আপডেট : ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮ ২০:৫৯

শ্রীপুরে তালাকেও রক্ষা মেলেনি মল্লিকার!

মোতাহার খান,গাজীপুর প্রতিনিধি
শ্রীপুরে তালাকেও রক্ষা মেলেনি মল্লিকার!

গাজীপুরের শ্রীপুরে স্বামীকে তালাক দেওয়ার পরেও সাবেক স্বামীর হাত থেকে রক্ষা পায়নি এক নারী। ২২ জানুয়ারী সোমবার রাতে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরামা জাম্বুরীটেক গ্রামে সাবেক স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার হন মল্লিকা বেগম। 

আহত মল্লিকা কাপাসিয়া উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরামা গ্রামের জাম্বুরীটেক এলাকার মেয়ে। ৮ বছর আগে একই  উপজেলার সিংহশ্রী ঝাউয়াদি গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে মজনু মিয়া সঙ্গে বিয়ে হয় মল্লিকা বেগমের। বিয়ের পরে যৌতুকের টাকা মিটাতে না পারায় তার উপর চালানো হয় অমানবিক নির্যাতন। ২ বছরের মাথায় মল্লিকা নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে মজনু মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে তালাক দেন। তালাক দেওয়ার পরেও ৬ বছর হলেও তার পিছু ছাড়েন না মনজু, মল্লিকাকে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করতে থাকেন। সবশেষ সোমবার মল্লিকাকে ঘর টেনে হিঁচড়ে বের করে ক্ষুর দিয়ে গলায় আঘাতের চেষ্টা করে। প্রতিরোধ করতে গেলে বাম হাতের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। এক পর্যায়ে দুই গালে পোঁচ দিয়ে পালিয়ে যায়।

আহত মল্লিকাকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়। স্বাস্থ্য মপ্লেক্সের চিকিৎসক সালমা নূর জানান, ধারালো কোনো বস্তুর আঘাতে ওই নারীর হাতে রগ কেটে গেছে। দুই গালেও একই রকম আঘাত রয়েছে। জখমগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখান থেকে চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এ ব্যাপারে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। তবে নারী আহতের খবর শুনে পুলিশ উদ্যোগী হয়ে আইনী প্রক্রিয়া চালাচ্ছে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/রাসেল

উপরে