আপডেট : ১৬ জানুয়ারী, ২০১৮ ১৪:৫০

‘বাঘা, তোর বউয়ের হাতে ইলিশ ভাজা মনে রাখার মতো’

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
‘বাঘা, তোর বউয়ের হাতে ইলিশ ভাজা মনে রাখার মতো’

গত সংখ্যায় মাননীয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের উন্মাদনা নিয়ে লিখেছিলাম, হৃদয়ের তাগিদেই লিখেছিলাম। সাধারণ পাঠকের অনেক প্রশংসা পেয়েছি, আবার সমালোচনাও। প্রশংসা সবাইকেই উৎসাহিত করে। আবার কিছু কিছু প্রশংসা দুর্বলও করে। যুক্তিযুক্ত শক্তিশালী সমালোচনা সত্যি সত্যি বড় উপকারী। 

কোনো কোনো যুক্তিযুক্ত সমালোচনা শুনে বিস্মিত, অভিভূত হই, অনেক কিছু শিখতে পারি। কোনো কোনো শক্ত কথা দেহমনে চাপ সৃষ্টি করলেও পরে শান্ত হৃদয়ে সমালোচককে বড় উপকারী মনে হয়। বিশেষ করে অজানা কোনো বিষয় কেউ ধরিয়ে দিলে ভালো লাগার সীমা থাকে না। ব্যক্তিগত অনুরাগ-বিরাগের বশবর্তী হয়ে নয়, একেবারে নিখাদ সত্যের তাগিদে মন্ত্রী মহোদয়দের নিয়ে দু-চার কথা লিখেছিলাম।

একটা সংবাদপত্রের কাজ দেশবাসীকে দেশের বিষয় অবহিত রাখা। জনাব এ কে এম শাজাহান কামাল সম্পর্কে বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রিয় সম্পাদক নঈম নিজামের যথার্থ বক্তব্য ‘রক্ত কোনো কাজের কথা নয়, রক্ত দিয়ে কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা বা লাভজনক করা যায় না’— কথাই আমি সমর্থন জানিয়েছিলাম। মাননীয় মন্ত্রী তারানা হালিম গান-বাজনা, নাটক-থিয়েটার করতেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সম্পর্কে তার কথা শুনে মর্মাহত হয়েছি। শুধু মর্মাহত নই, সংবিধান ও সংবিধানের কর্তৃত্বের প্রতি তার বক্তব্য অবজ্ঞার শামিল। 

বিশেষ করে তার বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অবজ্ঞা দেখানো হয়েছে। কেউ ধরে না, তাই কোনটা ভালো, কোনটা মন্দ সেসবের বিচার হয় না। ন্যায়-নীতি, সম্মান-অপমানের সঠিক মূল্যায়ন হলে তারানা হালিম ও মোস্তাফা জব্বারের মন্ত্রিত্ব শপথের দিনই শেষ হয়ে যেত। জনাব জব্বার আইনস্টাইন যে নন তা আগেই বলেছি। বিজয় সফটওয়্যার নিয়ে তার খুব বেশি সুনাম নেই। ওটা তিনি বানাননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র সফটওয়্যারটি আবিষ্কার করে কম্পিউটার ব্যবসায়ী মোস্তাফা জব্বারের কাছে পরামর্শের জন্য গিয়েছিল। 

পরামর্শের বদলে সফটওয়্যারটি নিজের নামে চালিয়ে দিয়েছিলেন। তাকে মন্ত্রী করা এবং আমার লেখা ছাপার পর কানাডা, আমেরিকা, ব্রিটেন, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি থেকে না হলেও ১০০ জন যোগাযোগ করেছেন। আমি নিজে তার সম্পর্কে অত জানতাম না, যা ছাত্ররা জানে। ছাত্রজীবনে জাসদ করা ভদ্রলোকের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত রাজনীতিতে তেমন ভূমিকা নেই। তবু তিনি মন্ত্রী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সভানেত্রী নাকি তাকে ডুবন্ত নৌকা জাগাতে দায়িত্ব দিয়েছেন; শুনে ভীষণ খারাপ লাগায় দুই কলম লিখেছিলাম। সেজন্য এত ধন্যবাদ পাব, আশা করিনি। নিয়মিত লিখি, চোখের সামনে যা পড়ে তাই লিখি। কর্তব্য মনে করেই লিখেছি। দেখা যাক কী হয়।

ভারতের একমাত্র বাঙালি সাবেক রাষ্ট্রপতি শ্রী প্রণব মুখার্জি আমাদের দেশে। এই তীব্র শীতে পাঁচ দিন থাকবেন তিনি আমাদের মাঝে, তার দুই দিন চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডি-লিট ডিগ্রি দেবে। দেশবাসীর দৃষ্টিতে এটা হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেষ্ঠ সিদ্ধান্ত। ব্যক্তিগতভাবে প্রায় ৪০ বছর বা তারও কিছু বেশি শ্রী প্রণব মুখার্জিকে চিনি, জানি। তাঁর পরিবারের সবার সঙ্গে চেনা-জানা। যখন নির্বাসনে ছিলাম তখন তাঁর ছেলেমেয়েরা বেশ ছোট। অভিজিৎ মুখার্জি তখন স্কুল লেভেলে পড়ত, এখন এমপি। শর্মিষ্ঠা মুখার্জি মুন্নী খুবই ছোট ছিল, এখন দিল্লির কংগ্রেস রাজনীতিতে সক্রিয়। ইন্দ্রজিৎ মুখার্জি পিন্টু তখন কোলে, এখন একটি ভালো চাকরি করে। ধীরে ধীরে সময় গেছে, ওরা বড় হয়েছে।

 আমি যেমন তাদের আপনজনের মতো আদর-যত্ন করেছি, বাচ্চারাও আমাকে পর ভাবেনি। দিদির ছোটভাই খোকন তখন দাদার সঙ্গেই থাকত। দাদা তাকে অসম্ভব ভালোবাসতেন, স্নেহ করতেন। রাত-বিরাত অনেক গেছি। নিজের বাড়ির মতো মনে হয়েছে সবসময়, কখনো পরের বাড়ি মনে হয়নি। আসলে দিল্লিতে শ্রী প্রণব মুখার্জি পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের কতটা বলতে পারব না, কিন্তু আমাদের বাংলাদেশের জানাশোনা সবার জন্য একটা নির্ভরযোগ্য ঠিকানা। শ্রীমতী শুভ্রা মুখার্জি ঢাকায় এসে আমার মোহাম্মদপুরের বাড়িতে খেয়েছিলেন। রান্নাঘরে ঢুকে ভাজা ইলিশ খেয়ে আমৃত্যু মনে রেখেছেন। কতবার বলেছেন, ‘বাঘা! তোর বউয়ের হাতে ইলিশ ভাজা মনে রাখার মতো।’

আজ দিদি নেই, তার কথা বড় বেশি মনে পড়ে। ২৪ জুলাই দাদা অবসরে গেছেন। তাই আমার বাড়িতে ছেলেমেয়েদের মাঝে আসার জন্য অনুরোধ করেছিলাম, তিনি বললেন, ‘প্রটোকলে হবে না, তুমি নাসরীনসহ ছেলেমেয়ে নিয়ে একবার এসো। তোমাদের দেখতে আমারও ইচ্ছা হয়।’ প্রবীণ অভিজ্ঞ মানুষ যথার্থই বলেছেন।

প্রটোকলের বেড়াজাল বড় মারাত্মক। শত ইচ্ছা থাকলেও অনেক কিছু করা যায় না। প্রবাসে বর্ধমানে থাকতে তিনি যখন কংগ্রেস ছেড়ে নতুন দল ‘রাষ্ট্রীয় সমাজবাদী কংগ্রেস’ করেছিলেন তখন জুন-জুলাইয়ের প্রচণ্ড দাবদাহে বর্ধমানের আসানসোলে রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় আমার বাসায় এসেছিলেন এবং আমার বিছানায় রাত কাটিয়েছিলেন। শ্রী প্রণব মুখার্জির জন্য তখনই শুধু প্রটোকল ছিল না। বরং খুবই কষ্টের সময় ছিল। তার কথা শুনে বাস্তবতা উপলব্ধি করেছি, খুশি হয়েছি। কখনো যোগাযোগ করে সময় করে নেব।

সেদিন বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজামের লেখায় দেখলাম পশ্চিমবঙ্গের লেখক সুখরঞ্জন দাশগুপ্তের লেখা ‘কাছের মানুষ, কাজের মানুষ গনি খান চৌধুরী’। সোমেন মিত্র প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর সঙ্গে একবার দেখা করতে গিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর এক ব্যক্তিগত স্টাফ সোমেন মিত্রকে বলেছিলেন, ‘গনিদাকে ছেড়ে আপনি অজিৎ পাজা ও প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন না?’ 

সোমেন মিত্র বলেছিলেন, ‘গনি খান শুধু আমার রাজনৈতিক নেতাই নন, তিনি আমার পিতাও। তাকে ত্যাগ করা আমার আমাকে ত্যাগ করার শামিল।’ ঘটনাটি রাজীব গান্ধীকে বললে রাজীব গান্ধী সেই অফিসারকে গালমন্দ করেছিলেন যিনি আমার বেশ ঘনিষ্ঠ। এখনো বেঁচে আছেন। কখনো-সখনো সে নিয়ে কথা হয়। সোমেন মিত্র একেবারে মাটি থেকে উঠে আসা মানুষ। অনেক সময় অনেককে ভাগ্য সাহায্য করে না তাই কেউ কেউ বিখ্যাত হতে পারেন না। ’৭২ সালে সোমেন মিত্রকে প্রথম দেখেছিলাম। সোমেন মিত্র, সুব্রত মুখার্জি আর প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি তখন ছিলেন হরিহর আত্মা।

তখন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সিদ্ধার্থ শংকর রায়। গনি খান আর প্রণব মুখার্জিকে ’৭৭-৭৮-এর পর থেকে চিনি। বঙ্গবন্ধু নিহত হলে তার প্রতিবাদে যখন প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলাম, একপর্যায়ে ইন্দিরা গান্ধী সরকারের পতনের পর এ বি এ গনি খান চৌধুরী, প্রণব মুখার্জির সঙ্গে পরিচয় হয়। গনি খান চৌধুরী ও প্রণবদা দুজনই যার যার জগতে অভাবনীয় ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ। দলীয় দলাদলির কারণে মাঝে-সাজে ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি হলেও কখনো কারও মধ্যে সৌহার্দ্যের অভাব দেখিনি। প্রণবদার গ্রামের বাড়ি বীরভূমের কির্নাহারে যেমন গেছি, মালদার গনি খানের প্রাসাদেও একই রকম যত্ন ও গুরুত্ব পেয়েছি। গনি খান এমন একজন ভাগ্যবান রাজনীতিক, তিনি জীবনে কোনো দিন কোনো নির্বাচনে হারেননি। বিধানসভা ও লোকসভা মিলে ১৫-১৬ বার নির্বাচন করেছেন। একবারও হারেননি।

 সর্বশেষ যেবার পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস মুছে যায় সেবারও অচল এ বি এ গনি খান চৌধুরী বিছানায় শুয়ে ভোটে জিতেছিলেন। সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল ভোটারদের কাছে— গনি খান চলাফেরা করতে পারেন না, বিছানায় পড়ে আছেন, তাকে ভোট দিয়ে কী হবে? ভোটারদের কথা— কিছু হোক আর না হোক তিনি যত দিন আছেন আমরা তাকেই ভোট দেব। এখানে কোনো হিন্দু-মুসলমান ভোটারের বিবেচনা ছিল না। 

এমন জনপ্রিয় নেতা পশ্চিমবঙ্গে আর দ্বিতীয় কেউ হবে না। অন্যদিকে প্রণবদা বেশ কয়েকবার লোকসভায় দাঁড়িয়ে হেরে যান। শত্রুরা বলতে শুরু করে, সরাসরি ভোটে প্রণব মুখার্জির জেতা সম্ভব নয়। তাই বার বার তিনি রাজ্যসভার সদস্য হন। আমি তাকে যেভাবে দেখেছি ওটা তার কোনো দুর্বলতা নয়। শ্রী প্রণব মুখার্জির মতো ক্ষুরধার মেধাসম্পন্ন কোনো বাঙালি কংগ্রেসে ছিল না, অন্য ভাষাভাষী নেতাও না।

 ইন্দিরাজি প্রণবদাকে ‘হিউম্যান কম্পিউটার’ বলতেন। সারা ভারতের কত নেতা-কর্মীর নাম যে তার মুখস্থ, বলার মতো নয়। একজন নিষ্ঠাবান সৎ মানুষ হলে স্রষ্টাও তাকে সাহায্য করেন। সেটা প্রণবদাকেও করেছেন। শেষে জঙ্গিপুর থেকে পরপর দুবার লোকসভায় নির্বাচিত হন। তখন যে পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের অবস্থা খুব ভালো ছিল, তেমন নয়। মূলকথা, শ্রী প্রণব মুখার্জি কখনো মাঠে-ময়দানে কাজ করার সময় পাননি। তাকে সবসময় নীতিনির্ধারণ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে। সরকার পরিচালনা ও নীতিনির্ধারণ করতে গিয়ে নির্বাচনী এলাকা ঠিক করতে পারেননি।

 তার নিজের জেলা বীরভূম শান্তিনিকেতন থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে। তিনি শেষের দিকে নির্বাচন করেছেন জঙ্গিপুরে। যে দুবার নির্বাচন করেছেন দুবারই জয়ী হয়েছেন। যে সময় তৃণমূল কংগ্রেসের বানে সব ভেসে গেছে, তখনো তার আসন থেকে তার ছেলে অভিজিৎ মুখার্জি বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে। তাই স্রষ্টার ইচ্ছায় রাজনীতিতে তার জনসমর্থন নেই— এ নিন্দাও শেষ জীবনে কেটে গেছে।

একটু আগে সোমেন মিত্রের কথা বলেছিলাম। গনি খান চৌধুরীর মৃত্যুর পর তিনি প্রণব মুখার্জির ছায়াসঙ্গী হিসেবে কাজ করেছেন। আবদুল মান্নান আর সোমেন মিত্র ছিলেন একসময় পশ্চিমবঙ্গে প্রণব মুখার্জির রাজনৈতিক প্রতিনিধি। তারা তাকে ছায়ার মতো অনুসরণ করেছেন। যদিও এখন কেউ কেউ তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জড়িয়েছেন। কিন্তু আমি যখনকার কথা বলছি তখন এদের কাউকে আলাদা করে বিবেচনা করা যেত না। ভারতে যুবনেতা হিসেবে প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি, সোমেন মিত্র, সুব্রত মুখার্জি, সওগত রায় ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সূর্যের মতো জ্বলজ্বলে উজ্জ্বল। 

তার মধ্যে প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি সবার ওপরে। দিন গেছে দূরত্ব বেড়েছে, আবার তারা রাজনীতির কারণে কাছাকাছি হয়েছেন। কিন্তু কখনো তাদের মধ্যে সহমর্মিতার অভাব দেখিনি। কেউ বড়কে ছোট করে যা খুশি তাই করার চেষ্টা করেননি। বিশেষ করে আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা রেখেছিলাম তাদের প্রতি তাদের দরদ-সম্মান সবসময় একই রকম দেখেছি। বঙ্গবন্ধু নিহত হলে আমাদের চরম দুঃসময়ে নিজেদের মধ্যে দলাদলি বা ভুল বোঝাবুঝি থাকলেও আমাদের সাহায্য-সহযোগিতা করায় তাদের ছোটখাটো কোনো দ্বন্দ্ব আমাদের ওপর প্রভাব ফেলেনি। সেটা যেমন কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে দেখেছি, তেমনি কংগ্রেসবিরোধী নেতাদের মধ্যেও দেখেছি। সিপিএম নেতা মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু আমায় খুবই পছন্দ করতেন বলে কংগ্রেসের কেউ অসন্তুষ্ট হয়েছেন মনে হয়নি। মনে মনে কোনো কষ্ট পেলেও পেতে পারেন, কিন্তু আমাদের কোনো দিন বুঝতে দেননি। 

কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে মেলামেশা করি বলে জনতা পার্টির কেউ ক্ষুব্ধ বা ক্ষুণ্ন হয়েছেন বলে কখনো মনে হয়নি। জনতা পার্টির সভাপতি চন্দ্র শেখরের কাছে, সম্পাদক মধু দণ্ডপাতের কাছে কতবার গেছি। কখনো তাদের মুখ কালা দেখিনি। উড়িষ্যার মুকুটহীন রাজনীতির সম্রাট বিজু পট্টনায়েক ছিলেন দরাজ দিল, খোলামেলা মানুষ। তার ছেলে নবীন পট্টনায়েক এখন তার চেয়েও বেশি জনপ্রিয়।

 সেসব কষ্টের মধুময় স্মৃতিগুলো যখন মনের পর্দায় ভেসে ওঠে কতই না ভালো লাগে। ভারতের মহামান্য সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির বাংলাদেশ সফর নিয়ে ভাবতে গিয়ে ভারত প্রবাসের কত আনন্দ-বেদনা, কত ঘটনা বুকের ভিতর থেকে কিলবিল করে বেরিয়ে আসতে চায়। তাঁর এ সফর দুই দেশের অবিশ্বাসের গুমোট দেয়াল ভেঙে খানখান হয়ে এক সৌহার্দ্যের সুবাতাস বয়ে যাক এবং কন্যা শর্মিষ্ঠা মুখার্জিকে নিয়ে তাঁর এ সফর নিরাপদ ও আনন্দময় হোক— এ কামনাই করি।

লেখক : রাজনীতিক।

সূত্র বাংলাদেশ প্রতিদিন

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে