আপডেট : ১৫ মে, ২০১৬ ১৭:২৯

সানি লিওনকে চিনে ফেললো হেফাজত!

বিডিটাইমস ডেস্ক
সানি লিওনকে চিনে ফেললো হেফাজত!

২০১৩ সালের মাঝামাঝি থেকে ঝিমিয়ে পড়া হেফাজতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে কানাডিয়ান বংশদ্ভূত পর্ণষ্টার ও ভারতীয় চিত্রনায়িকা সানি লিওন। সাবেক এই পর্নস্টারের বাংলাদেশ সফর ঠেকাতে দফায়-দফায় বৈঠকও করেছিলো কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠনটি। আর এ দুইয়ের সর্বশেষ খবর হলো- সানি লিওনকে আন্তর্জাতিক পতিতা বলে আখ্যায়িত করেছে বাংলাদেশী সংগঠন হেফাজতে ইসলাম।

কিন্তু ধর্মীয় এ সংগঠনটি ধর্মীয় বিষয় নিয়েই যাদের বিবৃতি দেওয়ার কথা তারা কিভাবে সানি লিওনের কাজ কর্ম সম্পর্কে অবহিত হয়েছে? কারণ একজন পাক্কা মুসলিম যেখানে টিভি দেখা থেকেই নিজেকে বিরত রাখেন সেখানে সানি লিওনের সেলুলয়েড দুনিয়ার ব্যপার-স্যাপার তাঁদের কাছ থেকে যোজন যোজন দূরে থাকারই কথা। অথচ হেফাজত ইসলাম সানি লিওনের বিরোধীতার পাশাপাশি তাকে আন্তর্জাতিক পতিতা হিসেবে আখ্যায়িত করতে পিছপা হয়নি। যেহেতু শোনা কথায় প্রকৃত মুসলমানরা কান দেন না। তবে কি তারা সানি লিওনের দু’একটি ভিডিও তাদের গোচরে এনেছেন!

এমন প্রশ্ন নিয়ে জনমনে কৌতুহলের কোন সীমা পরিসীমা নেই। কৌতুহল মেটাতে রোববার জনপ্রিয় অনলাইন বিডিটাইমস ৩৬৫ডটকমও একটি অনুসন্ধানী জরিপ চালায়।

এক ফোনালাপে বিশিষ্ট ইসলামী বক্তা ও শিক্ষক মাওলানা মাইনউদ্দিন সাহেব আবু হোরাইরা থেকে বর্ণীত বুখারি শরীফের (পৃষ্ঠা নং-২৮) এক হাদিসের উদৃতি দিয়ে বলেন, ‘কোন মুসলমান মিথ্যাবাদি হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট, যদি সে যাহা শুনে তাহাই বলে।’ তবে, হেফাজতের পক্ষ থেকে সেটা কিভাবে বলা হয়েছে এ ব্যাপারে তিনি কোন তথ্য দিতে পারেন নি।

একই কথা বললেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাওলানা হুসাইনুল বান্নাও। তিনি বলেন, প্রকাশ্যে কারো অপকর্ম নিয়ে কথা বলা গীবতের পর্যায়ে পড়ে। ইসলামী আইন অনুযায়ী কারো অপকর্মের কথা কাজী কিংবা বিচারকের কাছে গিয়ে বলতে হয়। তিনি সূরা- নিসার’র ১৫ নম্বরে বর্ণিত এক আয়াতের কথা উল্লেখ করেন। তাতে বলা হয়েছে- ‘তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কাউকে অপকর্মে লিপ্ত হতে দেখো তাহলে অন্তত চারজন স্বাক্ষী রেখো।’

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/মাঝি

উপরে