আপডেট : ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১০:০৭

বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুতগতির ৫টি স্পোর্টস বাইক ও সেগুলোর দরদাম

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুতগতির ৫টি স্পোর্টস বাইক ও সেগুলোর দরদাম

রেসট্র্যাকে ঝড় তোলার জন্য আপনি বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির কিছু স্পোর্টস বাইক কেনার ইচ্ছে পোষণ করতেই পারেন। যদিও বাংলাদেশে ১৬৫সিসি ক্ষমতার ঊর্ধ্বে অর্থাৎ লিটার-ক্লাস (১০০০সিসি ও তার চেয়ে বেশি) সক্ষমতার বাইক ব্যবহারের অনুমতি নেই। সেক্ষেত্রে ‘স্পোর্টস বাইক’ টার্মটি এখানে সাধারণ বাইকের ইঞ্জিনকেই যতোটা সম্ভব গরম করে চালানোর সঙ্গে মিলে যায়। প্রকৃত স্পোর্টস বাইকের কর্মক্ষমতার সঙ্গে একই পাল্লায় তুলনীয় না হলেও, জ্যামের নগরী ঢাকার রাস্তায় গড়ে অন্তত ২০ কিলোমিটার গতিতে চালাতে গেলেও নীচের বাইকগুলো আপনার জন্য আদর্শ বলে বিবেচিত হতে পারে। বাইকপ্রেমীদের জন্য এখানে ঠিক সেরকম পাঁচটি বাইকের তালিকা তুলে ধরা হলো।

লিফান কেপিআর ১৬৫

তিনদশক ধরে চীনের বাজারে লিফান বেশ নামডাক করলেও, বাংলাদেশের বাজারে এই নামটি এখনও নতুন। দামের তুলনায় লিফানের কেপিআর ১৬৫ বাইকটি পছন্দের শীর্ষে থাকারই কথা। ১৫০ কেজি ওজনের বাইকটি লম্বায় ২০৫০ মি.মি., উচ্চতায় ৭৮০ মি.মি. এবং চওড়ায় ১১৫০ মি.মি.। এর হুইলবেজের পরিমাপ ১৩৩০ মি.মি. এবং গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৮০ মি.মি.। বাইকটির বড় আকারের ফুয়েল ট্যাংকারে প্রায় ১৬.৬ লিটার তেল ধরবে। এর ইঞ্জিনে রয়েছে ৪ স্ট্রোক, সিঙ্গেল সিলিন্ডার ১৬৫ সিসির ইঞ্জিন। নতুন প্রযুক্তির এই ইঞ্জিনের টপ স্পীড পাওয়া যাবে ১৫০ কি.মি./ঘণ্টা। বাইকটি তিনটি ভিন্ন রঙে (লাল, কালো এবং সবুজ) পাওয়া যাবে।

দাম: ২ লাখ ১০ হাজার টাকা।

 

taro
টারো জিপি১। ছবি: সংগৃহীত

 

টারো জিপি১

চমৎকার ডিজাইন এবং আকর্ষণীয় লুক এই বাইকটিকে বানিয়েছে সেরা। ট্যারো জিপি ওয়ান একটি ১৫০সিসি স্পোর্টস মোটরসাইকেল। ইঞ্জিনটিতে ৪ স্ট্রোক, সিঙ্গেল সিলিন্ডার, ক্যামশ্যাফট ওভারহেডের সঙ্গে ওয়াটার কুলড ইঞ্জিন রয়েছে। ইঞ্জিনটির ফুয়েল স্যাপ্লাই সিস্টেম এফ আই (ফুয়েল ইনজেকশন) এবং বাইকটি শুধুমাত্র ইলেকট্রিকভাবে স্টার্ট দেওয়া যায়। এই বাইকের ফুয়েল ধারণক্ষমতা ১৩.৫ লিটার। বাইকটির ওজন ১৫০ কেজি। এর সর্বোচ্চ গতি ১৪০ কি.মি./ঘণ্টা।

দাম: ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

 

yamaha
ইয়ামাহা আর১৫ ভার্সন-৩। ছবি: সংগৃহীত

 

ইয়ামাহা আর১৫ ভার্সন-৩

ইয়ামাহা আর১৫-এর প্রথম সংস্করণটিই সারাবিশ্বের বাইকারদের মধ্যেই ছিল তুমুল জনপ্রিয়। এতোদিন বাইকটির ভার্সন-১ ও ২ বাজারে মিললেও এখন ভার্সন-৩ পাওয়া যাচ্ছে। এতে থাকছে ১৫৫ সিসির ১৯.০৪ বিএইচপি ক্ষমতা সম্পন্ন ওয়াটার কুলড ইঞ্জিন। চেসিস আগের মতই ডেলটা বক্স (টুইন স্পার) ফ্রেমে তৈরি হলেও ডিজাইন করা হয়েছে আর ১২৫ ও আর ৬ এর মিশ্রণে। বাইকটির ১৫৫ সিসির সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিন ১৪.৭ নিউটন মিটার টর্ক উৎপন্ন করতে সক্ষম হবে যেটা কিনা ৬-স্পিড গিয়ার বক্সের সাথে মিলিত হয়ে চালককে দেবে গতি এবং স্বস্তি দুটোই। বাইকটির ওজন ১৩৭ কেজি।

দাম: ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

 

suzuki
সুজুকি জিক্সার এসএফ ডিডি। ছবি: সংগৃহীত

 

সুজুকি জিক্সার এসএফ ডিডি

অসাধারণ লুকিংয়ের বাইকটির গঠনশৈলী চমৎকার। বাইকটিতে রয়েছে একটি ২ ভালভ বিশিষ্ট ১৫৫ সিসি ইঞ্জিন যা সর্বোচ্চ ১৪.৬ বিএইচপি শক্তি ও ১৪ এনএফ টর্ক উৎপন্ন করতে পারে। জিক্সারে রয়েছে সুজুকির নিজস্ব কুলিং সিস্টেম। ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে এই সিস্টেমটি পিস্টনের গায়ে তেল স্প্রে করে। এর ৫টি গিয়ার অল্প সময়ে ভালো স্পিড উঠাতে পারে। এর ওজন ১৩৯ কেজি। সর্বোচ্চ স্পিড ঘণ্টায় ১২০ কি.মি.।

দাম: ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৫০ টাকা।

 

honda
হোন্ডা সিবিআর ১৫০আর। ছবি: সংগৃহীত

 

হোন্ডা সিবিআর ১৫০আর

হোন্ডা সিবিআর ১৫০আর হলো হোন্ডার তৈরি করা সর্বশেষ ও সর্বাধুনিক মোটরসাইকেল। বাইকটিতে রয়েছে একটি ১৪৯.৪ সিসি, লিকুইড কুলড, ডিওএইচসি, ৪ ভালভ বিশিষ্ট ইঞ্জিন, যেটির রয়েছে শক্তি উৎপন্ন করার অত্যন্ত ভিন্ন ধরনের ক্ষমতা। এতে রয়েছে হোন্ডার তৈরি ‘প্রোগ্রামড ফুয়েল ইনজেকশন’ প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে হোন্ডা সিবিআর ১৫০আর এ জ্বালানীর সাশ্রয় নিশ্চিত হয়। এটি ১০,৫০০ আরপিএম এ সর্বোচ্চ ১৭.৬ বিএইচপি শক্তি উৎপন্ন হয়। হোন্ডা সিবিআর ১৫০আর এ ১২ সেকেন্ডেরও কম সময়ে ০-১০০ কিলোমিটার গতি তোলা যায় । ৬-স্পিড গিয়ারবক্সই অত্যন্ত মসৃণ ফলে এগুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে কাজ করে । জ্বালানী ট্যাঙ্ক সম্পূর্ণ ভর্তি অবস্থায় এর মাইলেজ প্রায় ৫০০ কি.মি.-এর কাছাকাছি ।

দাম: ৪ লাখ ৫০ হাজার

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে