আপডেট : ৬ এপ্রিল, ২০১৬ ১৫:৫১

ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা

অনলাইন ডেস্ক
ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা

‘ছুটির ঘন্টা’ বাংলা ছায়াছবির ঘটনা আমরা অনেকেই জানি। স্কুলে বাথরুমে আটকে পড়া বাচ্চাটিকে শেষ পর্যন্ত জীবিত উদ্ধার করা যায়নি। লম্বা ছুটির কারণে অন্ধকারের আতঙ্ক আর অভুক্ত থেকে ধীরে ধীরে মৃত্যুকে বরণ করে নিতে হয়েছিল শিশুটিকে। মৃত্যু ছুঁতে পারেনি পারেনি টেক্সাসের এক মহিলাকে তবে তেমন এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে তাকে যেতে হয়েছে। শনিবার শেষ বেলায় টেক্সাসের ওই মহিলা পড়াশোনার জন্য লাইব্রেরিতে গিয়েছিলেন। কাজ শেষে যখন চলে যাবেন তখন প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে টয়লেটে যাওয়ার প্রয়োজন হয়েছিল তার। শারীরিক স্বস্তির জন্য টয়লেটে যাওয়ার পর এমন ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা নিতে হবে তা ঘুণাক্ষরেও তিনি টের পাননি।

লাইব্রেরিতে সবাই পড়াশোনার কাজে ব্যস্ত থাকায় মহিলার টয়লেটে যাওয়ার বিষয়টি কেউ খেয়াল করেনি। তাছাড়া বাথরুমের দরজাটি ঠিকমতো কাজ না করায় তিনি বেরও হতে পারছিলেন না। অন্যদিকে লাইব্রেরির সময়ও শেষ। লাইব্রেরি বন্ধ করে একে একে সবাই বাড়ির পথ ধরেছেন। বাথরুমে যে একজন আটকে আছে তা তারা জানতেও পারলেন না। দুর্ভাগ্য আর কাকে বলে। মহিলার কাছে ছিল না সেলফোনও। নিজের দুরাবস্থার কথা কাউকে জানাতেও পারছিলেন না। তবে দুর্ভাগ্যের আরও বাকি ছিল। কেননা পরের দিন ছিল রবিবার। সবকিছু বন্ধ। মুক্তির জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আর কিছুই ছিল না। শনিবার রাতের পর রবিবার দিন, আবার রাত। অবশেষ সোমবার সকালে লাইব্রেরির লোকজন এসে বাথরুমে একজনের আটকে পড়ার অবস্থা বুঝতে পেরে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।

 

উপরে