আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০১৯ ১৮:০৫

প্রাথমিক সহকারি শিক্ষকদের গ্রেড নির্ধারণে জটিলতা!

অনলাইন ডেস্ক
প্রাথমিক সহকারি শিক্ষকদের গ্রেড নির্ধারণে জটিলতা!

চলতি বছরই টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। পেরিয়ে গেছে নতুন সরকারের একশ দিনও। এ সময়ের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সব অর্জন ও সমালোচনা তুলে ধরা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাকে বিশ্বমানের করতে বিগত তিন মাসের মধ্যে আমরা নানামূখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। আজকে যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ছে তারাই আগামীতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবে। তাই তাদের যুগোপযোগী শিক্ষা দিতে না পারলে সব চেষ্টা ব্যর্থ হবে। এটিকে মাথায় রেখে আমরা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে চাই।

তিনি বলেন, আমাদের নানা রকম পদক্ষেপের পাশাপাশি বেশ কিছু সমস্যাও আছে। এখনও শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য সমস্যা দূরীকরণ সম্ভব হয়নি। যদিও এবার আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে এটা সমাধান করা হবে উল্লেখ ছিল। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও বৈষম্য রয়েছে। কেউ এসএসসি, কেউ এইচএসসি, কেউবা স্নাতক পাস রয়েছেন। এ কারণে সহকারি শিক্ষকদের গ্রেড নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তারা বলেছেন, ডিগ্রি পাস শিক্ষকদের জন্য প্রস্তাব পাঠালে গ্রেড পরিবর্তন করা যেতে পারে। তাদের ১১তম গ্রেড দেয়া সম্ভব না হলেও সম্মানজনক একটি অবস্থানে উন্নীত করা হবে।

বিগত ১০০ দিনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্জনের মধ্যে রয়েছে_ প্রতিদিন একটি ইংরেজি শব্দ শিক্ষণ, নতুন ভবন নির্মাণ ও জরাজীর্ণ ভবন সংস্কার , শিক্ষক উপস্থিতি ডিজিটালাইজ, শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা আধুনিকায়ন, শিক্ষক বদলি নীতিমালা সহজীকরণ, মাঠ পর্যায়ে নির্মাণ কাজ পরিদর্শন, গণশিক্ষা কার্যক্রমে সম্প্রসারণ, সারাদেশে একই সঙ্গে সিলেবাস সম্পন্ন, বিদ্যালয় আকস্মিক পরিদর্শন, ই-পেনশন ব্যবস্থা মন্ত্রী ও সচিবের সঙ্গে প্রধান শিক্ষকদের যোগাযোগ স্থাপন ইত্যাদি।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে