আপডেট : ১৯ জানুয়ারী, ২০১৮ ১৮:২২

‘হাউমাউ করে কেঁদেছে, কোন উত্তর দিতে পারিনি’

অনলাইন ডেস্ক
‘হাউমাউ করে কেঁদেছে, কোন উত্তর দিতে পারিনি’

আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাহেব দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য থাকা অবস্থায় গত বছর মে মাসে দলীয় এক কর্মসূচিতে বলেছিলেন , এখন আওয়ামীলীগ অফিসের কোনো তরুণের সঙ্গে ধাক্কা লাগলেই বলে ,আমি সহ সম্পাদক। কিসের সহ সম্পাদক ? আওয়ামীলীগের সহ সম্পাদক। সহ সম্পাদক যেভাবে ব্যাঙের ছাতার মতো বেড়ে গেছে ,এতে কারও মর্যাদা নেই। প্রত্যেক উপকমিটির সহ সম্পাদক জেলায় গিয়ে মাতব্বরি করে , উপজেলায় গিয়ে দাপট দেখায় । আর এইবার যা হলো তা সত্যিই কলঙ্কজনক।

ধন্যবাদ মাননীয় নেত্রীকে বিষয়টি ধরার জন্য। আপা আপনার বাগানে সুগন্ধি ফুলের ছদ্মবেশে অনেক টাউটরা আপনাকে দুর্বল করতে চায়।একমাত্র আপনার মুখের দিকে তাকিয়েই আমরা স্বপ্ন দেখি। জোর করে অনেকেই নেতা হতে চায় আপনার সমকক্ষ হতে চায় কিন্তু ওরা জানেনা শেখ হাসিনা আমাদের হৃদয়ের একমাত্র স্পন্দন।

যে বড় ভাইদের হাত ধরে রাজপথে স্লোগান ধরেছি যে বন্ধুদের সহযোগিতায় রাজপথে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে সোচ্চার থেকেছি তাদের অনেকেই গত ৪৮ ঘন্টায় ফোন দিয়ে হাউমাউ করে কেঁদেছে। কোন উত্তর দিতে পারিনি নীরবে চোখের জল ফেলা ছাড়া।

আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি আমাদের আপা অবশ্যই আমাদের কতিপয় জোকারের হাত থেকে সাবেক ছাত্রনেতাদের রক্ষা করবে আর গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দিবে নব্য হাইব্রীড বনসাইদের যারা অর্থের বিনিময়ে জোকারদের ম্যানেজ করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে কলঙ্কিত করতে এসেছিলো।

আমার একটা পরিচয় আপা দিয়েছেন জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য। এটা আমার গর্বের পদবী কারন বঙ্গবন্ধু কন্যার চোখ ফাঁকি দিয়ে কেউ দেয়নি। আমি কোন পদবী চাইনা শুধু আমাদের দু:সময়ের সারথিরা যেনো তাদের প্রাপ্যটুকু পায় এটুকুই চাই।

[সিদ্দিকী নাজমুল আলমের ফেসবুক থেকে নেওয়া]

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে