাবে এ ধরণের ঘটনা শহরের প্রত্যেকের জন্যই উদ্বেগজনক। গু ছোড়ার লক্ষবস্তু স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির শিক্ষার্থীরা হলেও যে কোন সময় এটা শহরের অন্যদের ওপরও হতে পারে এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

মন্তব্য