আপডেট : ২১ জুন, ২০১৮ ০৮:৫৫

এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারে আসতে পারে বাধা

অনলাইন ডেস্ক
এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারে আসতে পারে বাধা

বিশ্বে তাপমাত্রা প্রতিনিয়তই অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা ও আমেরিকার দেশগুলোতেও। বাংলাদেশের মতো মৌসুমি জলবায়ুর দেশগুলোতে বছরে প্রায় ১০ মাসই উষ্ণতা থাকছে। নভেম্বরের শেষ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক মাস থাকে শীতকাল।

গরমে একটু স্বস্তি পেতে মানুষের কতই না চেষ্টা থাকে। আজকাল উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোতে এয়ার কন্ডিশনের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষণীয়। অর্থাৎ ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকলে বেশিরভাগ মানুষই এয়ার কন্ডিশনার বা অন্যান্য শীতল হাওয়ার যন্ত্রগুলোর দিকে বেশি ঝুঁকছেন।

গবেষকদের মতে, গত ১৭ বছরে পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়েছে কয়েক গুণ। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ২০৫০ সাল নাগাদ এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে কমপক্ষে আরো তিনগুণ। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের ব্যবহার, এমনকি শীতল হাওয়ার যন্ত্রের ব্যবহার । গরমকে টেক্কা দিতে চলছে আরোওআধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রের উদ্ভাবন।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ সকল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের ব্যাপক ব্যবহারই বিশ্বে তাপমাত্রা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ। এয়ার কন্ডিশনার তৈরিতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর এইচএফসি নামক ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার কমাতে পারলে বিশ্বে তাপমাত্রা কিছুটা কমানো সম্ভব।

এর ব্যবহার কমাতে ২০১৬ সালে প্রায় দু’শোটি দেশের মধ্যে এক বৈশ্বিক চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়, ঠান্ডা করার রাসায়নিক পদার্থ এইচএফসির ব্যবহারের পরিমাণ কমলে কমতে পারে বৈশ্বিক তাপমাত্রা। তবে অপেক্ষাকৃত কম উন্নত দেশগুলোর জন্য এখনই এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারে থাকছে না কোনো নিষেধাজ্ঞা।

উপরে