আটকা পড়েছে হাজারো যাত্রী, বিশেষ ব্যবস্থায় দ্রুত ফ্লাইট চালুর দাবি | BD Times365 আটকা পড়েছে হাজারো যাত্রী, বিশেষ ব্যবস্থায় দ্রুত ফ্লাইট চালুর দাবি | BdTimes365
logo
আপডেট : ১৩ এপ্রিল, ২০২১ ২১:৪৬
আটকা পড়েছে হাজারো যাত্রী, বিশেষ ব্যবস্থায় দ্রুত ফ্লাইট চালুর দাবি
অনলাইন ডেস্ক

আটকা পড়েছে হাজারো যাত্রী, বিশেষ ব্যবস্থায় দ্রুত ফ্লাইট চালুর দাবি

মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রায় ২০ হাজার প্রবাসী দেশে আটকা পরেছে। এমন পরিস্থিতিতে  জরুরি ব্যবস্থায় ফ্লাইট চালু রাখতে বলছে অ্যা সোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)। একইসঙ্গে সংগঠনটি  টিকিটের মূল্য বৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ।

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনটির সভাপতি মনছুর আহমেদ কালাম। এসময় হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) হজ সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা ইয়াকুব শরাফতী, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা ফজলুর রহমানসহ আটাব ও ট্রাভেল এজেন্ট মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত দাবি তুলে ধরেন আটাবের সভাপতি মনছুর আহমেদ কালাম। তিনি বলেন, এ সময়ে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণপথে সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী অনেক প্রবাসী ছুটি নিয়ে, জরুরি প্রয়োজনে বর্তমানে দেশে অবস্থান করছেন তাদের অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। তারা সবাই উচ্চমূল্যে টিকিট কিনে করোনা পরীক্ষা শেষ করেই মধ্যপ্রাচ্যের কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। এ অবস্থায় করোনা সংক্রমণের কারণে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করায় তাদের ফিরে যাওয়া অনিশ্চয়তায় পড়েছে। তাছাড়া, অনেক নতুন কর্মী ভিসা নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। তারা যদি সঠিক সময়ে যেতে না পারেন তাহলে ভিসা বাতিল হয়ে যাবে। এখন বিশেষ ব্যবস্থায় আটকে পড়া মধ্যপ্রাচ্য কর্মীদের কর্মস্থলে পাঠাতে বিশেষ ব্যবস্থায় দ্রুত ফ্লাইট চালু করতে হবে।

হাব সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, লকডাউনে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রায় ২০ হাজারকর্মী যেতে পারছেন না। বিশেষ ব্যবস্থায় ফ্লাইট চালু করে তাদের পাঠানো না হলে অধিকাংশ কর্মীর ভিসা নবায়ন হবে না। নতুনকর্মীদের ভিসা বাতিল হয়ে যাবে। পরবর্তীতে করোনার অজুহাতে তাদের এই ভিসা নবায়নের সুযোগ নেই। এতে এই ২০ হাজারকর্মী পথে বসে যাবে।