আপডেট : ১৩ মার্চ, ২০১৬ ১৩:৫৫

টোয়েন্টি টোয়েন্টিতে ঋতিকা সেন

বিনোদন ডেস্ক
টোয়েন্টি টোয়েন্টিতে ঋতিকা সেন

১০০% লাভ ছবির মধ্্য দিয়ে সিনেমা জগতে যাত্রা শুরু হয় ঋতিকা সেনের।তারপর বরবাদ,আরশি নগর ছবিগুলোর মাধ্্যমে অনেক পরিচিতি লাভ করে।শিল্পী হলে তাঁর ক্যানভাসে ভেসে উঠত মোনালিসার মেল ভার্সনের ছবি। ফুচকা দেখলেই তাঁর জিভে আসে জল! আর অঙ্ক পরীক্ষার দিনগুলোই তাঁর জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন। রবিবারের টোয়েন্টি টোয়েন্টিতে ঋতিকা সেন।

ন্মদিন: ৫ ডিসেম্বর। সালটা আর বললাম না (হাসি)!

জন্মস্থান: কলকাতা।

স্কুল/কলেজ: এই উত্তরটা দেব না। 

প্রিয়তম মানুষ: মা।

সারা রাত গল্প করার মতো বন্ধু: মা এবং ভাই।
 
আবার জন্মালে: প্রতি জন্মে আমার মায়ের মেয়ে হয়েই জন্মাতে চাই!

প্রথম দর্শনে প্রেম: প্রতি বছর পুজোর মণ্ডপে তো হয়েই থাকে! (একটু ভেবে) কিন্তু প্রথম দর্শনে প্রেম বিষয়টা খুব একটা প্রমিনেন্ট না-ও হতে পারে! ওটাকে ক্রাশই বলা ভাল।

ভূত দেখলে কী করবেন: উফ্‌, অ্যাডভেঞ্চার হবে (হাসি)! সেই ভূতটা যদি আমার সঙ্গে গল্প করে, তাহলে চুটিয়ে আড্ডা দেব। তবে যদি ভয় দেখায়, তাহলে অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারি!

পছন্দের জাঙ্ক ফুড: ফুচকা। এছাড়াও চকোলেট আমার খুব প্রিয়। আর পুজোর প্যান্ডেলে যে খিচুড়ি দেওয়া হয়, সেটাও দারুণ লাগে।

কোন শব্দটা দিনে বেশিবার ব্যবহার করেন: (একটু ভেবে) এটা আমি ঠিক বলতে পারব না! তবে কারও কাছে নতুন কোনও বাংলা শব্দ শুনলে, সেটা মনে রাখার চেষ্টা করি। কথায় কথায় সেটা ব্যবহার করারও চেষ্টা করি। উচ্চারণ ভুলের কারণে বকুনিও খাই!

কার ক্লোন বানিয়ে বাড়িতে রাখতে চান: নিজের। এখনও পর্যন্ত যে লুক’এ আমাকে সবচেয়ে ভাল লেগেছে, সেই লুক’এর ক্লোন বানাব।

শ্রেষ্ঠ পাওয়া উপহার: মা এবং দর্শকের ভালবাসা! মা না-থাকলে জানি না আমি এখন কোথায় থাকতাম। কেরিয়ারে যেটুকু হতে পেরেছি, সেটা মায়ের জন্যেই। আর সাধারণ মানুষ। ওঁরা আমাকে যে ভালবাসা এবং আশীর্বাদ দিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।

সবচেয়ে আনন্দের দিন: ভাইয়ের জন্ম। ১ অক্টোবর, ২০০৭।
 
সবচেয়ে দুঃখের দিন: দুঃখের দিনগুলো মনে রাখি না! তবে অঙ্ক পরীক্ষার দিনগুলো আমার কাছে দুর্বিষহ ছিল! অঙ্কে যতটা কাঁচা ছিলাম, তার চেয়েও বেশি টেনশন করতাম। সব মিলিয়ে পরীক্ষার খাতায় গুবলেট হয়ে যেত।

প্রথম ব্রেক: বাংলা ছবি ‘মাসুম’। লিড কাস্টে আমার প্রথম কাজ। আর রাজদা’র (চক্রবর্তী) ‘বরবাদ’ আমার কেরিয়ারে সবচেয়ে বড় ব্রেক।

অবসেশন: কাজ। এছাড়াও সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, গল্পের বই পড়তে খুব ভালবাসি। গান না শুনলে রাতে ঘুমই আসে না!

যদি একদিনের রানি হন: ছোটবেলায় স্বপ্ন দেখতাম, রানি হলে দেশের প্রতিটা রাস্তায় পাঁচ পা অন্তর একটা করে ডাস্টবিন বসিয়ে দেব। যাতে কেউ রাস্তা নোংরা করতে না পারে (হাসি)। যাই হোক, এখন যদি আমি রানি হই, এমন কিছু করব যাতে বিশ্বের দরবারে আমার দেশের মাথা উঁচু হয়।

রাগ হলে: খুব মুডি আমি। যাদের ভালবাসি, তাদের উপরই রাগ করি। যার উপর রেগে যাই, তার সব জিনিস ভেঙে দিই। খুব অত্যাচার করি।

ছবি আঁকতে দিলে কার ছবি আঁকবেন: আমি শিল্পী হলে মোনালিসার মেল ভার্সনটা আঁকার চেষ্টা করতাম।

বিপদে পড়লে কাকে প্রথম ফোন করবেন: মা’কে।

উপরে