আপডেট : ১ আগস্ট, ২০১৯ ১২:১১

কারাগারে পার্থ বণিকদের প্রতিদিনের আয় ছিল ৪০ লাখ টাকা!

অনলাইন ডেস্ক
কারাগারে পার্থ বণিকদের প্রতিদিনের আয় ছিল ৪০ লাখ টাকা!

বাসা থেকে ঘুষের নগদ ৮০ লাখ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় আটক সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের ডিআইজি (প্রিজন) পার্থ গোপাল বণিকের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে। বুধবার দুদকের একজন সহকারী পরিচালককে ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়।

এছাড়াও পার্থ গত ১০ বছরে কারাগার থেকে অবৈধভাবে কি পরিমাণ টাকা আয় করেছেন সে বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এদিকে গোপাল বণিক গ্রেফতারের পর অনুসন্ধানে অনেক তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সাবেক জেলার সোহেল রানার পর ডিআইজি-প্রিজন্স পার্থ গোপাল বণিকের নেতৃত্বে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার। দর্শণার্থী বিশেষ সাক্ষাৎ, মাদক, ক্যান্টিন বাণিজ্যসহ নানাখাতে প্রতিদিন তাদের অবৈধ আয় ছিল অন্তত ৪০ লাখ লাখ টাকা। এরমধ্যে শুধু পার্থ বণিকের পকেটে যেত ১০ লাখ টাকার মতো। যার প্রমাণও পায় দুদক।

সিলেটে বদলি হওয়ার আগে প্রায় দুইবছর চট্টগ্রাম কারাগারের ডিআইজি ছিলেন ঢাকায় আটক পার্থ গোপাল বণিক। অভিযোগ, তিনি অবৈধ টাকা কামানোর ক্ষেত্র বানিয়েছিলেন এই কারাগারকে।

সম্প্রতি তিনদিন টানা তদন্ত চালিয়ে যার প্রমাণও পায় দুদক। তাতে সবকিছুতেই জড়িয়ে পার্থ বণিক। এর বাইরে কারাগারে মাদক বাণিজ্যের বড় নেটওয়ার্কও গড়ে তোলেন পার্থ বণিকসহ কারা কর্মকর্তাদের একটি চক্র।

এসব অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করতো দুটি পক্ষ। যার একটির নেতৃত্বে ছিলেন পার্থ বণিক, তার সাথে ছিলেন জেল সুপার প্রশান্ত বণিক। অন্যপক্ষের নেতৃত্ব দিতেন ইতোপূর্বে আটক জেলার সোহেল রানা। যাদের প্রতিদিন আয় ৪০ লাখ টাকার কাছাকাছি। এরমধ্যে পার্থ বণিকের পকেটে যেত অন্তত ১০ লাখ টাকা।

প্রসঙ্গত, গত রোববার দুদক এক অভিযান পরিচালনা করে ফ্ল্যাটের বিভিন্ন কক্ষে তোশক, বালিশের কভার এবং আলমিরায় লুকানো অবস্থায় ৮০ লাখ টাকা উদ্ধার করে। পার্থ গোপাল বণিককে নগদ টাকাসহ প্রথমে আটক ও পরে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানোর নিদের্শ দেয়া হয়।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে