আপডেট : ১২ জুন, ২০১৬ ২২:০৭

প্রশ্ন ফাঁস চক্রের চাঞ্চল্যকর তথ্য : জড়িত কলেজ শিক্ষক, বিজি প্রেসের কর্মচারী

বিডিটাইমস ডেস্ক
প্রশ্ন ফাঁস চক্রের চাঞ্চল্যকর তথ্য : জড়িত কলেজ শিক্ষক, বিজি প্রেসের কর্মচারী

বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে এক কলেজ শিক্ষক ও সরকারি মুদ্রণালয়ের (বিজি প্রেস) মুদ্রণ শাখার এক কর্মচারী জড়িত বলে জানা গেছে।

গত ৮ জুন রাজধানীর তেজগাঁও এলাকা থেকে আটক প্রশ্ন ফাঁস চক্রের ৯ সদস্যকে রিমান্ডে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

রোববার এ বিষয়ে ডিবির এডিসি (উত্তর) মাহিদুজ্জামান সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘প্রশ্ন ফাঁস চক্রের মূল হোতা দু’জন। এদের একজন বিজি প্রেসের মুদ্রণ শাখার কর্মচারী আলমগীর। অন্যজন একটি কলেজের শিক্ষক। তার নাম হাছান।’

‘৯ জন আটকের পর থেকে আলমগীর ও হাছানের মোবাইল ফোন বন্ধ। তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানেও আর যাচ্ছেন না। এ কারণে তাদের আটক করতেও একটু বেগ পেতে হচ্ছে’, বলেন ডিবির ওই কর্মকর্তা।

ডিবির এডিসি মাহিদুজ্জামান জানান, বিজি প্রেসের মুদ্রণ বিভাগের কর্মচারী আলমগীর প্রশ্ন ছাপার সময় প্রতিবার দু’টি করে প্রশ্ন মুখস্ত করতেন। পরে কাগজের রোল লোড করার সময় বাইরে এসে প্রশ্ন দু’টি কাগজে লিখে রাখতেন। এভাবে প্রতিবার দু’টি করে প্রশ্ন মুখস্ত করে লিখে রাখতেন। পরে সেগুলো মোটা অংকে বাইরে একটা চক্রের কাছে বিক্রি করে দিতেন।

ডিবি সূত্রে জানা যায়, কলেজ শিক্ষক হাছান কিছুটা প্রযুক্তিনির্ভর। শিক্ষক হিসেবে কিছুটা সুবিধাও করতে পেরেছেন তিনি। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে স্মার্টফোনে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে সাথে সাথেই হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে আগে থেকে চুক্তিবদ্ধ শিক্ষার্থীদের পাঠিয়ে দিতেন তিনি।

কলেজ শিক্ষক হাছানের বাড়ি গাজীপুরের শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে। তিনি ওখানকার একটি কলেজেই অধ্যাপনা করতেন। তবে তদন্তের স্বার্থে সেই কলেজের নাম বলতে রাজি হয়নি ডিবি।

অন্যদিকে, আলমগীর রাজধানীর তেজগাঁও বেগুনবাড়ি এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ। চক্রের অন্য সদস্যরা আটক হওয়ার পর থেকে আলমগীর পলাতক।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/আরকে              

উপরে