আপডেট : ২৮ অক্টোবর, ২০১৮ ১৯:১৩

আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে যাচ্ছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা

অনলাইন ডেস্ক
আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে যাচ্ছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা

নিজেদের প্যাডে ৭ দফা দাবি সম্বলিত একটি চিঠি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরকে পৌঁছে দিতে আওয়ামী লীগের অফিসের উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

রোববার (২৮অক্টোবর) বিকেলে চিঠি পৌঁছে দিতে ধানমণ্ডি আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ের উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর চিঠি পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব আছেন। সাবেক ডাকসুর সহসভাপতি সুলতান মোহাস্মদ মনসুর আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে দুপুরে জোটের নেতারা জানান, নিজেদের প্যাডে ৭ দফা দাবি ও ১১টি লক্ষ্য সম্বলিত একটি চিঠি তৈরি। কিন্তু ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে রোববার সকালে চিঠি পৌঁছে দিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গণভবন ও আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে যোগাযোগ করেও সাড়া মেলেনি।

দুপুরে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু জানান, ‘আজ সকালে আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপকে ফোন দিয়েও পাইনি। গণভবনের দায়িত্বশীল কোনও ব্যক্তিকেও পাওয়া যায়নি। আমরা তো চিঠি তাদের টেবিলে রেখে আসতে পারি না। আমরা চেষ্টা করব আজকালকার মধ্যেই চিঠি পৌঁছে দিতে। কিন্তু সরকার পক্ষ সাড়া দিচ্ছেন না’।

সাত দফা হলো: ১. অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকারের পদত্যাগ, জাতীয় সংসদ বাতিল, সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার গঠন এবং খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার নিশ্চিত করতে হবে।

২. যোগ্যব্যক্তিদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করার নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে।

৩. নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।

৪. কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ সবার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তিরনিশ্চয়তা দিতে হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ সব কালো আইন বাতিল করতে হবে।

৫. নির্বাচনের ১০দিন আগে থেকে নির্বাচনের পর সরকার গঠন পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সেনা বাহিনী মোতায়েন করতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত ও নিয়ন্ত্রণে পূর্ণ ক্ষমতা ইসির ওপরে ন্যাস্ত করতে হবে।

৬. নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দেশি ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ।

৭. নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে নির্বাচনেরফল চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত চলমান সব রাজনৈতিক মামলা স্থগিত রাখা ও নতুন কোন ধরনের মামলা না দেওয়ার নিশ্চয়তা দিতে হবে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে