আপডেট : ২৩ জুন, ২০১৬ ১০:৫৫

দেশে হিন্দু জনসংখ্যা বেড়েছে: বিবিএস

অনলাইন ডেস্ক
দেশে হিন্দু জনসংখ্যা বেড়েছে: বিবিএস

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০১৫ সালের স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এক বছরের ব্যবধানে দেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা বেড়েছে। ২০১৫ সালের হিসাব মতে, দেশে মোট জনসংখ্যার ১০ দশমিক ৭ শতাংশ লোক হিন্দু ধর্মাবলম্বী রয়েছে। কিন্তু আগের বছর এর হার ছিল ৯ দশমিক ৯ শতাংশ।

গতকাল বুধবার (২২ জুন) এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

বিবিএসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০১৫ সাল নাগাদ দেশের মোট জনসংখ্যা ১৫ কোটি ৮৯ লাখ। সেই হিসাবে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখ। বিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৪ সালে দেশের জনসংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ৬৮ লাখ। এ হিসাব ধরে তখন হিন্দু ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৫৫ লাখ। এর মানে, ১ বছরের ব্যবধানে হিন্দু জনগোষ্ঠী বেড়েছে ১৫ লাখ।

একইভাবে এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে খ্রিষ্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যাও। বিবিএসের হিসাবে, মোট জনসংখ্যার ১ দশমিক ১ শতাংশ খ্রিষ্টান ও অন্য ধর্মাবলম্বী। ২০১৪ সালে এ হার ছিল দশমিক ৯ শতাংশ।

এ বিষয়ে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত বলেন, বিবিএসের অতীতের আদম শুমারিতে দেখা যায়, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ক্রমান্বয়ে কমছে। কিন্তু স্যাম্পল ভাইট্যাল স্ট্যাটেসটিকস প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বেড়েছে জনসংখ্যার প্রায় ১২ শতাংশ।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালে যে ভোটার তালিকায় তৈরি করা হয়েছিল, সেখানেও সংখ্যালঘু ভোটারের অনুপাত এরকমই ছিল। এই দুটি সংখ্যা প্রায় এক রকম। এর অর্থ আদম শুমারিতে সংখ্যালঘুদের হার কম দেখানো হয়েছিল। আমাদের বক্তব্য, সরকারের উচিত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সঠিক তথ্য ও পরিসংখ্যান প্রকাশ করা।

এ প্রসঙ্গে বিবিএসের প্রকল্প পরিচালক এ কে এম আশরাফুল হক গত রাতে বলেন, নমুনা এলাকার ভিন্নতার কারণে তথ্য-উপাত্তের সামান্য হেরফের হতে পারে। আগের বার (২০১৪) ১৫০০টি নমুনা এলাকা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এবার ২০১২টি নমুনা এলাকা থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রায় ৫০০ এর বেশি নতুন নমুনা এলাকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, দেশের মোট জনসংখ্যার সাড়ে আট শতাংশ হিন্দু ধর্মাবলম্বী।

বিবিএস স্যাম্পল ভাইট্যাল স্ট্যাটেসটিকস-এর মাধ্যমে প্রতিবছর জন্ম, মৃত্যু, আয়ুষ্কাল, বিয়েসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ করে থাকে। এ জন্য নির্দিষ্ট নমুনা এলাকা থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে