আপডেট : ৪ আগস্ট, ২০২০ ২০:৫৭

নোয়াখালীর ইয়াসিন থেকে টিকটক করে যেভাবে হয়ে যান ‘অপু ভাই’

অনলাইন ডেস্ক
নোয়াখালীর ইয়াসিন থেকে টিকটক করে যেভাবে হয়ে যান ‘অপু ভাই’

এক ব্যক্তিকে মারধরের অপরাধে প্রেপ্তার হওয়া ইয়াসিন আরাফাত অপু ওরফে অপু ভাইকে নিয়ে নানা মহলে চলছে আলোচনা।

নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে বাড়ি। সেখান থেকে লাইকি অ্যাপের মাধ্যমে একটি প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে কিশোর ইয়াসিন আরাফাত। রঙিন চুলে ছোট ছোট ভিডিও তৈরী করে পরিচিতি লাভ করেন ‘অপু ভাই’। ব্যতিক্রম হাসি, রঙ-বেরঙের হেয়ারস্টাইল আর অদ্ভুত সব ডায়লগের জন্য টিকটক ও লাইকিতে আলোচনার তুঙ্গে ছিলো ‘অপু ভাই’। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার লাখ লাখ অনুসারী। টিকটক আর লাইকির মাধ্যমে ভক্ত তালিকার কেউ কেউ হয়ে যান অপুর বান্ধবী। এরপর বান্ধবীদের সঙ্গে চলে অপুর ডেট। তাদের নিয়ে নতুন নতুন কনটেন্টও বানায় অপু।

লাইকি অ্যাপে তাকে অনুসরণ করে প্রায় ১০ লাখ। ইনস্টাগ্রামেও তার অনুসারী ছিলো। তবে প্রিন্স মামুন নামের আরেক ‘লাইকি তারকা’র অনুসারীরা সেই ইনস্টাগ্রাম আইডি রিপোর্ট করে। এদিকে, প্রিন্স মামুনকে কিছুদিন আগেই দিয়াবাড়িতে মারধর করে কিছু তরুণ। এ ঘটনার সূত্র ধরে অপু ভাইয়ের অনুসারীরা তাকে মারধর করেছে বলে গুলিস্তানের একটি মার্কেটে অপু ভাইর দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়। জানা যায়, নোয়াখালীর বার্বার শপে কাজ করা অপু ‘অপু ভাই’ নামে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেন লাইকি ও টিকটকে। অপু নিজেকে কখনো কুমিল্লা আবার কখনো নোয়াখালীর পোলা বলে পরিচয় দিলেও ঢাকার আশকোনায় থাকতো সে।

রবিবার (২ আগস্ট) উত্তরায় রাস্তা আটকে টিকটক করছিলেন অপু ও তার বাহিনী। এসময় পথচারীদের মধ্যে একজন তাদের সরে যেতে বললে অপুর সঙ্গে থাকা যুবকরা ওই ব্যক্তির গায়ে হাত তুলে। এক ব্যক্তিকে মারধর করেন অপু। ভুক্তভোগী করেন মামলা। পরে, সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় আলাউল এভিনিউ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় পুলিশের সামনে তার চুল ধরে টানাটানিসহ মারপিট করেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অপুকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে পাঠানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনদিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। তবে আদালত রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন তাকে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/রাসেল

উপরে