আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১০:২৮

শুরুতেই টানা ৪ ওভার মেডেন, এরপর রাহীর আঘাত!

অনলাইন ডেস্ক
শুরুতেই টানা ৪ ওভার মেডেন, এরপর রাহীর আঘাত!

মিরপুর টেস্টে প্রথম সকালেই উইকেটের দেখা পেল বাংলাদেশ। আবু জায়েদ রাহী ফিরিয়ে দিলেন ওপেনার কেভিন কাসুজাকে। দলীয় ৭ রানে প্রথম উইকেট হারাল জিম্বাবুয়ে।

শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস হেরে বোলিংয়ে নেমে বাংলাদেশের দুই পেসার শুরুটা করেছিলেন দারুণ। ইবাদত হোসেন ও আবু জায়েদ রাহী মিলে প্রথম ৪ ওভার করলেন মেইডেন ওভার। পঞ্চম ওভারে গিয়ে জিম্বাবুয়ে রানের দেখা পায়। সেটিও ওয়াইড থেকে।

অষ্টম ওভারের শেষ বলে রাহী শিকার বানান কাসুজাকে। রাহীর ভেতরে ঢোকা বল কাসুজার ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে গালিতে যায়। যেটি তালুবন্দী করতে ভুল করেননি নাঈম হাসান। ২৪ বল খেলে মাত্র ২ রান করেছেন কাসুজা।

এর আগে টসে জিতে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এই ম্যাচে দুই পেসার ও দুই স্পিনার নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে বাংলাদেশ। পেসার দুজন হলেন আবু জায়েদ রাহি ও ইবাদত হোসেন। স্পিনার দুজন হলেন তাইজুল ইসলাম ও ইবাদত হোসেন। পাকিস্তান সফরে না যাওয়া মুশফিকুর রহিম এই একাদশে আছেন।

টেস্টে সর্বশেষ ছয় ম্যাচেই হারের স্বাদ নিয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে পাঁচটি ছিল ইনিংস ব্যবধানে হার। কোনোরকম প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ তিন টেস্টেই ইনিংস ব্যবধানে হারে টাইগাররা। টেস্ট ক্রিকেটে এমন পারফরম্যান্সে চিন্তায় পড়েছে বাংলাদেশ। তাই ঘুরে দাঁড়াতে চাইবে মুমিনুলের নেতৃত্বাধীন দল।

অপরদিকে সদ্যই দেশের মাটিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজে দারুণ প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করেছে জিম্বাবুয়ে। ১-০ ব্যবধানে সিরিজ হারলেও, জিম্বাবুয়ের লড়াকু মনোভাব ছিল চোখে পড়ার মতো।

এ ম্যাচের মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচের সেঞ্চুরি পূর্ণ করল বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। গত ২২ বছরে দুই দল তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ৯৯ আন্তর্জাতিক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। আজ মিরপুরে পূর্ণ হল সেঞ্চুরি। ৯৯ ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছে ৫৭ ম্যাচে, জিম্বাবুয়ের জয় ৩৯, ড্র হয়েছে তিন ম্যাচ। বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে দুই দলই কোনো দলের বিপক্ষে এত ম্যাচ খেলেনি। বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৯ ম্যাচ খেলেছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। জিম্বাবুয়ে ৮৭ ম্যাচ খেলেছে পাকিস্তানের বিপক্ষে।

বাংলাদেশ একাদশ:

তামিম ইকবাল, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম, আবু জায়েদ রাহী, এবাদত হোসেন।

জিম্বাবুয়ে একাদশ:

প্রিন্স মাসভাউরে, কেভিন কাসুজা, ক্রেইগ আরভিন (অধিনায়ক), ব্র্যান্ডন টেলর (উইকেটরক্ষক), টিমিসেন মারুমা, সিকান্দারা রাজা, রেগিস চাকাভা, টিনোটেন্ডা মোটোম্বোডজি, ডোনাল্ড তিরিপানো, এইন্সলে এনডিলোভু, ভিক্টর নায়াউচি।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে