আপডেট : ১৬ মে, ২০১৮ ২০:১১

মঞ্জুর নিজের কেন্দ্রে হারার ব্যাখ্যা কী?

অনলাইন ডেস্ক
মঞ্জুর নিজের কেন্দ্রে হারার ব্যাখ্যা কী?

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নিজের কেন্দ্রে হেরেছেন বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। সেখানে তার চেয়ে ১১৯ ভোট বেশি পেয়েছেন আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক।

মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত একটানা ভোট চলে। মোট ২৮৯টি কেন্দ্রে হয় এই ভোট। এর মধ্যে সকাল পৌনে নয়টায় মঞ্জু ভোট দেন নগরীর রহিমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে।

এই কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা এক হাজার ৪২৬ জন। মেয়র পদে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে এখানকার বেশিরভাগ ভোটারই নৌকা বা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়েছেন। এদের মধ্যে সিংহভাগের আবার পছন্দ ছিল আওয়ামী লীগের খালেককে।

এই কেন্দ্রে খালেক পেয়েছেন ৫২৯ ভোট। আর মঞ্জুর ধানের শীষে পড়েছে ৪১০ ভোট। এই কেন্দ্র নিয়ে মঞ্জু বা বিএনপির কোনো অভিযোগ ছিল না।

নিজ কেন্দ্রের পাশাপাশি মঞ্জু হেরেছেন বেশিরভাগ কেন্দ্রেই। তার জয় এসেছে এমন কেন্দ্রের সংখ্যা খুবই কম। শেষ পর্যন্ত মঞ্জু খালেকের চেয়ে প্রায় ৬৮ হাজার ভোট কম পান সব কেন্দ্র মিলিয়ে।

বিভিন্ন সময় ভোটে দেখা গেছে প্রার্থীরা নিজ কেন্দ্রে হেরে সচরাচর জিততে পারেন না। আবার এমনও দেখা গেছে বড় ব্যবধানে হারলেও নিজ কেন্দ্রে ঠিকই জয় পেয়েছেন প্রার্থী।

মঞ্জু অবশ্য ভোট শেষে সন্ধ্যায় এই নির্বাচনে শতাধিক কেন্দ্রে কারচুপির অভিযোগ এনে আবার ভোট নেয়ার দাবি করেছেন। তবে সকালে তিনি উল্লেখ করেছিলেনন ৩০টি কেন্দ্রের কথা।

ভোট দেয়ার পর পর মঞ্জু দাবি করেন ৩০টি কেন্দ্রে তার এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। তাদের মারধর করা হয়েছে। ভোটারদেরকে হুমকি দেয়া হয়েছে।

দবে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী সকালে ৪০টি কেন্দ্রের কথা উল্লেখ করেন।

আবার দুপুরের পর রিজভী সংবাদ সম্মেলন করে মোট ২৬টি কেন্দ্রে কারচুপির অভিযোগ আনেন। যদিও ভোট শেষে তিনি দেড় শতাধিক কেন্দ্রে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ আনেন। তবে সব কেন্দ্রেই ছোটখাটো অনিয়ম হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

নির্বাচন কমিশন অবশ্য খুলনার ভোটকে ‘চমৎকার’ বলেছে। আর রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলী বলেছেন, কয়েকটি কেন্দ্রে নানা ঘটনা ঘটলেও সার্বিকভাবে নির্বাচন ছিল সুষ্ঠু।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে সব মিলিয়ে ১০ থেকে ১২টি কেন্দ্রে জালভোটসহ বিভিন্ন অনিয়মের এসেছে। এর মধ্যে ছয়টি কেন্দ্র বা বুথে ভোট স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। পরে তিনটি কেন্দ্রে স্থগিতাদেশ তুলে নেয়া হয়। আর জাল ভোটের প্রমাণ পেয়ে কিছু কেন্দ্রে ব্যালট বাতিল করা হয়।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে