আপডেট : ৩০ অক্টোবর, ২০১৭ ১৯:২৫

সড়ক পথেই ঘুরে আসতে পারেন সবুজের স্বর্গ ভুটান

অনলাইন ডেস্ক
সড়ক পথেই ঘুরে আসতে পারেন সবুজের স্বর্গ ভুটান

পাহাড় আর সবুজের অপরূপ ভুটান থেকে ঘুরে আসতে পারেন সড়কপথেই। এজন্য সবার আগে আপনাকে নিতে হবে ট্রানজিট ভিসা। সাধারণত ১৫ দিনের ট্রানজিট ভিসা পাওয়া যায় একবারে। এই সময়ের মধ্যেই ভারতের সড়ক ব্যবহার করে যাওয়া ও আসা যাবে।

ট্রানজিট ভিসা নিয়ে সোজা চলে যান বুড়িমারি বর্ডারে। বাংলাদেশের ইমিগ্রেশনের কাজ সেরে চ্যাংড়াবান্ধা যেতে হবে। সেখানেও রয়েছে বেশকিছু ফর্মালিটি। চ্যাংড়াবান্ধা থেকে আপনাকে যেতে হবে জয়গাঁও বর্ডার। ট্যাক্সিতে চলে যেতে পারেন। সময় লাগবে দেড় ঘণ্টার মতো। ট্যাক্সিতে ৪০০ রুপি মতো খরচ পড়বে জনপ্রতি। রিসার্ভ যেতে চাইলে সেটা হয়ে যাবে দেড় থেকে দুই হাজার রুপির মতো।

চাইলে বাসেও যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে খরচ কমে আসবে অনেকটাই। জয়গাঁও ইমিগ্রেশনের কাজ সেরে আপনাকে হেঁটেই ঢুকতে হবে ভুটান। জয়গাঁও এর ওপারেই ফুন্টসোলিং। এখানেই আপনাকে অন অ্যারাইভাল ভিসা দেবে ভুটান। ব্যস! এবার নিশ্চিন্তে ভুটান ঘোরার পালা।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বাংলাদেশ থেকে রাতে রওনা দিয়ে পরদিন দুপুরেই পৌঁছে যাবেন ভুটানে। চাইলে সেদিন ফুন্টসোলিং থেকে যেতে পারেন। মোটামুটি কম খরচেই মিলবে ভালো হোটেল। জনপ্রতি ১ থেকে দেড় হাজার টাকায় থাকা এবং খাওয়ার ভালো ব্যবস্থা রয়েছে ফুন্টসোলিংয়ে।

হাতে সময় বেশি না থাকলে সেদিন ফুন্টসোলিং না থেকে চলে যান পারো অথবা থিম্পুতে। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা দিয়ে পারো কিংবা থিম্পু যেতে আপনার সময় লাগবে সাত থেকে আট ঘণ্টা। তবে হাতে সময় থাকলে একদিন থেকে ছোট্ট শহর ফুন্টসোলিং ঘুরে দেখতে ভুলবেন না। সুন্দর সাজানো গোছানো শহরের পাশ দিয়ে রয়েছে চলেছে নদী।

কম খরচে পারো অথবা থিম্পু যেতে চাইলে বাসই ভরসা। সেক্ষেত্রে আগের দিন টিকিট করে রাখুন। ট্যাক্সি নিয়েও চলে যেতে পারেন। পারোতে থাকার খুব ভালো ব্যবস্থা রয়েছে। পারোতে গেলে টাইগার্স নেস্ট ও পারো জং দেখতে ভুলবেন না। পারো এয়ারপোর্টও মুগ্ধ করবে আপনাকে। পারো খুবই শান্ত ও আরামদায়ক একটি শহর।

পারো থেকে থিম্পু যেতে দুই ঘণ্টার মতো সময় লাগবে। থিম্পু ভুটানের রাজধানী। পারোর তুলনায় তাই এখানে ব্যস্ততা একটু বেশি। বুদ্ধ পয়েন্ট, রাজার বাড়িসহ বেশকিছু দৃষ্টিনন্দন জায়গা রয়েছে এখানে। থিম্পু ঘুরে দেখতে একদিনই যথেষ্ট।

ডিসেম্বরের দিকে ভুটান ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে চেলালা পাস ও দোচালা পাস ঘুরে আসতে ভুলবেন না। ভাগ্য সহায় থাকলে এখানে পেয়ে যাবেন বরফ। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত বরফ পড়ে এখানে।

দলে ভারি হলে ফুন্টসোলিং থেকে একবারে মাইক্রোবাস অথবা গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে পুরো ভুটান ঘুরে ফিরতে পারবেন। থিম্পু, পারো ঘুরে আবার ফুন্টসোলিং পৌঁছতে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা গুনতে হতে পারে আপনাকে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে