আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ০৪:০০

‘সুপার চ্যানেল’ ইন্টারনেটের সুপারসনিক ওয়ে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
‘সুপার চ্যানেল’ ইন্টারনেটের সুপারসনিক ওয়ে!

ইন্টারনেট থেকে কোনো ফাইল নামানোর সর্বোচ্চ গতি কত? যুক্তরাজ্যে গড়পড়তা প্রতি সেকেন্ডে ২৪ মেগাবাইট গতিতে ফাইল নামানো হয়। অন্যান্য দেশে এই গতি আরও কম। তবে কচ্ছপ গতির ইন্টারনেটের যুগের শেষ হতে চলেছে। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের একদল বিজ্ঞানী এমন একধরনের ইন্টারনেট ​কেবল তৈরি করেছেন, যা দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ১ দশমিক ১২৫ টেরাবাইট গতিতে ডেটা স্থানান্তর সম্ভব!

এই বিজ্ঞানী দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন ড. রবার্ট মাহের। তিনি বলেন, ‘এই গতি যুক্তরাজ্যের গড়পড়তা গতির ব্রডব্যান্ডের চেয়ে প্রায় ৫০ হাজার গুণ বেশি দ্রুততর। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আমরা যে গতি পেয়েছি, তা দিয়ে গোটা গেম অব থ্রোনস সিরিজটি নামাতে সময় লাগবে মাত্র এক সেকেন্ড।’ প্রচলিত গতির ব্রডব্যান্ড দিয়ে এটি নামাতে গেলে ঘণ্টা খানেক লেগে যাবে।
এই প্রযুক্তির নাম দেওয়া হয়েছে ‘সুপার চ্যানেল’। গবেষকেরা বলছেন, এই প্রযুক্তি ব্রডব্যান্ড যোগাযোগের পরবর্তী প্রজন্মের শুরু করবে।

সম্প্রতি সায়েন্টিফিক রিপোর্ট জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ফাইবার অপটিক ব্রডব্যান্ডের ধারণা ব্যবহার করেই নতুন এই বিপ্লব ঘটানো সম্ভব হয়েছে, যা হাজার হাজার মাইল দূরে আলোক তরঙ্গের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করবে। 

আলোর বিভিন্ন কম্পাঙ্কের ১৫টি স্পন্দন একত্র করে সুপার চ্যানেল তৈরি করে তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এরপর হাজার মাইল দূরে অবস্থিত বিশেষ একধরনের গ্রাহকযন্ত্র ব্যবহার করে সেই সংকেত ধরা এবং প্রক্রিয়াজাত করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়টির অধ্যাপক পলিনা ব্যাভেল বলেন, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এমন প্রযুক্তি সব ধরনের ডিজিটাল অর্থনীতি এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রযুক্তিটি এখনো ব্যবসায়িকভাবে বাজারে ছাড়া হয়নি।

এই প্রযুক্তিতে সত্যিই হাজার মাইল দূরে এমন গতিতে তথ্য পরিবহনে সক্ষম কিনা গবেষকেরা সেটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছেন। 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে