আপডেট : ১৯ মার্চ, ২০১৬ ১১:০৬

ভারতে বাজার সঙ্কটের মুখে 'মাইক্রোম্যাক্স'

অনলাইন ডেস্ক
ভারতে বাজার সঙ্কটের মুখে 'মাইক্রোম্যাক্স'

স্মার্টফোনের সবচেয়ে দ্রুতবর্ধনশীল বাজারের অন্যতম নাম ভারত। আর দেশটিতে স্মার্টফোনের বাজারে নির্ভরযোগ্য একটি নাম মাইক্রোম্যাক্স। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাংয় ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের আধিপত্য বাড়তে শুরু করলে ক্রমান্বয়ে প্রতিষ্ঠানটি বাজার সঙ্কটে পড়ে।

গত বছর ভারতে হ্যান্ডসেট আমদানি ২৯ শতাংশ বেড়ে পৌছায় ১০ কোটি ৩০ লাখ ইউনিটে। স্মার্টফোনের চাহিদার দ্রুতবর্ধনশীলতার কারণেই অনেক প্রতিষ্ঠান এখানে উৎপাদনে আগ্রহী হয়ে ওঠে। আর আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রথমেই আছে মাইক্রোম্যাক্স। আর এই প্রতিষ্ঠানটি এখন বাজার সঙ্কটে। সম্প্রতি তাদের মার্কেট শেয়ার নেমে প্রায় অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে। আইডিসি এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালের শেষ প্রান্তিকে এসে প্রতিষ্ঠানটির ১৫.৪ শতাংশ বৃদ্ধির বিপরীতে ১২.১ শতাংশ চালান কমে গিয়েছে। আর ২০১৪ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে এসে স্মার্টফোন বাজারে সর্বচ্চ ২২ শতাংশ থেকে নেমে এর শেয়ার দাঁড়ায় ১৩ শতাংশে। 

সম্প্রতি রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে মাইক্রোম্যক্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিকাশ জেইন জানিয়েছেন, গত মে মাসে মাইক্রোম্যাক্সের ২০ শতাংশ স্টক ১২০ কোটি ডলারে অধিগ্রহণের কথা ছিল শীর্ষ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলিবাবার। কিন্তু পরিকল্পনায় স্বচ্ছতা না থাকায় অধিগ্রহণ থেকে পরবর্তীতে সরে আসে প্রতিষ্ঠানটি। বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা না পাওয়ার কারণে  নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত পাঁচ সিনিয়র এক্সিকিউটিভ পদত্যাগ করেন। গত সপ্তাহে পদত্যাগ করেছেন প্রধান নির্বাহী বিনীত তানেজা। ২০১৪ সালে প্রধান নির্বাহীর পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল তাকে।

মাইক্রোম্যক্স এই সমস্যা উত্তরণের জন্য এবং আবারও ব্যবসা প্রসারের জন্য দেশের বাহিরে অংশীদার খুঁজছে।  লন্ডনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্ট্র্যাটেজি অ্যানালাইটিকসের নির্বাহী পরিচালক নেইল মসটনের তথ্য অনুযায়ী, মাইক্রোম্যাক্সের এখন প্রয়োজন বহুমুখিতা। স্মার্টফোনের সঙ্গে অন্য পণ্য উত্পাদনে যাওয়া উচিত প্রতিষ্ঠানটির। এটিই উত্তরণের পথ।

২০০০ সালে চারজনের অংশীদারিত্বে মাইক্রোম্যাক্সের যাত্রা শুরু হলেও প্রতিষ্ঠানটি ফোন বিক্রির জন্য প্রথম বাজারে আসে ২০০৮ সালে। এর পর গত বছর ৪০টিরও বেশি নতুন মডেলের স্মার্টফোন উন্মোচন করে মাইক্রোম্যাক্স। 

 

 

 

উপরে