আপডেট : ২৮ এপ্রিল, ২০১৬ ১০:৫১

বিদেশি পর্যটকদের পছন্দের তলানিতে বাংলাদেশ; শীর্ষে অ্যান্ডোরা

অনলাইন ডেস্ক
বিদেশি পর্যটকদের পছন্দের তলানিতে বাংলাদেশ; শীর্ষে অ্যান্ডোরা

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন,ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন, পটুয়াখালির কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতসহ বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে বাংলাদেশে। বছরের বিভিন্ন সময়ে এসব জায়গায় বিদেশি পর্যটকদের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। তবে বিশ্বের অন্যন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে পর্যটকের ঊপস্থিতি অনেক কম।

জনসংখ্যার অনুপাতে বিশ্বে সবচেয়ে কম পর্যটক যায় বাংলাদেশে। আর সবচেয়ে বেশি যায় ফ্রান্স আর স্পেনের মধ্যবর্তী এক্কেবারে ছোট্ট একটি দেশ অ্যান্ডোরায়।

বিভিন্ন দেশের জনসংখ্যা আর বেড়াতে যাওয়া পর্যটক সংখ্যার অনুপাতের তুলনা করে একথা জানিয়েছে ‘প্রাইসোনোমিক্স’ নামের একটি সংস্থা।

প্রাইসোনোমিক্সের হিসেবে, বিশ্বে জনসংখ্যার অনুপাতে পর্যটক সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান সবার নীচে। আর নীচের দিক থেকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছে যথাক্রমে গিনি আর মলডোভা।

জনসংখ্যার অনুপাতে সবচেয়ে বেশি পর্যটক যায় অ্যান্ডোরায়। এরপর আছে যথাক্রমে আরুবা আর মোনাকো।

পর্যটকরা ভিড় করার আগেই ভ্রমণ করুন বাংলাদেশ। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এক সময় এই শ্লোগানটা ব্যবহার করতো তাদের বিজ্ঞাপনে।

কিন্তু এই সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রতি এক হাজার ২৭৩ জন মানুষের বিপরীতে মাত্র একজন বিদেশি পর্যটক সেখানে যান।

অন্যদিকে অ্যান্ডোরায় প্রতি একজন স্থানীয় মানুষের বিপরীতে ৩২ জন বিদেশি পর্যটক সেখানে বেড়াতে গেছেন।

প্রাইসোনোমিক্স এই তালিকা তৈরি করেছে বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে।

এতে দেখা যাচ্ছে, ফ্রান্স, ইটালি বা স্পেনের মতো দেশগুলো পর্যটকদের কাছে খুবই জনপ্রিয় হলেও জনসংখ্যার অনুপাতে এসব দেশে কিন্তু পর্যটক সংখ্যা সেরকম বেশি নয়। একই অবস্থা চীন, রাশিয়া বা যুক্তরাষ্ট্রেরও।

জরিপে দেখা যাচ্ছে, গত কয়েক বছরে যেসব দেশে পর্যটকের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বেড়েছে তাদের মধ্যে আছে ভুটান, কঙ্গো ব্রাজাভিল এবং রিপাবলিক অব কঙ্গো।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে