আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১০:৪৩

বিএনপি-ড. কামালের ঐক্যে নেই কাদের সিদ্দিকী-কর্নেল অলি

অনলাইন ডেস্ক
বিএনপি-ড. কামালের ঐক্যে নেই কাদের সিদ্দিকী-কর্নেল অলি

জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশে যাননি কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ।

কর্নেল অলি ও কাদের সিদ্দিকী এই ঐক্যে না যাওয়ায় নতুন করে আলোচনা শুরু হলো। ধারণা করা হচ্ছে, রাজনৈতিক আরো কিছু ঘটনা আগামী সপ্তাহ হতে শুরু হতে পারে। বিএনপির বড় অংশ ও কর্নেল অলি আবারো আলোচনায় চলে আসতে পারেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ব্যাপারে নিজের অবস্থান সুস্পষ্ট করেছেন বঙ্গবীর। তিনি সবসময় বলেছেন, জাতির পিতাকে যারা স্বীকার করে না তাদের সঙ্গে তিনি ঐক্য করবেন না। তবে কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যের নেতা ড. কামাল হোসেনের বেশ ভালো সখ্যতা রয়েছে, যে কারণে ধারণা করা হচ্ছিল শেষ পর্যন্ত কাদের সিদ্দিকী ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে থাকতেও পারেন। কিন্তু গতকালের  সমাবেশে যোগ দেননি তিনি।

গত বৃহস্পতিবারও তিনি বলেছেন, আগামী ২০-২৫ দিনের জন্য শেখ হাসিনার পতন চাই না। চাই সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য একটি নির্বাচন। সেই নির্বাচনের জন্য যা যা করার দরকার আমরা তাই করবো। আমাদের দল নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অন্যদিকে জানা গেছে, কর্নেল অলি তিনি ভারত সফরে আছেন। শুরু থেকেই আকারে-ইঙ্গিতে এই জোটের বিরোধিতা করে আসছেন তিনি। এ কারণেই ২০ দলের অনেক নেতাকে এই সমাবেশে যোগ দিতে দেখা গেলেও দেখা যায়নি অলির দলের কোনো নেতাকে। গত ৮ সেপ্টেম্বর একটি অনুষ্ঠানে নতুন ঐক্যের নেতাদের দিকে ইঙ্গিত করে বিএনপিকে অলি বলেন, জনসমর্থনহীন, জনবিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদের নিয়ে এগিয়ে গেলে কোনো কাজ হবে না। বিএনপিকে আরও কৌশলী হতে হবে। যাদের সাপোর্টার নাই তাদের নিয়ে ঐক্য করে কোনো লাভ নেই। তার চেয়ে নিজেদের সংগঠন শক্তিশালী করেন।

জানা গেছে, এলডিপির মতো মশিউর রহমান যাদু মিয়ার নাতি জেবেল রহমান গাণির বাংলাদেশ ন্যাপ, মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের কল্যাণ পার্টি ও ন্যাশন্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টিও আজকের সমাবেশে যোগ দেয়নি।

অন্যদিকে খোদ বিএনপিতেও কামাল হোসেন এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি বি. চৌধুরীর এমন জোট নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে ও ছিল। বিএনপির মধ্যেও উত্তপ্ত পরিস্থিতি বইছে। যেকোন মুহূর্তে তা সামনে চলে আসতে পারে।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে বিএনপির জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের একজন নেতা বলেন, যতই কামাল হোসেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে গালমন্দ করুক কিংবা জামায়াত বর্জনের কথা বলুন বাস্তবতা তেমন করে নয়। এই জোটের মূল লক্ষ্য, দেশে অগণতান্ত্রিক শক্তিকে ক্ষমতায় বসানো। সেই কারণে কামাল হোসেন কিংবা মাহমুদুর রহমান মান্নাদের কোন সংসদীয় আসন না থেকেও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বলে তারা চালিয়ে যাচ্ছে, শান্তিপূর্ণ হতে হতে তারা একসময় নাশকতাকে পরিচিত করাবেন।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে