আপডেট : ২ মে, ২০১৬ ২১:৩৮

পাঁচতারা হোটেলের রেস্তোরাকে হার মানায় এদের ক্যাফেটেরিয়া!!

অনলাইন ডেস্ক
পাঁচতারা হোটেলের রেস্তোরাকে হার মানায় এদের ক্যাফেটেরিয়া!!

যাঁরা বাড়ি থেকে দুপুর বা রাতের খাবার অফিসে নিয়ে যেতে পারেন না তাঁরা সাধারণত বাইরে থেকে বা অফিসের ক্যাফেটেরিয়া থেকেই খেয়ে নেন। অফিসে ক্যাফেটেরিয়া তো অনেক দেখেছেন, তবে হলফ করে বলা যায় এই ৬ অফিসে যেমন ক্যাফেটেরিয়া রয়েছে তা এর আগে দেখেননি। এমন ক্যাফেটেরিয়া দেখলে যে কোনও ৫ তারা রেস্তোরাঁও লজ্জায় মুখ ঢাকবে।



) গুগল
এখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রান্নার জন্য আলাদা আলাদা বিভাগ রয়েছে। যা খুশি খেতে পারেন। স্বাদ এবং রান্নার গুণমান নিয়ে কোনও কথা হবে না, জাস্ট ফাটাফাটি। কী খেতে চান খালি বলে ফেলুন, হাজির হয়ে যাবে আপনার সামনে।



) অ্যাপল

অ্যাপলের দপ্তরে ক্যাফেটেরিয়ার নাম ক্যাফে ম্যাক্স। মেক্সিকান, ইতালিয়ান, জাপানি, স্প্যানিশ এবং ফ্রেঞ্চ রান্না পাওয়া যায় লাঞ্চে। ব্রেকফাস্টে থাকে ফ্রেঞ্চ টোস্ট, প্যানকেক, বিভিন্ন জুস এবং আইসক্রিম এবং অন্যান্য ডেজার্ট। এখানেই শেষ নয়, মেনু পাল্টাতে থাকে প্রতি সপ্তায়।



) ফেসবুক
এদের ক্যাফেটেরিয়ায় বিশেষত মার্কিন এবং এশিয়ান খাবার মেলে। যা খুশি খান সবই ফ্রি। তা সে আপনার জন্যই হোক বা আপনার কোনও আমন্ত্রিত ব্যক্তির জন্যই হোক। চাইলে বাড়িতেও নিয়ে যেতে পারেন। সেটাও বিনামূল্যে।



) ড্রপবক্স
সান ফ্রান্সিসকো এবং ক্যালিফোর্নিয়াতে এদের অফিসে ক্যাফেটেরিয়া রয়েছে। নাম টাক শপ। ৪০০ মিটার জুড়ে রয়েছে এইক্যাফেটেরিয়া। সব দেশের সব রকম রান্না আপনি পাবেন। রান্না করার জন্যেও রয়েছেন অনেক শেফ। শুধু অর্ডার দিলেই হল। হাজির হয়ে যাবে আপনার সামনে।



) পিক্সার
এই অফিসের ক্যাফেটেরিয়া একটা মিউজিয়ামের থেকে কোনও অংশে কম নয়। নাম ক্যাফে লুক্সো। নানা রকমের খাবার পাওয়া যায়। স্যামন ইন, ম্যাপেল সিরাপ থেকে পাস্তা, টোফু, হ্যামবার্গার, ফ্রায়েড রিভিওলি, বিভিন্ন মাংসের স্টেক, বুরিতো, পিৎজা এবং প্রায় সব রকমের ডেজার্ট।



) টুইটার

এদের ক্যাফেটেরিয়ার নাম বার্ডফিডার। এ ছাড়াও আরও দু'টি আলাদা খাবারের সেকশন রয়েছে। নাম কমফর্ট এবং টেন্ডারলাইন। এটাও প্রায় 'সব পেয়েছির দেশ'। কী খেতে চান বললেই হল।

উপরে