আপডেট : ১০ জানুয়ারী, ২০১৯ ১৮:০১

‘নমিনেশন অকশনে দিলে কী আর নির্বাচনে জেতা যায়?’

অনলাইন ডেস্ক
‘নমিনেশন অকশনে দিলে কী আর নির্বাচনে জেতা যায়?’

‘বিএনপি নির্বাচনে জিতবে কীভাবে? এভাবে মনোনয়ন বাণিজ্য করলে কী জেতা যায়? নমিনেশন অকশনে দিলে কী আর নির্বাচনে জেতা যায়? সকালে একজন টাকা দিল, দুপুরে আরেকজন তার চেয়ে বেশি টাকা দিল। সকালের জন বাদ। বিকেলে আবার তার চেয়ে বেশি টাকা দিল। দুপুরের জন বাদ। এভাবেই চলেছে বিএনপির মনোনয়ন বাণিজ্য।’ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এমন কথা বলেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘মনোনয়ন প্রত্যাশি যারা ছিলেন। যাদের দ্বারা বিএনপির জয়ের আশা ছিল। তাদের কাউকেই বিএনপি মনোনয়ন দেয়নি। যাদের কাছ থেকে টাকা বেশি পেয়েছে। তাদেরকেই মনোনয়ন দিয়েছে। আমরা তো কয়েকটি আসন ধরেই নিয়েছিলাম যে এসব আসন থেকে বিএনপি জয়লাভ করবে, কিন্তু তারা মনোনয়ন দেয়নি আমরা যাকে ভেবেছি। ফলে যা হওয়ার তা হয়েছে। মনোনয়ন নাকি আবার অ্যাম্বাসিতে পাওয়া যায়। বিএনপির একজন নেতা অ্যাম্বাসিতে গিয়ে মনোনয়ন খুঁজে। মনোনয়ন না পেয়ে সেখানে গিয়ে হট্টগোল করে। তিনি নাকি টাকা লন্ডনে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।’ 

বিএনপি প্রার্থীদের বিজয়ের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন,‘গাজীপুরের জিয়াউর রহমানের আমরা নিশ্চিত ভেবেছিলাম উনি পাস করবেন। কিন্তু বিএনপি তো তাকে মনোনয়নই দিলো না। সিলেটের এক আসনে এনাম আহমেদ চৌধুরির জয় নিশ্চিত ছিল। তাকেও মনোনয়ন দেয়া হয়নি। নারায়নগঞ্জের তৈমুর আলম খন্দকারকেও মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি। নমিনেশন তারা এবার অকশনে দিয়েছে। অনেকেই আমার সঙ্গে এসে দেখা করে দু:খের কথা বলেছে। তাদের মধ্যে একজন তো আমাদের দলে যোগদানও করলেন।’

তারেক ও জামায়াতকে নিয়ে বলেন,‘ ভাইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ না করলে মনোনয়ন পাওয়া যায় না। ভাইয়ার সঙ্গে আবার পাউন্ডের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে হয়। মানুষ স্বাধীনতার পক্ষে। এই মনোনয়ন অকশনের জন্য জামায়াতের ২৫ নেতা মনোনয়ন পেয়েছে। মানুষ স্বাধীনতা বিরোধীদের ভোট দেয়নি।’

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে