আপডেট : ১ জানুয়ারী, ২০১৬ ১৭:২২

শুভ জন্মদিন পল্লীকবি জসিমউদ্দিন

বিডিটাইমস ডেস্ক
শুভ জন্মদিন পল্লীকবি জসিমউদ্দিন

১লা জানুয়ারি, শুক্রবার, পল্লী কবি জসীম উদ্দীনের জন্মদিন। ১৯০৩ সালের এই দিনে ফরিদপুর শহরতলীর কৈজুরী ইউনিয়নের তাম্বুলখানা গ্রামে নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। কবির পিতার নাম আনছারউদ্দীন, মাতা আমেনা খাতুন।

পল্লীকবি ছেলেবেলা থেকেই লেখালেখি করতেন। ১৪ বছর বয়সে কল্লোল পত্রিকায় তার কবিতা প্রকাশ হয়। তখন তিনি নবম শ্রেনির শিক্ষার্থী। জসীম উদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম রাখালী (১৯২৭)।

 এইখানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে। (কবর), তুমি যাবে ভাই; যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়, গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়; (নিমন্ত্রণ) ও বাবু সেলাম বারে বার, আমার নাম গয়া বাইদ্যা বাবু, বাড়ি পদ্মা পার। (ও বাবু সেলাম বারে বার) এরকম জনপ্রিয় বহু কবিতা, গল্প, নাটক আর গানের মাধ্যমে গ্রাম-বাংলার মানুষের সুখ-দুঃখের কথা তুলে ধরে যে কবি পেয়েছিলেন পল্লী কবির উপাধি পেয়েছেন।

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের শিক্ষাজীবন শুরু হয় ফরিদপুর শহরের হিতৈষী স্কুলে। প্রাথমিক শেষে তিনি জেলা স্কুল থেকে ১৯২১ সালে ম্যাট্রিকুলেশন, ১৯২৪ সালে ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ থেকে এইচএসসি এবং একই কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। ১৯৩১ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে হতে এমএ পাশ করেন।

১৯৩৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. দীনেশ চন্দ্র সেনের অধীনে রামতনু লাহিড়ী গবেষণা সহকারী পদে যোগদানের মাধ্যমে তিনি কর্মজীবনে পা রাখেন। ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত এ পদেই বহাল ছিলেন তিনি।

১৯৩৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।
 
জসীম উদ্দীনের উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলোর মধ্যে রয়েছে, ১৯৫৮ সালের প্রেসিডেন্টস এওয়ার্ড ফর প্রাইড অফ পারফরমেন্স, ১৯৭৬ সালের ইউনেস্কো পুরস্কার, ১৯৭৬ সালের একুশে পদক, ১৯৭৮ সালের স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (মরণোত্তর)। ১৯৬৮ সালের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের কবিকে ডি. লিট উপাধি দেয়।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে

উপরে