আপডেট : ১৯ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৫:৪৩

সঙ্গী তুমি কার, আমার নাকি অন্য কারো?

অনলাইন ডেস্ক
সঙ্গী তুমি কার, আমার নাকি অন্য কারো?

কাজের ফাঁকে আপনি খেয়ালই করেননি। যখন খেয়াল করলেন, তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। মাঝে মধ্যে প্রিয় মানুষটিকে অচেনা মনে হয়? অবিশ্বাস আর সন্দেহ সম্পর্কের মধ্যে দেয়াল হয়ে দেখা দেয়। সন্দেহের কারনে ভেঙ্গে যায় অনেক দিনের সম্পর্ক। অনেক শখে গড়া সম্পর্কটি হয়তো বিসর্জন দিতে হয় অকালে।

কিন্তু কীভাবে বুঝবেন সম্পর্কটা আর আগের মতো নেই? কিছু উপসর্গ নিশ্চয়ই পাবেন। আর এই উপসর্গগুলো কেমন হতে পারে, কি কি আচরণ আপনার সঙ্গীকে সন্দেহ করবার পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে, তো আসুন জেনে নেই কিছু সাধারণ তথ্য, কিভাবে বুঝবেন আপনার ভালোবাসার মানুষটি প্রতারণা করছে কিনা?

১) ক্রমেই কেমন যেন পছন্দের মানুষটির আপনার কাছ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়ার একটা চেষ্টা। হঠাৎ ফোন এলে হয়তো একটু দূরে বা আড়ালে গিয়ে কথা বলার প্রবণতা। কিন্তু, আপনাকে সেটা ঘুণাক্ষরেও টের পেতে দিচ্ছেন না।

২) প্রেমের সম্পর্কের শুরুটা মোটেও এভাবে হয়নি। আপনি মোবাইলে কল দেয়া বা টেক্সট মেসেজ পাঠানোর আগেই আপনার মোবাইলে প্রেমিকার অহরহ কল। মেসেজ ইনবক্সেও হয়তো জায়গা খালি নেই। অথচ, বেশ কিছুদিন পর কেমন যেন একটু বিবর্ণ মনে হচ্ছে নিজের মোবাইলটাকে। এখন আপনাকেই বারবার ফোন করে তার খোঁজ নিতে হয়। হয়তো কল করে বা মেসেজ পাঠিয়েও মাঝে-মধ্যে কোন রেসপন্স পাচ্ছেন না।

৩) আপনার প্রেয়সী হয়তো কোন সঙ্গত কারণ ছাড়াই আপনার সঙ্গে কথা-কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়ছেন।

৪) যদি মাঝে-মধ্যেই প্রেমিকার মধ্যে মিথ্যা বলার প্রবণতা লক্ষ্য করেন, তবে সাবধান। আপনি হয়তো মিথ্যাটা বুঝতে পেরেও চুপ করে আছেন। সময় নিয়ে আরেকটু পর্যবেক্ষণ করুন।

৫) আপনার সঙ্গে প্রেমিকা বা তার পরিচিতদের আচার-আচরণ, কথাবার্তায় যদি কিছুটা পরিবর্তন বা আসামঞ্জস্যতা লক্ষ্য করেন, তবে সময় থাকতে সতর্ক হয়ে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। হয়তো প্রেমিকার বন্ধু-বান্ধব বা পরিচিতরা এমন কিছু জানছেন, যা আপনি জানতে পারছেন না। কিংবা সবার শেষে জানছেন। হয়তো সবার মধ্যেই আপনার বিরুদ্ধে একটা নেতিবাচক মনোভাব তৈরি করা হয়েছে।

৬) প্রেমিকা হঠাৎ করেই যেন নতুন পোশাক পরিধান ও মেক-আপ করার ওপর একটু বেশি ঝুঁকে পড়েছেন। নিজেকে দেখতে কেমন লাগছে, তা নিয়ে যেন একটু বেশিই উদ্বিগ্ন। আর সেটা আপনার জন্যে না হয়ে যদি অন্য সময় বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে এবং প্রায়ই ঘটতে থাকে, লক্ষণটা ভালো নাও হতে পারে।

নানা রকম চাপে মানুষের ব্যবহারে পরিবর্তন আসে। এখানের দুয়েকটি পয়েন্টের সাথে মিলে গেলেই যে তিনি আপনাকে ধোঁকা দিচ্ছে তা নয়! বরং আরো কিছুদিন দেখুন। না রেগে ঠান্ডা মাথায় সরাসরি কথা বলুন। এর দুয়েকটি মিল থাকতেই পারে বিচিত্র নয়। কিন্তু অনেক বেশী মিল থাকলে ভাবার বিষয়। অতএব মনের ভিতর পুষে না রেখে খোলাখুলি কথা বলুন।

কাজেই আপনার সঙ্গী-সঙ্গিনীর সাথে খোলামেলা কথা বলুন। এতে নিজের এবং নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিষ্কার হয়ে উঠবে। মনে কোনো সন্দেহ থাকলে তা তুলে ধরুন। একমাত্র আলোচনাই সমাধান দিতে পারে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/এসএম

উপরে