আপডেট : ৪ মার্চ, ২০১৭ ১৪:১৮

ঢাবির ৫০তম সমাবর্তনে প্রাণের উচ্ছ্বাস

অনলাইন ডেস্ক
ঢাবির ৫০তম সমাবর্তনে প্রাণের উচ্ছ্বাস
বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস ও আনন্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫০তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান চলছে। আজ শনিবার শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের খেলার মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে মোট ১৭ হাজার ৮৭৫ জন গ্র্যাজুয়েটের স্বীকৃতি পাবেন।
পঞ্চম শ্রেণি, অষ্টম শ্রেণি, এসএসসি, এইচএসসি। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলো শেষ করার পর এবার গ্র্যাজুয়েট হলেন। সকাল সকাল গ্র্যাজুয়েটের বেশে দোয়েল চত্বরে চলে এসেছেন তারা। মুখে গর্বের হাসি আর উল্লাস ছিল। কারো কারো মধ্যে বন্ধুদের হারানোর বেদনাও ছিল। এখন আগের মতো মন দিয়ে পড়াশোনার সময় পাবেন না তারা। এবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেয়ার পালা।

আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর আগে অবশ্য বাবা-মা ও বন্ধুদের সঙ্গে গাউন পরে ছবি তোলেন গ্র্যাজুয়েটরা।

সমাবর্তনে যোগদানের জন্য সকাল থেকে গ্র্যাজুয়েটরা আসতে শুরু করেন। রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদ এ সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন।  

এছাড়া, কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিও’র প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক অমিত চাকমা সমাবর্তন বক্তৃতা প্রদান করবেন। তাকে এ অনুষ্ঠানে ডক্টর অব সায়েন্স ডিগ্রি প্রদান করা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক সমাবর্তন সংস্কৃতি প্রচলনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, সমাবর্তন দিবস শিক্ষার্থীদের জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। এ দিবসটির জন্য শিক্ষার্থীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। সমাবর্তন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা একাডেমিক সার্টিফিকেট ও পদক গ্রহণ করে থাকেন।

অথচ স্বাধীনতা পূর্ব ও উত্তরকালে দীর্ঘদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান বন্ধ ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সংস্কৃতি চালু হয়েছে। এ সংস্কৃতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।  

সমাবর্তন সুষ্ঠুভাবে পালনের জন্য ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হয়েছে। সমাবর্তনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

উপরে