আপডেট : ৪ মার্চ, ২০১৬ ১৮:২১

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ উদ্বোধনের ১০১ বছর পূর্তি

বিডিটাইমস ডেস্ক
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ উদ্বোধনের ১০১ বছর পূর্তি

পাবনার পাকশী পদ্মা নদীর ওপর স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবহনকারী ঐতিহ্যবাহী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ চালুর ১০১ বছর পূর্তি শুক্রবার। ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দের ৪ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রীবাহী রেল চালুর মাধ্যমে এ সেতু উদ্বোধন করা হয়।

শৈল্পিক কারুকাজের দৃষ্টিনন্দন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ বাংলাদেশের গৌরব আর অহঙ্কারের প্রতীক। বৃটিশ স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন ও এশিয়ার অন্যতম এই রেলওয়ে সেতুর ১০১ বছর পূর্তিতে উদ্বেলিত পাবনাবাসী।
পাকশী রেলওয়ে ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও ইতিহাস গবেষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘এই ব্রিজ আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্যের অংশ, আমাদের গৌরব। পাকিস্তান আমলে ব্রিজটি মাঝেমধ্যে পরিস্কার করে ধোয়ামোছা করা হতো, রঙ করা হত। কিন্তু এখন সেগুলো দেখা যায় না। একারণে এর গুণগত মান নষ্ট হওয়া নিয়ে আমরা শঙ্কার মধ্যে আছি।’
১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে ২৪ হাজার লোকবল দিয়ে পদ্মা নদীর উপর রেলসেতুর নির্মাণকাজ শুরু করা হয়। আর ৪ কোটি ৭৫ লক্ষ ৫০ হাজার ভারতীয় রুপী ব্যয়ে সেতুর নির্মাণ শেষ হয় ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে।
১ দশমিক ৮১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে রেলসেতুটির অর্ধেক অংশ পাবনার পাকশী অংশে এবং বাকি অংশ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা অংশের মধ্যে অবস্থিত। ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দের ৪ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রীবাহী রেল চালুর মাধ্যমে এ সেতু উদ্বোধন করেন তৎকালীন ভারতের গভর্নর জেনারেল ভাইসরয় লর্ড চার্লস হার্ডিঞ্জ। তার নামেই এ সেতুর নামকরণ করা হয় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। সেতুটি নির্মাণের প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন বৃটিশ প্রকৌশলী মি. রবার্ট গেইল্স।
এই রেলব্রিজের ভারবহন ক্ষমতা ১ হাজার ৯২৭ টন।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে 

উপরে