আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১১:২৫

গাড়ির জ্বালানি বাঁচাতে ১০টি টিপ্‌স

বিডিটাইমস ডেস্ক
গাড়ির জ্বালানি বাঁচাতে ১০টি টিপ্‌স

জ্বালানির দাম কখনও কয়েক পয়সা কমবে আবার কয়েক পয়সা বাড়বে কিন্তু তাতে কত আর টাকা বাঁচবে? গাড়ি চালানোর সময়ে যদি কয়েকটি বিষয় মেনে চলা যায় তবে সহজেই জ্বালানি বাঁচানো যায় এবং টাকাও সাশ্রয় হয়।এই ১০টি জিনিস মেনে চলুন—

১) বার বার সিগন্যালে আটকালে বার বার বন্ধ করতে হয় এবং স্টার্ট দিতে হয় ইঞ্জিন যাতে অনেকটা জ্বালানি পোড়ে। তাই এমন রাস্তা বাছুন যেখানে সিগন্যাল এবং জ্যাম দুই-ই কম।  

২) বার বার ব্রেক নয়। শহরের রাস্তায় চলার সময়ে একটি মাঝারি স্পিড বজায় রেখে চলুন । না হলে বার বার ব্রেক কষে সামাল দিতে হয়। এর ফলে অনেকটা জ্বালানি ক্ষয় হয়।

৩) হাইওয়েতে গাড়ি চালানোর সময় গতিবেগ যখন ৬০ মাইল প্রতি ঘণ্টারও বেশি তখন গাড়ির জানলার কাচ বন্ধ করে দিন এবং নেহাত প্রয়োজন পড়লে এসি চালান। কিন্তু গতিবেগ ৫৫ মাইল প্রতি ঘণ্টার কম হলে জানলা খুলে, এসি বন্ধ করে গাড়ি চালান। দু’ভাবেই জ্বালানি বাঁচানো যাবে।

৪) শহরের মধ্যে গাড়ি চালানোর সময়ে যত বেশি পারেন রাইট টার্ন নিন। লজিস্টিক্স কোম্পানি ফিডএক্স-এর একটি সমীক্ষা প্রমাণ করেছে এতে সত্যিই জ্বালানি সাশ্রয় হয়।

৫) ইঞ্জিন গরম থাকলে জ্বালানি কম পোড়ে। যদি বেশ কয়েকটি জায়গায় যাওয়ার থাকে তবে প্রথমে দূরের জায়গাটিতে চলে যান। তার পরের ট্রিপগুলিতে বাঁচবে জ্বালানি।

৬) নিয়মিত টায়ারের প্রেশার চেক করান। প্রেশার কমে গেলে রেসিস্টেন্স বাড়ে এবং জ্বালানি বেশি পোড়ে।

৭) স্টার্ট দিয়েই স্পিড তুলে ফেলবেন না, এতে এক ঝটকায় অনেকটা বেশি জ্বালানি ক্ষয় হয়। অল্প গতিবেগে কিছুক্ষণ চালিয়ে, আস্তে আস্তে স্পিড বাড়ান।

৮) গিয়ার পরিবর্তনের সময় পেট্রোল গাড়ির আরপিএম ২৫০০ এবং ডিজেল গাড়ির আরপিএম যদি ২০০০ রাখা যায় তবে জ্বালানির সাশ্রয় হয়।

৯) গাড়ি যত হালকা হবে, গাড়িতে যত কম লোড থাকবে জ্বালানি তত কম ক্ষয় হবে।  

১০) হাই গিয়ারে গাড়ি চালানোর সময়ে গিয়ার পরিবর্তন করে লোয়ার গিয়ারে না গিয়ে যদি অ্যাকসিলেরটরে অনেকটা বেশি চাপ দেওয়া হয় তবে অনেক বেশি জ্বালানি খরচ হবে। যে গাড়িতে অটোমেটিক গিয়ারবক্স থাকে সেখানে এই সমস্যা নেই। গাড়ি নিজেই জ্বালানি বাঁচানোর ব্যবস্থা করে।

উপরে