আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৫ ১২:৪১

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

বিডিটাইমস ডেস্ক
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

শুক্রবার ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। বিশ্বমানবতার মুক্তির দিশারী রহমাতুল্লিল আলামিন সাইয়েদুল মুরসালিন খাতামুন্নাবিয়ীন সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ আহমদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলা আলিহী ওয়া সাল্লামের জন্ম ও ওফাত দিবস। যথাযথ মর্যাদায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে সারাদেশে পালিত হচ্ছে দিনটি ।

৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল আরবের মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিশ্ববাসীর জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমতস্বরূপ সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ এই মহামানব। আইয়ামে জাহেলিয়াতের সেই অন্ধকার যুগে মানুষকে আলোর পথ দেখিয়ে ৬৩ বছর বয়সে একই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন।

তৌহিদের মহান বাণী নিয়ে আসা মহামানব হযরত মুহাম্মদ (সা.) প্রচার করেছেন শান্তির ধর্ম ইসলাম। তাঁর আবির্ভাব ও ইসলামের শান্তির ললিত বাণীর প্রচার সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
সারা আরব বিশ্ব যখন পৌত্তলিকতায় বিশ্বাসী, তখন মহান আল্লাহ তাআলা তাঁর পেয়ারা হাবিব বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে রহমতস্বরূপ বিশ্বজগতে পাঠিয়েছিলেন। তিনি ৪০ বছর বয়সে নবুয়তপ্রাপ্ত হন। এরপর বিশ্ববাসীকে আহ্বান জানান মুক্তি ও শান্তির পথে। সব ধরনের কুসংস্কার, গোঁড়ামি, অন্যায়-অবিচার ও দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে মানবসত্তার চিরমুক্তির বার্তা বহন করে এনেছিলেন তিনি। এরপর মহানবী (সা.) দীর্ঘ ২৩ বছর এ বার্তা প্রচার করে ৬৩ বছর বয়সে পরলোকগমন করেন।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ ও বিএনপির চেয়ারপাসন খালেদা জিয়া পৃথক বাণী দিয়েছেন।
 

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে

উপরে