আপডেট : ২৯ মে, ২০১৬ ১০:৫১

শ্রবণশক্তি ফিরে পেল ১০৮ প্রতিবন্ধী

বিডিটাইমস ডেস্ক
শ্রবণশক্তি ফিরে পেল ১০৮ প্রতিবন্ধী

শতাধিক শ্রবণপ্রতিবন্ধী শিশুকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাক-কান-গলা বিভাগের চিকিৎসক ও ডেভেলপমেন্ট অব কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট প্রোগ্রাম ইন-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিলন হলে গতকাল শনিবার অনুষ্ঠিত চতুর্থ কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারির কর্মশালায় অংশ নেওয়া কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট গ্রহীতা শিশুদের মা-বাবারাও ছিলেন অনেকটাই আবেগাপ্লুত।

কর্মশালায় জানানো হয়, কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি অত্যন্ত ব্যয়বহুল চিকিৎসা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিমধ্যে ১০৮ জন শ্রবণপ্রতিবন্ধীর সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে, ক্ষেত্রবিশেষে নামমাত্র মূল্যে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি সম্পন্ন হয়েছে। আরো ৭৫ শ্রবণপ্রতিবন্ধী শিশুকে এ সেবা দেওয়া হবে। দিনব্যাপী আয়োজিত এ কর্মশালায় যুক্তরাজ্য, ভারত, নেপালসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তায় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনায় এবং এ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাক-কান-গলা বিভাগের ডেভেলপমেন্ট অব কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট প্রোগ্রামের (দ্বিতীয় পর্যায়) উদ্যোগে চতুর্থ কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি উপলক্ষে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. চৌধুরী মো. বাবুল হাসান। সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান। বক্তব্য দেন ডেভেলপমেন্ট অব কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট প্রোগ্রামের কর্মসূচি পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবুল হাসনাত জোয়ার্দার, নাক-কান-গলা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন সিদ্দিকী, নাক-কান-গলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাসিমা আখতার এবং ইউকের কুইন এলিজাবেথ হাসপাতাল বার্মিংহামের ইএনটি সার্জন কনসালট্যান্ট রিচার্ড আরভিং প্রমুখ।

অভিভাবকরা বলেন, কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি অত্যন্ত ব্যয়বহুল চিকিৎসা হওয়ায় উন্নত দেশের অনেক নাগরিকের পক্ষেও এ ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব নয়। তাই শ্রবণপ্রতিবন্ধী শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এ মহতী প্রকল্পটি চালু রাখার জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।

সূত্র- কালের কণ্ঠ

জেডএম

উপরে