আপডেট : ১২ জুন, ২০১৬ ১২:৪৯

আড়াই মাস পর তনুর দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন জমা

অনলাইন ডেস্ক
আড়াই মাস পর তনুর দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন জমা

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর লাশের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অবশেষে আজ রোববার (১২ জুন) সিআইডির কাছে জমা দিয়েছে মেডিকেল বোর্ড।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের অফিস সহকারী ফারুক হোসেন আজ বেলা পৌনে ১১টার দিকে সিআইডির কার্যালয়ে গিয়ে ওই প্রতিবেদন জমা দেন।
মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন গ্রহণ করেন সিআইডির কুমিল্লার সহকারী উপপরিদর্শক মোশারফ হোসেন। তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেয়েছি। সঙ্গে সুরতহাল ও চালানের কপিও জমা দেওয়া হয়েছে।’
সূত্র জানায়, প্রতিবেদন জমার সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক গাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম কার্যালয়ে ছিলেন না। তিনি দাপ্তরিক কাজে বাইরে আছেন।

জানতে চাইলে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কামদা প্রসাদ সাহা বলেন, তিনি এ নিয়ে কোনো কথা বলবেন না। প্রতিবেদনে কী আছে, তা সিআইডির কার্যালয়ে গিয়ে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

প্রায় আড়াই মাস আগে গত ৩০ মার্চ কবর থেকে তনুর মরদেহ তুলে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত হয়। আদালতের নির্দেশে গঠিত তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড এই ময়নাতদন্ত করে।

ওই সময় তনুর শরীরের বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে ডিএনএ পরীক্ষা করায় সিআইডি। ডিএনএ পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।

ওই ডিএনএ প্রতিবেদন দেওয়া হচ্ছে না—এমন অজুহাতে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দিতে এত দিন কালক্ষেপণ করে মেডিকেল বোর্ড।

পরে আদালতের নির্দেশে গত মঙ্গলবার মেডিকেল বোর্ডকে ডিএনএ প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। এরপর আজ দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন জমা দিল মেডিকেল বোর্ড।

তনু খুন হন গত ২০ মার্চ। ওই দিন রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতর একটি ঝোপ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।পরদিন লাশের প্রথম ময়নাতদন্ত হয়। তাতে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে পারেনি ও ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়। ওই প্রতিবেদনে তথ্য গোপন করার অভিযোগ ওঠে। তনুর মা-বাবাও ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে