আপডেট : ১১ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৭:৩৭

বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে-প্রধানমন্ত্রী

বিডিটাইমস ডেস্ক
বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে-প্রধানমন্ত্রী

১৯৭১ সালের দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর যৌথবাহিনীর কাছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আত্নসমর্পন করে পাক হানাদার বাহিনী। ১০ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যেন অপূর্ণ ছিল। বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরলেই সেই স্বাধীনতা পূর্ণ হয়।

সোমবার (১১ জানুয়ারি) বিকালে সোহরাওয়াদী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী ও দলটির সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করে সোনার বাংলা গড়াই ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন। বাংলাদেশ যখন অর্থনৈতিক মুক্তির পথে এগিয়ে যাচ্ছিল, সেই সময় চরম আঘাত আনা হয়। ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়’।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাধীনতার এত বছর পরেও রাজাকাররা বাংলাদেশে বহাল তবিয়তে আছে। তারা মুক্তিযুদ্ধের সময় বিরোধিতা করেছে। এখনও দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। শুধু তাই নয় রাজাকাররা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। তবে তারা পার পাবে না।’

খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, ‘এখন আপনার জোট ভাঙছে, আর কদিন পরে আপনার দল ভাঙবে’।

‘আপনি (খালেদা জিয়া) কইলেন রাজতন্ত্রে আছেন। যদি বাংলাদেশে রাজতন্ত্র থাকতো তাহলে এক ঘন্টার বক্তৃতা দিতে পারতেন না। জ্বালাও পোড়াও করে বসে থাকতে পারতেন না। প্রধানমন্ত্রীর কৃপায় আপনি এখনো বেহাল তবিয়তে আছেন।’

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, বঙ্গবন্ধু এমন একজন ব্যক্তি যিনি একটি জাতিকে তৈরি করেছেন। তিনি আরও বলেন ‘বাংলাদেশে বসেই পাকিস্তানি এজেন্টরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটুক্তি করে। পাকিস্তানি খালেদা ৩০ লাখ শহিদদের নিয়ে কথা বলে। তাই পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের কুটনৈতিক সম্পর্ক রাখার কোনো যৌক্তিকতা নাই’। তাই খালেদাকে বিচারের মুখোমুখি করা হোক’। 

বিডিনিউজ৩৬৫ডটকম/জেডএম

উপরে