১৭৩ নেতার চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির তথ্য শেখ হাসিনার টেবিলে

‘লোম বাছতে কম্বল উজাড়’ অবস্থা আওয়ামী লীগে। নেতাদের বিত্ত-বৈভবের তদন্তে গোয়েন্দা সংস্থার দেওয়া প্রতিবেদন দেখে হতবাক স্বয়ং আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগে শুদ্ধি অভিযান চালানো হচ্ছে। এতে গ্রেপ্তার হয়েছে বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা। তাদের বিরুদ্ধে ক্যাসিনো বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্যের মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ রয়েছে।

এখন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নেতাদের সম্পদের খোঁজে নিবিড় অনুসন্ধান পরিচালনা করছেন। কিভাবে এই বিপুল বিত্ত-বৈভব গড়ে উঠলো সেটা অনুসন্ধান করছেন। এ সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পেশ করছেন।

আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতার সম্পদের স্ফীতি দেখে শেখ হাসিনা নিজেই অবাক হয়ে গেছেন। আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার সুইস ব্যাংকে টাকা পাওয়ার খবর জানা গেছে। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়ায় বাড়ি বানিয়েছেন অনেকেই। অনেকেই মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে সেকেন্ড হোম করেছেন।

একাধিক সূত্র বলছে যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন পর্যন্ত ১৭৩ জন নেতা সম্পর্কে বিভিন্ন অভিযোগ ও দুর্নীতির তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন। শেখ হাসিনা নিজেই এগুলো যাচাই-বাছাই করবেন। যাচাই বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।

আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সূত্রগুলো বলছে, এই তালিকাই চূড়ান্ত নয়। আরও অনেকেরর বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

এতদিন ধারণা ছিল কেবল মন্ত্রী-এমপি হলেই ভাগ্য বদলে ফেলা যায়। অনেক টাকার মালিক হওয়া যায়। অবৈধ সম্পদ অর্জন করা সহজ হয়, কিন্তু এখন দেখা দেখা যাচ্ছে শুধু মন্ত্রী কিংবা এমপি নন, স্থানীয় পর্যায়ের নেতারাও নানা অপকৌশলে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। দুর্নীতির অসুখ আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ে পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে।

গোয়েন্দা সংস্থা ঢাকা মহানগরের একজন নেতা সম্পর্কে শেখ হাসিনার কাছে প্রতিবেদন দিয়েছেন। যেখানে বলা হয়েছে- ‘বৈধ কোন ব্যবসা নেই, ২০০০ সালেও নেতাদের কাছে হাত পেতে চলতেন। শেখ হাসিনা নিজেও তাকে টাকা পয়সা দিয়ে সাহায্য করেছেন বিভিন্ন সময়ে। এখন তার মেয়ে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করছে, ছেলে কানাডায়। দুই জায়গাতেই তার নিজস্ব বাড়ি রয়েছে। নিজে চলেন বিলাসবহুল গাড়িতে। ঢাকা শহরে রয়েছে একাধিক ফ্ল্যাট।’ এ ধরণের তথ্য-প্রমাণ দেখে নিজেই চমকে উঠেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বললেন, এ যে দেখছি ‘লোম বাছতে কম্বল উজাড়’।

একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন বলছে, আওয়ামী লীগের তৃণমূলে একরকম দুর্নীতি হচ্ছে। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে হচ্ছে আরেক রকম। উচ্চ পর্যায়ে হচ্ছে আরেক করম। দুর্নীতির ধরণ বিভিন্ন হলেওসবার মূল বিষয়টি এক। সেটা হচ্ছে দলকের ব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ অর্জন।

তবে আশার কথা হলো, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়ে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন।

আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ নেতা দলের নেতাদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযোগ অনুসন্ধান সম্পর্কে বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ একটি বিশাল রাজনৈতিক দল। বিভিন্ন পর্যায়ের কমাটির পদধারী নেতাই রয়েছে এখানে লক্ষাধিক। সেখানে ১৭৩ জন কিংবা ২০০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠা বড় কোন বিষয় নয়। তবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে তাদেরকে দল থেকে আস্তে আস্তে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দল থেকে সরিয়ে দেওয়ার আগের তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যারা দুর্নীতি করবে, অপকর্ম করবে কিংবা অবৈধ তৎপরতা করবে সেটা ফৌজদারি অপরাধ। আইনানুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আওয়ামী লীগ করেন কিনা, কোন পর্যায়ের নেতা সেটা বিবেচনা করা হবে না। কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা।’

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

7 thoughts on “১৭৩ নেতার চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির তথ্য শেখ হাসিনার টেবিলে

  1. চট্টগ্রামে মাদকের বিস্তার ঘটছে দ্রুত। সাম্প্রতিক সময়ে মাদক চোরাকারবারিদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর হলেও এদের সহায়তাকারী ও পৃষ্ঠপোষকেরা ধরাছোঁয়ার বাইরে। গত আট মাসে চট্টগ্রাম নগরের প্রধান মাদক আস্তানা ‘বরিশাল কলোনি’ এলাকায় র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হন। তাঁদের মধ্যে দুজন নিহত হন গত বৃহস্পতিবার রাতেই।
    চট্টগ্রাম নগর ও জেলায় মাদক ব্যবসায় যুক্ত ৯০ জনের একটি তালিকা করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আরেকটি তালিকা করা হয়েছে পৃষ্ঠপোষকদের। এই তালিকায় ৪৫ জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালী এবং নগরের পাঁচ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ২৫ জনের নাম আছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বিতর্কিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুল কাদের ওরফে মাছ কাদেরের নাম আছে এ তালিকায়।
    র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লে. কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘মাদক বিক্রেতা, সেবনকারী ও পৃষ্ঠপোষকদের আজকের মধ্যে মাদক ব্যবসা ছাড়তে হবে। নইলে কাল তাদের জন্য বড় বিপদ অপেক্ষা করছে। তারা যত বড় প্রভাবশালীই হোক, আর কোনো ছাড় নয়।’
    পুলিশ ও র‍্যাব কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রাম নগরের প্রায় ৫০০ জায়গায় মাদক বেচাকেনা হয়। এর মধ্যে বরিশাল কলোনি, চট্টগ্রাম স্টেশন, কদমতলী বাস টার্মিনাল, মতিঝরনা, এনায়েতবাজার গোয়ালপাড়া, বায়েজিদ শের শাহ কলোনি, অক্সিজেন মোড়, ফিরোজ শাহ কলোনি, অলংকার মোড়, পাহাড়তলী, টাইগারপাস, বাটালি হিল মাদকের সবচেয়ে বড় বাজার।
    মাদক চোরাকারবারিদের সহায়তাকারী হিসেবে তালিকায় নাম আছে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচ ওসির। তাঁদের মধ্যে পাহাড়তলী থানার ওসি মো. আলমগীর ও আকবর শাহ থানার আলমগীর মাহমুদ সম্প্রতি বদলি হয়েছেন। অন্য তিন ওসি হলেন পাঁচলাইশ থানার মহিউদ্দিন মাহমুদ, পতেঙ্গা থানার আবুল কাসেম ভূঞা ও বন্দর থানার এস এম ময়নুল ইসলাম। এ ছাড়া থানা বা ফাঁড়ির ২০ জন এসআই, এএসআই ও কনস্টেবলের নাম আছে তালিকায়।
    ওসি মহিউদ্দিন মাহমুদ বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ করছি, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মনগড়া।’ আবুল কাসেম ভূঞা বলেন, ‘আমরা মাদক ধরছি বলে কেউ আমাদের নাম বলতে পারে।’ এস এম ময়নুল ইসলাম বলেন, ‘বন্দর এলাকায় মাদকের ব্যবহার কম। তবু প্রতি মাসে ১৮-২০টি মামলা আমরা নিচ্ছি। বিদ্বেষপ্রসূত হয়ে কেউ আমাকে ফাঁসাতে পারে।’
    পৃষ্ঠপোষকদের তালিকায় নগরের ২৮ নম্বর মোগলটুলি ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুল কাদের রয়েছেন। তিনি সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। ‘মাছ কাদের’ নামে পরিচিত এই স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ২০১৫ সালে কাউন্সিলর হন। মুঠোফোনে কয়েক দফা যোগাযোগ করেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
    ৫০০ স্থানে মাদক কেনাবেচা
    পুলিশ জানিয়েছে, নগরের ৫০০ স্থানে মাদক কেনাবেচার হাট।গতকাল দুপুরে নগরের মুরাদপুর, চট্টগ্রাম রেলস্টেশন, বরিশাল কলোনি গিয়ে কিছু যুবককে দেখা গেছে ইয়াবা কিনতে। তাঁদের মধ্যে আছেন গাড়িচালক ও ছাত্র। মুরাদপুরে একটি দোকানের সামনে এক গাড়িচালক মাদকের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। মুঠোফোনে কথা বলার পরই ওই চালকের কাছে এক যুবক এসে ছোট পোঁটলা ধরিয়ে চলে যান। জানতে চাইলে কেউ কিছু বলতে রাজি হননি। ওই চালকও দ্রুত সটকে পড়েন।
    চট্টগ্রাম স্টেশনের পাশে গিয়ে দেখা যায়, গাঁজা ও ইয়াবা ক্রেতাদের আনাগোনা। সেখানে একজন ছাত্র ইয়াবা কিনতে যান। একজন মাদক ব্যবসায়ী জানান, রমজানের প্রথম দিন হওয়ায় শুক্রবার সকাল থেকে গ্রাহক কম। সন্ধ্যায় বাড়বে।
    নিরাপদ রুট চট্টগ্রাম
    আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতে, মিয়ানমার থেকে আসা ইয়াবা কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে চট্টগ্রাম হয়ে দেশে সরবরাহ হচ্ছে। প্রতিদিনই ইয়াবা পাচার হচ্ছে। আবার প্রতিদিনই ধরাও পড়ছে। কিন্তু পাচারের তুলনায় জব্দ হচ্ছে খুব কম। ৪ মে নগরের হালিশহরের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ১৩ লাখ ইয়াবাসহ দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। গত বছরের ১৫ এপ্রিল পতেঙ্গাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের মোহনায় ট্রলার থেকে ২০ লাখ ইয়াবা বড়ি জব্দ করেছিল র‍্যাব। একই দিন নগরের পাঁচলাইশ এলাকার একটি বাড়ি থেকে ইয়াবা পাচারের মূল হোতা মোজাহেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত বছরের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ১৭ মে পর্যন্ত র‍্যাব অভিযান চালিয়ে ৮৩ লাখ ৪৪ হাজার ২২৫টি ইয়াবা উদ্ধার করে।
    চট্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার মাসুদ-উল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, চট্টগ্রাম মাদক পরিবহনের প্রধান রুট। এর সঙ্গে কিছু গডফাদার যুক্ত। গডফাদার ও ব্যবসায়ীদের তালিকা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ শুরু করেছে। ৫ ওসিসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিপূর্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছেন। আইন নিজস্ব গতিতে চলবে।
    কারাগারে ৭০ ভাগই মাদক মামলার আসামি
    চট্টগ্রাম কারাগারে ৭ হাজার ১৫০ জন পুরুষ ও ৩৩২ জন নারী বন্দীর মধ্যে ৭০ ভাগ মাদক মামলার আসামি। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ তত্ত্বাবধায়ক ইকবাল কবীর চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, বন্দীদের বেশির ভাগই মাদক মামলার আসামি। প্রতিদিন আসছেন আর জামিনে মুক্তিও পাচ্ছেন। মাদকাসক্ত বন্দীদের নিয়ে বেকায়দায় থাকতে হয়। মাদকের জন্য তাঁরা ছটফট করেন। কারা হাসপাতালে রেখে তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।
    ২০১৩ সালে নগরের ১৬ থানায় মাদকের মামলা হয়েছিল ১ হাজার ৭০৬টি। তিন বছর পর তিন গুণ বেড়ে ২০১৭ সালে হয় ৪ হাজার ১৯১টি মামলা। এসব মামলার বাদী র‍্যাব, পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
    জামিনে বেরিয়ে উধাও
    জামিনে কারাগার থেকে বেরিয়ে প্রথম দু-তিন মাস আদালতে হাজিরা দেন মাদক মামলার আসামিরা। কিন্তু রায় ঘোষণার সময় এগিয়ে এলেই উধাও হয়ে যান তাঁরা। রায়ে আদালত সাজা দিলেও পুলিশ আর তাঁদের খুঁজে পায় না। গত বছরের ১ মে থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় সাত মাসে চট্টগ্রামের ১৩টি আদালতে ৩১২টি মাদকের মামলার রায় ঘোষণা হয়। এসব মামলায় কারাদণ্ড হয় ৬৪৯ জনের। এর মধ্যে ৩৮২ জনই রায় ঘোষণার আগে জামিন নিয়ে পলাতক। তবে মাদক মামলার কত আসামি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন, সে পরিসংখ্যান নেই পুলিশের কাছে।
    ইয়াবা আনতে অভিনব কৌশল
    ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতে ইয়াবা পাচারকারীরা অভিনব কৌশলে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে চট্টগ্রামে ইয়াবা নিয়ে আসছেন। পেটের ভেতর, পেঁয়াজ ও কুমড়ায়, মোটরসাইকেল ও গাড়ির জ্বালানির ট্যাংক, কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে বিশেষ বাক্সে করে আসছে ইয়াবা। সর্বশেষ গত ১৫ এপ্রিল নগরের কোতোয়ালি থানার ব্রিজঘাট এলাকা থেকে রশিদ আহমেদ ও ফরিদ আহমেদ নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে পেটের ভেতর ইয়াবা নিয়ে চট্টগ্রামে আসেন তাঁরা। তাঁদের পেট থেকে ৫ হাজার ৮০০টি ইয়াবা বের করা হয়।
    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের উপপরিচালক শামীম আহমেদ বলেন, নতুন নতুন কৌশলে নগরে মাদক ঢুকছে। অভিযান চালিয়ে মাদকসহ গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ইন্দ্রজিৎ কুণ্ডু মাদকের বিস্তার সম্পর্কে প্রথম আলোকে বলেন, মাদকের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় রাজনীতি ও অর্থনীতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশে উন্নয়ন হলেও কর্মসংস্থান কম। এ কারণে বেকার যুবকেরা হতাশা ও বিচ্ছিন্নতা থেকে মাদকের প্রতি ঝুঁকছেন। ফলে বাংলাদেশ এখন মাদকের রমরমা বাজার। তাই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে মাদকের লাগাম টেনে ধরতে হবে।

  2. চট্টগ্রাম ২৮নং ওয়ার্ডে যে সব অনিয়ম চলছে তা কে ঠেকাবে । মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিন আপুর দৃষ্টি আকর্ষন করছি । চট্টলার দিকে একটু নজর দেবেন আপু । চট্টলা বাসী ( আমরা ) খুব অসহায় । আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি । উপরে আল্লাহ নিচে আপনি । আমাদের উপর একটু দৃষ্টি দিয়েন । এই খানে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের তালিকা ভূক্ত মাদকের গডফাদার ও তালিকা ভূক্ত সান্ত্রাসী আছে । এই ওয়ার্ডে মিনি টেকনাফ নামের জায়গাও আছে । আমরা এর থেকে পরিত্রান পেতে চাই । ফেরেস্তার মতো আপনি আমাদের পাশে এসে দাড়াঁবেন । আপনার কাছে সেই কামনা করছি ।
    জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয় বিশ্ববন্ধু
    জয় হোক মমতাময়ী দেশ প্রেমিক নেত্রীর
    জয়তু শেখ হাসিনা আপুর
    জয় হোক জননেত্রী শেখ হাসিনার আপুর

  3. চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগ থেকে দূর্নীতিবাজ চাঁদাবাজ মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসী এদের দল থেকে বের করে দেওয়া হোক । বিশেষ করে চট্টগ্রামের সিটি করপোরেশানের আওতা ভুক্ত । ২৮ নং পাঠানটুলী ওয়ার্ডে কাউন্সিলার আবদুল কাদের প্রকাশ মাছ কাদের । এখনো নির্দিদায় মাদক ব্যাবসা , সন্ত্রাসী কার্যক্রম , সারী ব্যাবসা , বানিজ্যিক এরিয়া আগ্রাববাদ থেকে চাঁদাবাজি , টেন্ডারবাজি , সব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে এখনো । সে কাউন্সিলার হওয়ার পর , জবরদখল করে জায়গা নেয় । আগ্রাবাদ কমার্স কলেজের সামনে মন্দিরের জায়গা দখল করে । মিস্ত্রি পাড়ায়ও জায়গা দখল করে । মোগলটুলী সরকার লেইনেও জায়গা দখল করে আলিশান বিল্ডিং করছে । আমার জানা নেই শুনলাম দুবাইতে তার দোকান আছে । মালশিয়াতে ফ্লাট আছে । সে কাউন্সিলার হওয়ার পর এতো টাকা কোথায় পেলো ? তা চট্টলাবাসী জানতে চাই । স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের পুরাতন ও নতুন তালিকা হাতে নিয়ে । তাদের খুজে বের করে জন সম্মূখে ( লা্ইভ মিডিয়া ) শাস্তি দেওয়া হোক । আর কেউ যেন আমাদের এই পবিত্র আওয়ামী লীগকে নিয়ে কোন ধরনের অপকর্ম করতে সাহস না করে । চট্টগ্রাম ২৮নং ওয়ার্ডে যে সব অনিয়ম চলছে তা কে ঠেকাবে । মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিন আপুর দৃষ্টি আকর্ষন করছি । চট্টলার দিকে একটু নজর দেবেন আপু । চট্টলা বাসী ( আমরা ) খুব অসহায় । আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি । উপরে আল্লাহ নিচে আপনি । আমাদের উপর একটু দৃষ্টি দিয়েন । এই খানে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের তালিকা ভূক্ত মাদকের গডফাদার ও তালিকা ভূক্ত সান্ত্রাসী আছে । এই ওয়ার্ডে মিনি টেকনাফ নামের জায়গাও আছে । আমরা এর থেকে পরিত্রান পেতে চাই । ফেরেস্তার মতো আপনি আমাদের পাশে এসে দাড়াঁবেন । আপনার কাছে সেই কামনা করছি ।
    জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয় বিশ্ববন্ধু
    জয় হোক মমতাময়ী দেশ প্রেমিক নেত্রীর
    জয়তু শেখ হাসিনা আপুর
    জয় হোক জননেত্রী শেখ হাসিনার আপুর

  4. চট্টগ্রামে মাদক ব্যবসায়ী ও পৃষ্টপোষকের তালিকায় থাকা ২ প্রভাবশালী নেতা / কাউন্সিলার এখনো রয়েছে বহাল তবিয়তে। তালিকার এরা নিজেদের নাম বাদ দিতে ইতোমধ্যে নানা মহলে তদবির শুরু করেছে। এদের খবর শুনে দু একজন আতংকে তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ করে অনেকটা লোক চক্ষুর অন্তরালে চলে গেছেন। তালিকায় থাকা সিএমপি’র প্রভাবশালী ২ কাউন্সিলার নিজেদেরকে মাদক বিরোধী হিসেবে প্রচার করছে বিভিন্ন গনমাধ্যমে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় সহ মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের তালিকায় এসব কাউন্সিলার দের নাম থাকলেও সিএমপি’র কর্তা ব্যক্তিরা এ ব্যাপারে জানেনা বলে দাবী করছেন । এদিকে শুধু কাউন্সিলার নয় । এদের মধ্যে প্রশাশনের লোক ও আছে অনেক । ইতিমধ্যে অনেক নিরীহ ব্যক্তিকে ইয়াবাসহ মাদক দিয়ে মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে জেলে পাঠানোসহ মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এদিকে পুলিশ কর্মকর্তার পাশাপাশি এ তালিকায় রয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের দুজন প্রভাবশালী কাউন্সিলরের নাম। এদের একজন পাঠানটুলি ২৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুল কাদের ওরফে মাছ কাদের । অপর জন ৩১নং আলকরন ওয়ার্ড কাউন্সিলর তারেক সোলাইমান সেলিম। দুজনই ইতোমধ্যে তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ দিতে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। রয়েছেন লোক চক্ষুর
    অনেকটা অন্তরালে। তালিকা থেকে নিজেদের নাম বাদ দিতে মেয়রের কাছে ধর্না দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে । ২৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার আবদুল কাদের প্রকাশ মাছ কাদের ও ৩১ নং আলকরন ওয়ার্ড কাউন্সিলর তারেক সোলাইমান সেলিম বলেন । মেয়র আমার অভিভাবক হিসেবে তাঁর কাছে আমি যেতেই পারি। এ ছাড়া তালিকায় নাম আসার বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে তারা বলেন, বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি। কেন তালিকায় নাম আসলো জানিনা। আমি কখনো মাদকের সাথে কোন ভাবেই সম্পৃক্ত ছিলামনা। তবে প্রতিপক্ষ হয়তো প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের প্রভাবিত করে নাম তালিকাভুক্তি করাতে পারে বলে তাঁর ধারনা। চট্টগ্রাম নগর ও জেলায় মাদক ব্যবসায় যুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এতো জনের তালিকায় ৪৫ জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালী এবং নগরের পাঁচ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ২৫ জনের নাম রয়েছে।

  5. পৃষ্ঠপোষকদের তালিকায় নগরের ২৮ নম্বর পাঠানটুলি ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুল কাদের রয়েছেন। তিনি সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। ‘মাছ কাদের’ নামে পরিচিত এই স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ২০১৫ সালে কাউন্সিলর হন। মুঠোফোনে কয়েক দফা যোগাযোগ করেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতে, মিয়ানমার থেকে আসা ইয়াবা কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে চট্টগ্রাম হয়ে দেশে সরবরাহ হচ্ছে। প্রতিদিনই ইয়াবা পাচার হচ্ছে। চট্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার মাসুদ-উল হাসান বলেন, চট্টগ্রাম মাদক পরিবহনের প্রধান রুট। এর সঙ্গে কিছু গডফাদার যুক্ত। গডফাদার ও ব্যবসায়ীদের তালিকা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ শুরু করেছে।

  6. .চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী কাউন্সিলর ‘মাছ কাদের’ আত্মগোপনে !

    বাংলাদেশ মেইল :
    পুরো নাম আবদুল কাদের। অভাব অনটনে ছোটবেলায় বাজারে মাছ কাটতেন তাই পরবর্তিতে ‘মাছ কাদের’ নামে পরিচিতি পানন তিনি। বর্তমানে তিনি ২৮ নং মোগলটুলির ওয়ার্ড কাউন্সিলর। বিগত সময়গুলোতে চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত ছিলো । খুন,চাঁদাবাজি সহ প্রায় ৩২ টা ফৌজদারি মামলার আসামী। একটি মামলায় সাজা পেয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করেছেন। আরেকটি খুনের মামলা বিচারাধীন। বাকি ২৭ মামলার মধ্যে ২৩টিতে বেকসুর খালাস পেয়েছেন। আর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করা হয়েছে চারটি খুনের মামলা।
    নিজের সন্ত্রাসী বাহিনীকে ব্যবহার করে তিনি চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক এলাকা আগ্রাবাদ এর ‘কিং’ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন । কোটি টাকা চাঁদার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রন করেন এলাকার ইয়াবা ব্যবসাও। ধরপাকড় শুরু হলেই ওমরা বা হজ্বের নাম দিয়ে দেশত্যাগ করা তার কৌশল।
    সম্প্রীতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে অনেকটা আত্মগোপনে সিএমপির তালিকা ভুক্ত শীর্ষ এই সন্ত্রাসী। ধারণা করা হচ্ছে গ্রেফতার এড়াতে তিনি দেশত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
    খোজ নিয়ে জানা যায়, আবদুল কাদের ওরফে মাছ কাদেরের রাজনীতি শুরু ছাত্রলীগ ক্যাডার হিসেবে। পরে তিনি মহানগর যুবলীগের সদস্য হন। একসময় তিনি প্রয়াত আখতারুজ্জামানের ক্যাডার হিসেবে কাজ করলেও বর্তমানে তিনি সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী। পলিটেকনিক কলেজের কাদের, সিরাজ,মুগলটলির আজাদ,আলী, পাহাড়তলী থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নাসিম, পশ্চিম মাদারবাড়িতে ডাবল মার্ডার, মিজান সহ তার হাতেই নিহত হয়েছে ৯ জন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী। অভিযোগ রয়েছে এমন কোনো অপকর্ম নেই যার সাথে তার প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা নেই । চট্টগ্রাম সিটি কলেজের ছাত্র শফিউদ্দিন আজাদ হত্যা মামলার আসামি আবদুল কাদের। আজাদের স্বজনরা জানান , ‘২২ বছর ধরে ছেলে হত্যার বিচার ঝুলে আছে। আমরা এখন কার কাছে বিচার চাইব।’ ১৯৯৭ সালের ৩০ মে গুলি করে হত্যা করা হয় আজাদকে। উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশে ২০০০ সাল থেকে মামলাটির কার্যক্রম বন্ধ আছে। মামলার প্রধান আসামি আবদুল কাদের।
    বিগত দুই দশকে আগ্রাবাদ মোগলটুলিতে গড়ে তুলেছেন তার অপরাধের সম্রাজ্য। কোনো ব্যবসায়ীই রেহাই পান নাহ তার বাহিনীর হাত থেকে। টং দোকান থেকে শুরু করে বড় বড় ব্যবসায়িক হাউজিং সব জায়গা থেকে তুলেন চাঁদা।
    সূত্র মতে, আগ্রাবাদে বড় ছোট টং, ফুটপাতে অস্থায়ী জুতার দোকান ও কাপড়ের ভ্যান বসে প্রায় ৩০০ টি। দোকান বসাতে হলে অনুমতি নিতে হয় কাদেরেরর লোকজনকে থেকে দিতে হয় ২০ থেকে ২৫ হাজার। মৌখিক চুক্তি হয় ১ বছরের। প্রতিদিন সন্ধ্যায় সেসব দোকান থেকে ৫০০ ও টং থেকে ২০০ করে প্রায় ২ লাখ চাঁদা তুলে এই বাহিনী। এছাড়াও কাদের নিয়ন্ত্রন করেন একাধিক অবৈধ ব্যবসা। পাঠানটুলির ডা. জাফর প্রকাশ জ্যাক্কার বাড়ি, মগ পুকুড়পাড়, ডেবার পাড়, মুগলটলি প্রফেসর লেইনে বসে তার ছত্রছায়ায় ইয়াবার হাট। সেতুবন্ধন নামে একটা ক্লাবে নিয়মিত বসে জুয়ার আসর। এসব ইয়াবা ব্যবসা ও জুয়ার ব্যবসা দেখাশোনা করেন তার অনুগত দিদার উল্লাহ দিদু প্রকাশ মুরগী চোর দিদ্দা। দিদু কক্সবাজারের ইয়াবা সম্রাট মোঃ ফরিদের আপন ভাগনে। মুলত ফরিদের ভাগিনা হওয়ার সুবাদেই কাদেরের নজর কাড়েন তিনি, দায়িত্ব পান ইয়াবা ব্যবসা দেখভালের। কয়েক বছর পূর্বেও ছিচকে ছিনতাইকারী থাকলেও দিদু বর্তমানে কোটিপতির খাতায় নাম লিখিয়েছে। কার্বন ও তরুণী সাজ নামে নগরীর আগ্রাবাদের অভিজাত শপিং মল আখতারুজ্জামান সেন্টারে রয়েছে তার দুটি দোকান। অভিযোগ রয়েছে পতিতা ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করেন তার আরেক সহযোগী ওবায়দুল কাদের মিন্টু ওরফে বরিশাইল্ল্যা মিন্টু। আগ্রাবাদ এলাকায় রয়েছে তার একাধিক ফ্ল্যাট। অভিযোগ আছে আগ্রাবাদে সিলভার স্পুনের বিপরীতে পরিত্যক্ত বহুতল ভবনে মুন্না এন্টারপ্রাইজ নামে ব্যানার দিয়ে ভিতরে কেবিন বসিয়ে চালান দেহ ব্যবসা। সুত্র বলছে দেহ ব্যবসা থেকেই কাদের ভাগ পান প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। পুরো আগ্রাবাদ ও তার আশপাশ জুড়ে ছিনতাই ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করেন কাদেরের অনুগত আলমগীর হোসেন আলো প্রকাশ পিচ্চি আলো। ডবলমুরিং থানার তালিকাভুক্ত এই ছিনতাইকারী আলোর অধিনে রয়েছে প্রায় শতাধিক প্রফেশনাল ছিনতাইকারী। অভিযোগ ছিনতাইয়ের টাকার বড় একটা অংশেও ভাগ পান কাদের। শুধু এসবেই শেষ নয় ভয়ংকর সন্ত্রাসী মাছ কাদেরের অপরাধনামা। তার অনুগত আবদুর রহিম রাজু প্রকাশ বিহারী রাজুকে দিয়ে অন্যের বিল্ডিং জবরদখল করেন কাদের। মাত্র কয়েক মাস আগেই জোর করে দখল করে ভাড়া দিয়েছেন রামকৃষ্ণ মিশনের বিল্ডিং।কোষ্টারহেজ শ্রমিকদের মজুরি থেকেও ঘন্টায় একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন নেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পেশী শক্তি দিয়ে দখল করে আছেন ঘাট গুদামের ৫ টি ঘাট। তার এই ঘাটব্যবসা তদারকি করেন তার আরেক সহযোগী কথিত শ্রমিক নেতা জাফর। বিদ্যুৎ ভবনেও রয়েছে মাছ কাদেরের রাম রাজত্ব। অস্ত্রসস্ত্র ভয়ভীতি দেখিয়ে বিদ্যুৎ ভবনের প্রতিটা টেন্ডার নিয়ন্ত্রন করে তার ভাই রহমান, খবিরুল মওলা, আবদুল ওয়াদুদ রিপন প্রকাশ সিলেটি রিপন ওরফে বরই গাছতলার রিপন, তসলিম, হাতকাটা হুমায়ুন, দেলোয়ার, ইফতেখার উদ্দীন রুবেল। এই বিষয়ে কথা বলার জন্য কাউন্সিলর কাদেরের মুঠোফোনে বারবার কল দেয়া হলেও তার নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে।
    জনপ্রতিনিধিদের অপরাধে জড়িত থাকার বিষয়ে সিএমপির গোয়েন্দা শাখা নিবিড় নজরদারি অব্যাহত রেখেছে বলে জানান অতিরিক্ত পুুুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) আমেনা বেগম। তিনি বলেন, অপরাধীদের কোন বিবেচনায় ছাড় দেয়ার সুুুুুুযোগ নেই।

  7. স্যার আপনি / আপনার বিডি টাইমস365 আমার ভালো লেগেছে । তাই এই খানে পোষ্ট করলাম । আমার কথা যদি মিথ্যা হয় । আপনারা খোঁজ খবর নিয়ে দেখেন । চট্টগ্রাম ২৮নং ওয়ার্ডের আবদুল কাদের প্রকাশ মাছ কাদের । এই খানে কি যে অত্যাচার করছে তা আমরা ভুক্ত ভোগীরা জানি । আপনি / আপনারা আমার পোষ্ট গুলি একটু পড়ে দেখবেন । স্যার আমার এই পোষ্ট গুলি যদি সরকারের নজরদারীতে আনেন । তাহলে ২৮নং ওয়ার্ডে এলাকা বাসী । নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে দুহাত তুলে দোয়া করবে । হিন্দুরা মন্দিরে গিয়ে । বৌদ্ধরা পুরোহীতে গিয়ে । খ্রীষ্টানরা গির্জায় গিয়ে আর্শিবাদ করবে । আমরা মনে করবো আপনি / আপনারা আমাদের জন্য ফেরেস্তা হয়ে এসেছেন ।
    অনুরোধ রহিলো স্যার

মন্তব্য