১০০০ চীনা স্ক্যামারকে আটক করেছে মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার সাইবারজায়া শহরের একটি ছয়তলা ভবনে অভিযান চালিয়ে প্রায় এক হাজার চীনা নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। এদের সবাই অনলাই স্ক্যামিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে। আটকদের মধ্য থেকে ৬৮০ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গত বুধবার (২০ নভেম্বর) সাইবারজায়া শহরে অবস্থিত অনলাইন স্ক্যামিং সিন্ডিকেট হেডকোয়ার্টারে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে ইমিগ্রেশন বিভাগ ও পুলিশ।

অভিযানের বর্ণনা ও বেশ কয়েকটি ভিডিও আপলোড করা হয়েছে ইমিগ্রেশন বিভাগের ফেসবুক পেজে। সেখানে অনেকেই ইমিগ্রেশন বিভাগের এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

Sebuah bangunan wisma di NeoCyber diserbu oleh Jabatan Imigresen Malaysia. Serbuan dilakukan ke atas premis yang disyaki menjadi markas sindiket scam online (Forex) yang didalangi warga China.🧐 Walaupun secara kebetulannya mini market dan kantin warga China ditutup hari ini, tangkapan berjaya dibuat dalam operasi ini. Tahniah pihak Imigresen!Berita penuh di sini: https://www.facebook.com/107845823957481/posts/141398927268837?d=n&sfns=mo

Posted by Cyberjaya Info on Wednesday, November 20, 2019

বৃহস্পতিবার বিকেলে অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলন করেন ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক খায়রুল দাযাইমি। সেখানে তিনি ৬৮০ জন সন্দেহভাজন অনলাইন স্ক্যামারকে আটক করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এই বছর মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ পরিচালিত কোন একক অভিযানে এটাই সবচেয়ে বড় আটকের ঘটনা।

Operasi Imigresen di Cyberjaya

Sebuah bangunan wisma di NeoCyber diserbu oleh Jabatan Imigresen Malaysia. Serbuan dilakukan ke atas premis yang disyaki menjadi markas sindiket scam online (Forex) yang didalangi warga China.🧐 Walaupun secara kebetulannya mini market dan kantin warga China ditutup hari ini, tangkapan berjaya dibuat dalam operasi ini. Tahniah pihak Imigresen!Berita penuh di sini: https://www.facebook.com/107845823957481/posts/141398927268837?d=n&sfns=moVideo oleh: @affanabas

Posted by Cyberjaya Info on Tuesday, November 19, 2019

ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক বলেন, ‘অনলাইন স্ক্যামারদের এই সিন্ডিকেটটি সাইবারজায়ায় একটি ছয়তলা ভবন থেকে পরিচালনা করা হতো। স্থানীয় জনগণের অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। এক মাস নজরদারির পর সেখানে অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানের সাফল্য অনেক বড়।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্ক্যামারদের অফিসটি অত্যন্ত সুরক্ষিত ছিল, প্রতিটি তলায় রক্ষীরা ছিল এবং কক্ষগুলিতে শুধুমাত্র অ্যাক্সেস কার্ড ব্যবহার করেই প্রবেশ করার সুযোগ ছিল।’

অভিযানে সেখান থেকে ৮২৩০টি হেডফোন, ১৭৪টি ল্যাপটপ এবং ৭৮৭টি কম্পিউটার জব্দ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

Sebuah bangunan wisma di NeoCyber diserbu oleh Jabatan Imigresen Malaysia. Serbuan dilakukan ke atas premis yang disyaki menjadi markas sindiket scam online (Forex) yang didalangi warga China.🧐 Walaupun secara kebetulannya mini market dan kantin warga China ditutup hari ini, tangkapan berjaya dibuat dalam operasi ini. Tahniah pihak Imigresen!Berita penuh di sini: https://www.facebook.com/107845823957481/posts/141398927268837?d=n&sfns=mo

Posted by Cyberjaya Info on Wednesday, November 20, 2019

দাতুক খায়রুল বলেন, ‘অভিযানের সময় স্ক্যামারদের একটি দল সংঘবদ্ধ আক্রমণ করে আমাদের ব্যারিকেড ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করে। সেখানে আমাদের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। সফল এই অভিযানে আমাদের প্রায় ১০০ জন সদস্য অংশ নিয়েছিল। এবং আমরা তাদের ধরতে পুলিশের সাথে যৌথভাবে কাজ করেছি।’

জানা গেছে যে, স্ক্যামারদের এই গ্রুপটি প্রায় ছয় মাস ধরে মালয়েশিয়ায় কাজ করছে এবং বিল্ডিংটি কল সেন্টার হিসাবে ব্যবহার করার জন্য ভাড়া নেয়া হয়েছিল।

তদন্তে দেখা গেছে যে, এই গ্রুপটির মূল টার্গেট চায়নারা। তাদের স্ক্যামিংয়ের অন্যতম পদ্ধতি ছিল বিনিয়োগকারীদের দ্রুত এবং অধিক লাভজনক রিটার্নের প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া। এদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্তদের প্রায় সবাই চীনের নাগরিক।

আটককৃতদের প্রায় সবাই সামাজিক ভিজিট পাসের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছে। এবং গ্রেপ্তার হওয়ার পরে তাদের প্রায় কেউই পাসপোর্ট দেখাতে পারেনি।

চীনা দূতাবাসকে তাদের আটকের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। তবে দূতাবাসের কোন কর্মকর্তা বা প্রতিনিধি তাদের নথিপত্র নিয়ে এগিয়ে আসেনি।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

মন্তব্য