আপডেট : ২০ মে, ২০২১ ২১:০৮

প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, আসামি লক্ষ্মীপুরের সাবেক এমপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, আসামি লক্ষ্মীপুরের সাবেক এমপি

রাজধানীর পল্লবীতে প্রকাশ্যে কুপিয়ে সাহিনুদ্দিন (৩৩) নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার পেছনে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এম এ আউয়ালের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করে পল্লবী থানায় মামলা হয়েছে। গত ১৬ মে হত্যাকাণ্ডের পর ওই রাতেই নিহতের মা আকলিমা বেগম বাদী হয়ে আউয়ালসহ ২০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি গতকাল বুধবার ডিবি পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে আকলিমা বেগম উল্লেখ করেছেন, গত ১৬ মে বিকেল ৪টার দিকে সুমন ও টিটু নামের দুই যুবক সাহিনুদ্দিনকে জমির বিরোধ মেটানোর কথা বলে ফোন করে ডেকে নেন। সাহিনুদ্দিন মোটরসাইকেলে পল্লবীর ডি-ব্লকের ৩১ নম্বর সড়কের ৪০ নম্বর বাসার সামনে গেলে সুমন ও টিটুসহ ১৪-১৫ জন মিলে তাঁকে টেনেহিঁচড়ে ওই বাড়ির গ্যারেজে নিয়ে যায়। এ সময় সাহিনুদ্দিনের ছয় বছরের ছেলে মাশরাফি গেটের বাইরে ছিল। গ্যারেজে ঢুকিয়ে তাঁকে সন্ত্রাসীরা চাপাতি, চায়নিজ কুড়াল, রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এরপর তাঁকে ওই গ্যারেজ থেকে বের করে ৩৬ নম্বর বাসার সামনে আবার কুপিয়ে ফেলে রেখে চলে গেলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহতের মায়ের অভিযোগ, পল্লবীর সেকশন-১২ বুড়িরটেকের আলীনগর আবাসিক এলাকার হ্যাভেলি প্রপার্টিজ ডেভেলপার লিমিটেডের এমডি এবং লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাবেক এমপি এম এ আউয়ালের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভাড়া করা স্থানীয় সন্ত্রাসীরা সাহিনুদ্দিনকে হত্যা করেছে। আনুমানিক পাঁচ কোটি টাকা মূল্যের ১০ একর জমি জবরদখলে বাধা দেওয়ায় তাঁকে খুন করা হয়েছে। নিহত সাহিনুদ্দিনের বাসা পল্লবীর ডি-ব্লকে।

লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাবেক এমপি লায়ন এম এ আউয়ালকে মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে । অন্য আসামিরা হলেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সুমন, মো. আবু তাহের, মুরাদ, মানিক, মনির, শফিক, টিটু, কামরুল, কিবরিয়া, দিপু, আবদুর রাজ্জাক, মরন আলী, লিটন, আবুল, বাইট্যা বাবু, বড় শফিক, কালু ওরফে কালা বাবু, নাটা সুমন ও ইয়াবা বাবু। আসামিরা সবাই পল্লবী থানা এলাকার বাসিন্দা।

পল্লবী থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ আল মামুন বলেন, ‘আমরা দুজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তারা রিমান্ডে রয়েছে। মামলা ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

উপরে