আপডেট : ১৯ মার্চ, ২০১৬ ২০:৩৫

ডি. এইচ লরেন্স’র উক্তি

বিডিটাইমস ডেস্ক
ডি. এইচ লরেন্স’র উক্তি

ডি. এইচ লরেন্স ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রসিদ্ধ ইংরেজ লেখক। যিনি একাধারে কবি, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক। তাঁর রচনায় আধুনিকায়ন ও শিল্পায়ন প্রসূত মানবিক অবক্ষয়ের দিকটি বিশদভাবে প্রতিফলিত করে। মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য ও তার গুরুত্ব, স্বাভাবিকতা, ও মানব জীবনে যৌনপ্রবণতার ভূমিকা প্রভৃতি বিষয় ছিল তার রচনার প্রধান উপজীব্য। তাঁর অন্যতম বহুল পঠিত উপন্যাস হলো লেডি চ্যাটার্লীয লাভার যা তৎকালে অশ্লীলতার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছিল।

লরেন্সের মতামত তাঁর বহু শত্রুর জন্ম দেয়। তাঁকে পড়তে হয়েছিল সরকারি হয়রানি ও সেন্সরশিপের মুখে। জীবনের দ্বিতীয়ার্ধে তাঁর রচনার ভুল ব্যাখ্যাও হতে থাকে। এই সময় তিনি চলে যান স্বেচ্ছা-নির্বাসনে; যা ছিল তাঁর নিজের ভাষায় ‘বর্বর তীর্থযাত্রা’। বিভিন্ন লেখায় ব্যাবহৃত কিছু উক্তি জেনে নেওয়া যাক-

১. ভাল জন্তু হও, তোমার প্রবৃত্তির কাছে সত্যবদ্ধ থাকো। -দ্য হোয়াইট পিকক

২. আমার মনে হয় নিজেকে বিনামূল্যে মজা লোটার জন্য জার্মান বুলেটের সামনে নিজেকে পেতে দেওয়ার পক্ষে আমি অতি মূল্যবান এক জীব। -হ্যারিয়েট মোনরোকে লেখা চিঠি, ১ অক্টোবর, ১৯১৪

৩. পৃথিবী জনশূন্য, শুধু অবিচ্ছিন্ন তৃণক্ষেত্র চারিদিকে, আর সেই ঘাসের উপর বসে আছে একটা খরগোশ; তোমার মনে হয় না এটা একটা সুন্দর স্বচ্ছ চিন্তা। -উইমেন ইন লাভ

৪. শিল্পীকে বিশ্বাস কোরো না, কাহিনিকে বিশ্বাস করো। -স্টাডিজ ইন ক্ল্যাসিক আমেরিকান লিটারেচার

৫. আমাদের যুগ মূলগতভাবে এক বিয়োগান্তক যুগ, তাই বিয়োগান্তক পন্থায় একে গ্রহণ করতে আমরা অস্বীকার করছি। -সূচনাবাক্য, লেডি চ্যাটার্লিজ লাভার

৬. তার বাবা স্বাভাবিক মানুষ নন, তিনি যেন ঘরভরা পুরনো প্রবচন। -উইমেন ইন লাভ

৭. ওরা বলে সমুদ্র ঠান্ডা, কিন্তু সমুদ্রের শিরাতেই বইছে সবচেয়ে গরম রক্ত। -হোয়েলস উইপ নট

৮. আমি যদি চাঁদ হতুম, তবে কোথায় ঢলে পড়তে হয় তার খবর রাখতুম। -দ্য রেইনবো

৯. আমি এমন কোনো বন্য জীবের কথা জানি না, যে নিজের জন্য দুঃখ অনুভব করে। নিজের জন্য একটুও দুঃখ অনুভব না করে একটা ছোট্ট পাখি পর্যন্ত ঠান্ডায় জমে, মরে নিচে পড়ে যায়। -সেলফ-পিটি

১০. যদি ক্ষমতা থাকত আমি স্ফটিক প্রাসাদের মতো বড় একটা মৃত্যুশালা নির্মাণ করতাম; যেখানে একটি সামরিক ব্যান্ড হালকা সঙ্গীত বাজাতো, আর উজ্জ্বলভাবে কাজ করত একটা সিনেম্যাটোগ্রাফ; তারপর সদর রাস্তা ও পিছনের রাস্তা ঘুরে যত অসুস্থ, যত স্থবির আর যত আহত সবাইকে নিয়ে এসে সেখানে জড়ো করতাম।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/মাঝি

উপরে