আপডেট : ১৪ নভেম্বর, ২০১৮ ১০:০১

কেন স্থগিত হল ‘লেটস টক’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
কেন স্থগিত হল ‘লেটস টক’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

তরুণদের সঙ্গে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল আগামী ১৬ নভেম্বর বিকেল ৩টায়। কিন্তু আওয়ামী লীগের গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) আয়োজিত ‘লেটস টক’ নামক এই সংলাপভিত্তিক অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হয়েছে। হঠাৎ করে কেন এই অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হলো তা নিয়ে অনেকের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।

প্রধানমন্ত্রী তরুণদের স্বপ্নের কথা, স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার কথা শুনবেন এবং নতুন প্রজন্ম ও বাংলাদেশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজের প্রত্যাশার কথা বলবেন এমন উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ‘লেটস টক’ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু গতরাতে প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই অনুষ্ঠানটি স্থগিত করে দেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, প্রধানমন্ত্রী যেহেতু দেশের প্রধান নির্বাহী, সেহেতু নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলতে তাঁর মধ্যেই সচেতনতা সবচেয়ে বেশি। নির্বাচনী আচরণবিধির প্রতি তিনিই সবচেয়ে বেশি শ্রদ্ধাশীল। আচরণবিধি যাতে ভঙ্গ না হয় সেজন্যই প্রধানমন্ত্রী এ মুহূর্তে ‘লেটস টক’ অনুষ্ঠানটি স্থগিত করে দিয়েছেন। কারণ, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮’ এর ১২ তম ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা উহার মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাহাদের পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি ভোট গ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ সময়ের পূর্বে কোন প্রকার নির্বাচনী প্রচার শুরু করিতে পারিবেন না।’

যদিও প্রধানমন্ত্রীকে বলা হয়েছিল এ ধরনের অনুষ্ঠানের সঙ্গে নির্বাচনের কোনো যোগসূত্র নেই তবুও তিনি নির্বাচনী আচরণবিধির প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে অনুষ্ঠানটি স্থগিত করেছেন। যেহেতু নির্বাচনে আগের তিন সপ্তাহ এখনো শুরু হয়নি তাই প্রধানমন্ত্রী মনে করছেন এই অনুষ্ঠান এখন আয়োজন করা ঠিক হবে না।  পরবর্তী সময়ে ‘লেটস টক’ এ তরুণদের মুখোমুখি হবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমি যদি নির্বাচনী আচরণবিধির প্রতি শ্রদ্ধা না দেখাই তাহলে অন্যরা পথ দেখবে কীভাবে?’

সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘লেটস টক’ অনুষ্ঠানটি স্থগিত করাই যুক্তিযুক্ত মনে করেছেন বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র ।

উপরে