আপডেট : ১১ জুলাই, ২০১৮ ১১:৪৭

তিন সিটিতে থাকবে ৪৪ প্লাটুন বিজিবি

অনলাইন ডেস্ক
তিন সিটিতে থাকবে ৪৪ প্লাটুন বিজিবি

রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি নির্বাচন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের খসড়া পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ইসি। পরিকল্পনা মতে রাজশাহীতে ১৫ প্লাটুন, বরিশালে ১৫ প্লাটুন এবং সিলেটে ১৪ প্লাটুনসহ মোট ৪৪ প্লাটুন বিজিবি নিয়োগ করা হবে। আর তিন সিটি নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৃহস্পতিবার বৈঠক করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে বৈঠকে পুলিশের আইজি, র‍্যাবের ডিজি, বিজিবি, আনসার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন। নির্বাচন কমিশনাররা ছাড়াও তিন সিটির রিটার্নিং অফিসার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন এই বৈঠকে। বৈঠকে সংশ্লিষ্টদের অভিমত নিয়েই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের ছক চূড়ান্ত করবে ইসি।  

ইসির বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, ভোটের আগের দুই দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পরদিন পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, তিন সিটি নির্বাচনে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ২২ জন ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ২৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হতে পারে।

এছাড়াও পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি করে মোবাইল ফোর্স এবং প্রতিটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে একটি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে র‍্যাবের টিম এবং বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে।   

ইসি রাজশাহীতে ১৫ প্লাটুন, বরিশালে ১৫ প্লাটুন, সিলেটে ১৪ প্লাটুন বিজিবি নিয়োগ করার পরিকল্পনা করছে । মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স ভোটের দুই দিন আগে, ভোটের দিন এবং ভোটের পরের একদিন মিলিয়ে মোট চার দিন মাঠে থাকবে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ভোটকেন্দ্রের বাইরে র‍্যাব-পুলিশের টিম ও কয়েক প্লাটুন বিজিবি রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে রাখার সুপারিশও করেছে ইসি।

এছাড়া প্রচারণার সময় প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরা মাঠে নামার পর নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করবে নির্বাচন কমিশন।

আগামী ৩০ জুলাই এই তিন সিটি করপোরেশনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিন সিটিতে মেয়র পদে ১৮ জন ও কাউন্সিলর পদে মোট ৫৩০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 

উপরে