সারা জীবন ভারতীয় পেঁয়াজ খেয়ে এখন চলছে পাকিস্তান বন্দনা!

সাজ্জাদুল ইসলাম নয়ন

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের নাসিক জেলা এশিয়া মহাদেশের প্রধান পেঁয়াজ উৎপাদন কেন্দ্র। ভারতের চাহিদা মিটিয়ে এখানকার পেঁয়াজ বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। এ বছর প্রথমে খরা ও পরে বন্যার কারণে নাসিকে পেঁয়াজ উৎপাদনে ধস নেমেছে। অসময়ে বৃষ্টির কারণে ভারতে চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ উৎপাদন ২৬ শতাংশ কম হয়েছে। এই অবস্থায় ভারতজুড়ে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের কেজি ৬০ রুপির নীচে নামছে না। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়েছে যে, ভারতেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে হচ্ছে। চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় ভারত ১ লাখ ২০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ২১ নভেম্বর টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে।  বাজারের সংকট কমানো এবং সরবরাহ বাড়িয়ে দাম স্থিতিশীল করতে ১ লাখ ২০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। নিজ দেশের এমন সংকটময় পরিস্থিতি সামাল দিতে গত সেপ্টেম্বর মাসে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেয় ভারত।

ভারতের রপ্তানি বন্ধের খবরে অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে বাংলাদেশের পেঁয়াজের বাজার। অসাধু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেট অধিক মুনাফার লোভ মজুদ করতে শুরু করে পেঁয়াজ। ফলে বাজারে নিয়নত্রণের বাইরে চলে যায় পেঁয়াজের দাম। চলতি মাসে পেঁয়াজের দাম ২৫০-৩০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। ভঙ্গ করে অতীতের সব রেকর্ড। পরিস্থিতি সামাল দিতে মিয়ানমার, তুরস্ক, মিশর, পাকিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ইতোমধ্যে (২০ নভেম্বর) পাকিস্তান থেকে বিমানযোগে আসে ৮১টন ৫০০ কেজি পেঁয়াজ। করাচি বিমানবন্দর থেকে পেঁয়াজের প্রথম চালান শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে বুধবার। আরও ১ হাজার ৯২৫ টন পেঁয়াজ পাকিস্তান থেকে আসবে। দীর্ঘ ১৫ বছর পর পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ এলো বাংলাদেশে। পাকিস্তান প্রতি টন পেঁয়াজের মূল্য রেখেছে ৬০০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫০ হাজার টাকা)।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশকে নিত্য পণ্য আমদানিতে সবচেয়ে বেশি নির্ভর করতে হয় প্রতিবেশি ভারতের ওপর। যদি মাঝেমধ্যে ভারত কোন কারণে পণ্য রফতানিতে স্থগিতাদেশ দেয় তাহলে এর বেশ প্রভাব পড়ে বাংলাদেশের বাজারে। এবার সেই প্রভাব পড়েছে পেঁয়াজের ওপর। ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করার পর ইতিহাসের রেকর্ড ছাড়ায় পেঁয়াজের দাম।

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এর হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে বছরে ১৭ থেকে ১৯ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন করে। যা কিনা পেঁয়াজের মোট চাহিদার ৬০ শতাংশ। চাহিদার বাকি ৪০ শতাংশ অথবা ৭ থেকে ১১ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। আমদানির ৯৫ শতাংশ আসে ভারত থেকে। বাকি পেঁয়াজ আসে মিয়ানমার, মিশর, তুরস্ক থেকে।

পেঁয়াজের ব্যবসায়ীদের একটি সমিতি জানিয়েছে, দেশের পেঁয়াজের চাহিদার ৬০ শতাংশ মেটানো হয় দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ থেকে। বাকি ৪০ শতাংশ আমদানি করা হয়। আর এর প্রায় পুরোটাই আসে প্রতিবেশি দেশ ভারত থেকে। বছরের পর বছর এভাবেই চলছে বাংলাদেশের পেঁয়াজের বাজার। ভারত থেকে আমদানির ফলে পেঁয়াজের দাম ও আমদানি খারচ দুটোই বেশ কম পড়ে। এবার ভারত হঠাৎ করে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় লাগামহীন হয়ে পড়ে পেঁয়াজের বাজার।

বেনাপোলের একজন পেঁয়াজ আমদানিকারক মোঃ. রফিকুল ইসলাম রয়েল বলেন, ‘বাংলাদেশে পেঁয়াজের বাজার অনেকটাই ভারতের ওপর নির্ভরশীল। এই মুহূর্তে ভারত আমাদের পেঁয়াজ দেবে না। সেটার কারণে বাজারের এই অবস্থা। অন্যদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে সহসা দাম কমার কোন সম্ভাবনা নেই।’

রফিকুল ইসলাম ইসলাম বলছেন, ‘ভারত থেকে পেঁয়াজ আনতে যত কম খরচ অন্য যায়গা থেকে আনতে গেলে জাহাজে অনেক বেশি খরচ। যেমন ধরেন মিশর বা পাকিস্তান থেকে আনলে দামে কুলাচ্ছে না।’

তিনি এর একটা হিসেব দিয়ে বললেন, “ভারতে দাম দেয়ার পর বাংলাদেশের ভেতর পর্যন্ত সেটি আনতে খরচ কেজি প্রতি সর্বোচ্চ ২.৫ টাকা। কিন্তু মিশর থেকে আনতে গেলে ধরুন পড়বে ২০ থেকে ২৫ টাকা। পাকিস্তান থেকে যে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে সেখানে দেশে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম পড়েছে প্রায় ৬০ টাকা।

দীর্ঘ দিন ধরে কম দামে বাংলাদেশিদের পেঁয়াজ খাইয়ে আসছে ভারত। অথচ আজ নিজের অভ্যন্তরীন সংকট মোকাবেলায়, নিজ দেশের জনগণের চাহিদা মিটাতে ভারত যখন পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিল তখনই ভারতের মুন্ডুপাত করে চলেছে একশ্রেনীর বাংলাদেশি। ভারতের আড়াই টাকার পেঁয়াজ পাকিস্তান থেকে ৬০ টাকায় আমদানি করে তারা খুশিতে গদগদ।

সারা জীবন ভারতীয় পেঁয়াজ খেয়ে এখন না পেয়ে চলছে ভারতের প্রতি অভিশাপ ও পুরনো ঘৃণার বর্ষণ। আর পাকিস্তানি পেঁয়াজ পেয়ে, একটু ভালবাসার সুযোগ পেয়ে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে বইছে ভালবাসার বন্যা!

বাংলাদেশের বাজারে পাকিস্তানি পেঁয়াজ যেন, এক কলসি দুধে একফোঁটা চোনা! ৭.৫ লক্ষ টন ঘাটতি পূরণে ৮১.৫ টন পাকিস্তানি পেঁয়াজের ঝাঁঝ যেন একটু বেশিই! ভবিষ্যতে এই পাকিস্তানি পেঁয়াজের ঝাঁঝ বাংলাদেশ কিভাবে সহ্য করে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

সন্দেহ নেই, বাংলাদেশে পাকিস্তানি পেঁয়াজ ভাল বাজার পাবে। ভারতীয় পেঁয়াজ আসা শুরু করলেও ভোক্তাদের অনেকেই পাকিস্তানি পেঁয়াজের জন্য হাহাকার করবে। তখন মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা বেশি খরচ করে কেউ কেউ পাকিস্তানি পেঁয়াজ আনবে এবং বেশি দামে বেচবে। ইতোমধ্যেই, বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতীয় পেঁয়াজের মুন্ডুপাত ও পাকিস্তানি পেঁয়াজের গুণ-কীর্তন শুরু হয়ে গেছে। পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আসার খবরে তাদের মধ্যে ঈদের আনন্দ লেগে গেছে। পাকিস্তানের পেঁয়াজ দেশের আসা সংক্রান্ত গণমাধ্যমের খবরগুলির কমেন্ট বক্সে নজর দিলেই এটা পরিষ্কার হয়ে যায়।

নাসিম ধ্রুব নামের একজন লিখেছেন, ‘ব্যাপারটা কেমন হলোনা? ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিল, আর পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হলো। বানিজ্যিক দৃষ্টিতে পাকিস্তানকে ধন্যবাদ, আর ভারতের প্রতি ঘৃনা। আর বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা!! ভারতের দয়ার অপেক্ষা না করার জন্য। বিপদের বন্ধুই আসল বন্ধু।’

ইফতিখারুল আলম ব্যাঙ্গ করে লিখেছেন, ‘রাজাকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দাতা এবং আমদানির সাথে জড়িতদের বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে দ্রুত সেই রায় কার্যকর করতে হবে। অন্যথায় এই পেঁয়াজ খেয়ে চেতনা বিলুপ্ত হয়ে সমগ্র জাতি রাজাকারে পরিণত হবে।’

তামান্না ইয়াসমিন মম লিখেছেন, ‘এ পেঁয়াজ স্বাধীনতা বিরোধী পেঁয়াজ। এ পেঁয়াজ খেলে চেতনাবাজদের চেতনা দন্ড আর খাড়াবে না। এ পেঁয়াজ খেলে জাফর ষাঁড় হরহর করে বমি করবে। এ পেঁয়াজ খেলে পাকি বীর্য হয়ে যাবে আগামী প্রজন্ম। তাই আসুন পাইক্কা পেঁয়াজ বর্জন করি। দাদাদের চেতনার পেঁয়াজ খায়া চেতনা চেতাইয়া তুলি। জয় হিন্দ।’ 

মাহবুবুর রহমান লিখেছেন, ‘এমন সিদ্ধান্তের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ। ভবিষ্যতে উভয় দেশের মধ্যে আরো দৃশ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ বাণিজ্য সহযোগীতা বহাল থাকবে সেই প্রত্যাশাই করছি। পাকিস্তানের সাথে বন্ধুত্ব হলে ভারতের কাছ থেকে অনেক ছাড় পাওয়া যাবে, ওদের মনে দুশ্চিতার ভাজ পড়বে, মনে করবে এই বুঝি আবার ওরা এক হলো। ওদের মনে ভয় জাগবে, আদর/ কদর বাড়বে আমাদের। এটাও একটি কৌশল রাজনীতি হতে পারে আমাদের জন্য।’

মনিরুল ইসলাম লিখেছেন, ‘ছি ছি ছি, শেষ পর্যন্ত রাজাকার পেঁয়াজ! মোদ্ধা কথা হল ছাঁই ফেলতে ভাঙ্গা কুলা লাগে। ভারত এতবড় বন্ধু হয়েও পেঁয়াজ দিলোনা। শেষে কিনা বাংলাদেশের সব চাইতে বড় শত্রু পাকিস্তান দিলো পেঁয়াজ। আসলে বাংলাদেশের বিপদে পাকিস্তানই সাহায্য করবে,কারণ দেশ ভাগ হইছে ধর্ম ভাগ হয়নি।’

আতাহার আলী লিখেছেন, ‘শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের কাছে হাত পাততে হলো, হোকনা টাকা দিয়ে কেনা দুঃসময়ে তো তারা পাশে এসেছে এটাই বড় কথা। মিসর পাকিস্তান এরা আমাদের জাত ভাই, এটা গায়ের জোরে এড়িয়ে যারা যায় তারা আসলেই মুসলিম না।’

ডা. কিবরিয়া খন্দকার লিখেছেন, ‘এটা কিভাবে সম্ভব? পাকিস্তানিদের পেঁয়াজ খেলে তো আমরা রাজাকার হয়ে যাবো। আমাদের রক্তে রাজাকার ঢুকে যাবে। নিশ্চয় এটা বিএনপি অথবা জামাতের ব্যবসায়ীদের কারসাজি। অবিলম্বে পাকিস্তানের পেঁয়াজকে পাকিস্তানের পাঠিয়ে দেয়া হোক।’

মো. শওকাত আলী লিখেছেন, ‘যারা পাকিস্তানের নাম শুনলেই ওয়াক থু করে তাদের মুখে এই পেঁয়াজ কি রকম স্বাদ লাগবে সেটা ভেবে বেশ পুলকই বোধ হচ্ছে। নেংটি বন্ধু ভারত পাঁচশ’ টন ইলিশ নিয়েও বাংলাদেশকে পেঁয়াজ দিল না, অথচ যে পাকিস্তানকে এই দেশের সরকার এক নম্বর শত্রুর তালিকায় রেখেছে তাদের কাছ থেকে পেঁয়াজ আনলো। এ থেকে কি বোঝা যায় না যে বঙ্গবন্ধুর ‘কারো সংগে শত্রুতা নয়, সবার সঙ্গে বন্ধুতা’ এই পররাষ্ট্রনীতিই সবচেয়ে উত্তম?।’

পেঁয়াজ রাজনীতিতে এভাবেই চলছে ভারতীয়দের মুন্ডুপাত করে পাকিস্তানের প্রশংসার বৃষ্টি। সারাদিন ভারতবিদ্বেষী উস্কানি ছড়িয়েও যারা ভারতীয় পেঁয়াজ, চাল, মোটরযান, থেকে শুরু করে ভারতীয় চিকিৎসা, বেড়ানো, কেনাকাটা, ফিল্ম, মিউজিক, সালমান, শাহরুখ সহ সকল ভারতীয় পণ্য চব্য-চোষ্য করে ভোগ করে সেসব ব্যক্তিরাই এখন পাকিস্তানের সবেধন নীলমনি পণ্য পেঁয়াজের আগমনে খোঁটা দেয়া শুরু করে দিয়েছে, যেন পিতৃগৃহের পণ্যের খোঁটা!

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

9 thoughts on “সারা জীবন ভারতীয় পেঁয়াজ খেয়ে এখন চলছে পাকিস্তান বন্দনা!

  1. আফ্লাক উদ্দিন ফকির

    - Edit

    Reply

    সারা জীবন ভারতীয় পেঁয়াজ খেয়ে যেমন আমরা ভারতের দালাল হয়ে যাই নি, তেমনি পাইক্কা দের পেঁয়াজ খেয়েও রাজাকার হবো না।কারন আমরাই বুক চিতিয়ে গলা ফাটিয়ে চিক্কুর দিয়ে বলতে পারি জয় বাংলা।

  2. তুমি ভারতের দালাল।ভারত যতই আমাদের বাঁশ দেয় না কেন,তোমার চোখে সেটা পড়বে না।আসলে তুমি হচ্ছ অন্ধ প্রকৃতির জীব।জীবন্টা কাটাবে ভারতের দালালি করে করে।অবশ্য এর জন্য কিছু সুবিধাত পাচ্ছ।তবে যদি কোনদিন আমাদের দেশপ্রেমিকদের সময় আসে,তাহলে প্রতিটি কথার জবাব দেওয়া হবে,অবশ্যই তোমরা মূর্খের মত যেভাবে দেশপ্রেমিকদের আঘাত কর,সেইভাবে নয়।সময় আসলে বুঝতে পারবে।

  3. গোলাম আরিফ

    - Edit

    Reply

    কিছুদিন আগে পত্রিকায় দেখেছিলাম বাংলাদেশে পেঁয়াজ না যাওয়ায় ভারতের কোনো কোনো অঞ্চলে দাম পাঁচ টাকার নীচে নেমে যায়। ফলে পেঁয়াজ চাষিরা শত শত টন পেঁয়াজ নর্দমায় ফেলে দেয়। তবুও ভারত সরকার বাংলাদেশের পেঁয়াজ দিতে রাজি হয়নি। আর এর বেইমানির ফলে নিজের কাটা খালে ভারত নিজেই পড়ে গেছে। তাদের কোনো কোনো অঞ্চলে দাম বেড়ে গেছে।

  4. ভাই, পাকি বন্দনা যারা করছে তাদের কথা ফুঁ…. আমরা আশৈশব তাদের তাল হীন তাবেদারী দেখে দেখে ক্ষয়ে যাওয়া শুকতলী ব্যতীত তাদের তুল্য আর কিছুই খুঁজে পাই না কিন্তু ভারত যা করে বা করছে তাও তো বাণিজ্য ব্যতীত অন্য কোনো সংজ্ঞাই পরে না, আপনার নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ অসম্পূর্ণ থাকবে যদি ভারতে দাম শোধের পর আমার দেশে আশা পর্যন্ত খরচ আড়াই টাকার সাথে অন্য দেশের সম্পূর্ণ আমদানির খরচের ফারাক টা বুজিয়ে না দেন!শ্রীমতি ইন্দিরার ভারতের সাথে আপনি নিশ্চয়ই অধুনা ভারতের ইজা জুড়বেন না! এই লাল সবুজ আমার, ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল আমার অহংকার, এই সোজা সাপটা বোধটা আজ ফরজ।

  5. কামরুল ইসলাম @ভাই সাহেব,আপনারা বড় মাপের,বড় মাথার মানুষ।আমি ছোট মানুষ, ছোট্ট একটি কথা মনে হলো।ভাই মালু জাতি বিনা স্বার্থে তুলাও বহন করে না। কয়টা প্রমান চান, ইতিহাস থেকে জেনে নিবেন।অস্বীকার করতে পারবো না,ভারত আমাদের সব দেয়,আমরা তা ভোগ করি,কারন আমাদের চাহিদা মেটানোর জন্য।তার মানে এই না যে ফ্রী বা বিনা লাভে।অামাদের থেকে বেশি লাভ অন্যখানে পেলে সেটা কি আপানাকে দেয়? গরু কয়টা দিচ্ছে আপনার দাদারা?যখন দিতো গোসত কিনতেন কত টাকা কেজি?এখন কত?আপনাকে গরু দিয়ে যা লাভ হত, গোসত রপ্তানি করে তার চেয়ে বেশি পায় জন্য,আপনার গোসত কিনে খেতে একটু হলেও কষ্ট হয়। মালুদের দালালি বন্ধ করেন।আগে যা বলতেন মানানসই ছিল বোকাসোকা বেশি ছিল বলে।এখন মানুষ বোঝে।

  6. তিন বেলা যে জাতি শত্রুতার চেতনা খোঁজে , তাদের কাছে অল্প উপকার সমুদ্রের মত | আর আমরা আমেরিকা – জাপানের মত সম্পর্ক চোখে দেখি না | কারন শত্রুতার চেতনা যে সেকেন্ডে সেকেন্ডে গেলানো হয় | তাই অনেকেই বিদ্রুপ করতেছে | কিন্তু এতেও যে কারও কারও গাত্র দহন হবে সেটা জাতি বুজতে পারেনি |

    কারও শত্রুতার চেতনা আবার কারও তৈল মর্দনের চেতনা কোনটাই দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল নয় |

  7. কেইতো পাকিদের বন্দনা করছেনা……আবালের মত ভুল তথ্য দিবেননা। ভারতে পেয়াজের কেজি ৯ টাকা। উপযুক্ত দাম না পাওয়ায় কাদছে কৃষকরা। ৬০ টাকা নিক আর যাই নিক পাকিরা তো দিচ্ছে। এদের সমস্যা হচ্ছে যে বন্দনা কেউ করছেনা কেন? কাউকে গালি দেয়ার মত পাচ্ছেনা কেন?> শালা আবালরা…..

  8. ফারুক মোল্লা

    - Edit

    Reply

    Comment একটি কমেন্টে দেখলাম এক ভাই লিখছে যে” ভারতিয় মালুরা বিনা লাভে তুলা-ও বহন করেনা” কথাটা ভাল লাগছে এবং অর্থবহ

মন্তব্য