আপডেট : ১১ এপ্রিল, ২০২১ ১৫:০২

মামুনুলের একাধিক "বান্ধবী"কে খুঁজছে পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক
মামুনুলের একাধিক

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মোহাম্মদ মামুনুল হকের দুই বান্ধবীকে খুঁজছে পুলিশ। সর্বশেষ জান্নাত আরা ঝর্ণার তিনটি ডায়েরি ফাঁসের পর পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তদন্তকারীরা মামুনুল হকের কথিত স্ত্রী ঝর্নাকে খুঁজলেও এখন পর্যন্ত তার সন্ধান মেলেনি। এদিকে ঝর্নার খোঁজে যেয়ে মামুনুলের আর এক বান্ধবীর তথ্য পেয়েছে পুলিশ। ওই নারীর বিষয়েও তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে। গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি সূত্র জানায়, মামুনুলের রিসোর্টকাণ্ডের জেরে নাশকতার ঘটনা ঘটায় ব্যক্তিগত বিষয়টিকেও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। গত শুক্রবার মামুনুলের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে পরিচিতি পাওয়া ঝর্ণার ২০০ পৃষ্ঠার তিনটি ডায়েরি উদ্ধার করা হয়।

ঝর্ণার ডায়েরিতে লেখা, আমাকে বিয়ে না করেই গ্রিন রোডের একটি বাসায় রাখেন মামুনুল হক। আমাকে খরচের টাকাও দিতেন। কিন্তু বিয়ে করে স্ত্রী বানাননি। মামুনুল হক প্রায় দুই বছর আগে বিয়ের কথা বললেও ডায়েরির বর্ণনা মতে কয়েক মাস আগেও তাঁদের বিয়ে হয়নি।

ঝর্ণার বড় ছেলে আব্দুর রহমান উদ্ধার হওয়া তাঁর মায়ের বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন ডিবি পুলিশ ঝর্ণার সেই ডায়েরি উদ্ধার করে পর্যালোচনা করছে।

সূত্র মতে, মামুনুল-ঝর্ণার ব্যাপারে খোঁজ নিতে গিয়ে আরেক নারীর ব্যাপারে তথ্য পাওয়া গেছে। ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ আছে মামুনুলের। তাঁর সঙ্গে মামুনুলের সম্পর্ক যাচাই করা হচ্ছে। এসব ঘটনা ফৌজদারি আপরাধের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ত হলে তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে।

গত এপ্রিল সোনারগাঁয় নাশকতার ঘটনায় দুই মামলায় মামুনুল এজাহারনামীয় আসামি। ছাড়া ঢাকায় গত ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররম কেন্দ্রীয় মসজিদে নাশকতার ঘটনায় পল্টন থানার দুই মামলার আসামি তিনি।

জানতে চাইলে পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার সৈয়দ নূরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, সোনারগাঁর ঘটনায় সোনারগাঁয় মামলা হয়েছে। আমরা নাশকতার ব্যাপারে তদন্ত করছি। আসামিদের গ্রেপ্তারেও আমাদের তদন্ত চলছে।

উপরে