আপডেট : ২৩ মে, ২০১৯ ২৩:১৫

গুলিস্তানের মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসায় ক্ষুদে হাফেজদের ইফতার

অনলাইন ডেস্ক
গুলিস্তানের মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসায় ক্ষুদে হাফেজদের ইফতার

গুলিস্তানের মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা। আছরের নামাজের পর থেকে শুরু হয় ইফতার সাজানোর তোড়জোড়। প্রায় ১৫০ জনের ইফতার সাজাতে কাজে লেগে যায় শিশু থেকে করে কিশোর শিক্ষার্থীরা। যার যার কাজ ভাগ করাই থাকে।

এদের মধ্যে কেউ মাদ্রাসার মেঝে পরিস্কার করে সেখানে দসতারখান বিছিয়ে রাখে। কেউ ধোয়া মোছার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আবার কেউ ফলমুল কাটা, পেয়াজ-মরিচ কাটাসহ নানা কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এদের মধ্যে একটু সিনিয়ররা ইফতারের আইটেম গুলো বড় বড় প্লেটে থরে থরে সাজাতে থাকে।

মাগরিবের আযান পড়তেই যে যেখানেই থাকুক ছাত্র-শিক্ষক মেহমান সবাই এক সাথে বসে যান ইফতার করতে।

মাদ্রাসার মুহতামিম হুজুর হাফেজ মাওলানা মোজ্জাম্মেল হক বলেন, এখানে প্রতিদিন প্রায় ১৫০ জনের ইফতার করা হয়। কিন্তু কাল কি ইফতার হবে তা কেউ জানতে পারে না। কারন এখানে ইফতারের জন্য কোন ফান্ড নেই। মাদ্রাসা কমিটির নেতৃবৃন্দ ও এলাকার হৃদয়বান ব্যক্তিরাই নিজেদের অর্থে মাদ্রাসার ছোট ছোট বাচ্চাদের ইফতার করিয়ে থাকেন। তাই আগে থেকে বলা যায় না কাল কি ইফতার রুজিতে রেখেছেন আল্লাহ। বৃহস্পতিবার মাদ্রাসার ছাত্রদের সঙ্গে ইফতার করতে গিয়ে এমন তথ্য পাওয়া যায়।

এই মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির যুগ্ন সম্পাদক হিসাবে রয়েছেন ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিনের সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান পলাশ। এদিন বিভিন্ন ধরনের ফলসহ নানা ধরনের খাবার দিয়ে তিনিই ইফতার করিয়েছেন মাদ্রাসা ছাত্র ও শিক্ষকদের। এসময় বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

পলাশ বলেন, এই মাদ্রাসা তৈরীর আগে এই স্থানে ছিলো অপরাধীদের আড্ডাখানা। যেখানে খুন থেকে শুরু করে এমন কোন অপরাধমুলক কর্মকান্ড নেই না হতো। কিন্তু গত ২০১০ সাল থেকে মাদ্রাসা চালু হয়। এরপর থেকে এটি একটি পবিত্র স্থানে পরিনত হয়। বর্তমানে এখানে ১০৫ জন ছেলে আল্লাহর কোরআন শিক্ষা গ্রহন করছে। প্রতি বছর ৮/১০ জন কোরআনের হাফেজ হয়ে বের হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া।

তিনি বলেন, এই মাদ্রাসায় অনেক ছাত্র রয়েছে এতিম, গরিব ও অসহায়। যারা মাদ্রাসার লেকা পড়ার খরচও বহন করতে পারে না। এমন ছাত্রদের ব্যয়ভার কমিটির নেতৃবৃন্দ নিজেদের টাকা দিয়ে বহন করে থাকেন। কালকের ইফতার কি হবে তা কেউ না জানলেও আল্লাহপাক বাচ্চাদের কখনো অভুক্ত রাখেননি। বরং অনেক ভালো খাবার ও ইফতার খেয়ে থাকেন এই হাফেজরা।

কোরআনের নুরদের সাথে ইফতারিতে অংশ গ্রহণ করে যাত্রাবাড়ী আওয়ামী লীগের সুদর্শন নেতা জাহিদ হোসেন জুয়েল। নয়া দিগন্ত ক্রাইম রিপোর্টার আমিনুল ইসলাম। ইনকিলাব রিপোটার ইয়াসিন রানা,নিউনেশন এর গাজী আনোয়ার, ব্রেকিং নিউজ এর গাযি রাহাত। ছাএলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি রুহুল আমিন, সহ সম্পাদক রনি, সোহাগ ভূইয়া, মডেল খান বিপু, মালখনাগর যুবলীগ সধারন সম্পাদক আহসানুল ইসলাম আমিন, তরুণ প্রজন্মের নেতা রিয়াদ প্রমুখ।’

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে