আপডেট : ১৬ মার্চ, ২০১৬ ১৮:০১

বিদায়ী গভর্নর আতিউরকে গ্রেপ্তারে হাইকোর্টে রিট!

বিডিটাইমস ডেস্ক
বিদায়ী গভর্নর আতিউরকে গ্রেপ্তারে হাইকোর্টে রিট!

রিজার্ভ থেকে ৮০০ কোটি টাকা লোপাট হওয়ার ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এবার ওই ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য পদত্যাগকারী গভর্নর ড. আতিউর রহমানকে গ্রেফতারের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন এক আইনজীবী।

বুধবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন।

রিট আবেদনে সাবেক গভর্নরের পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া রিজার্ভ চুরির ঘটনা তদন্তে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের আরজি জানানো হয়।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়। ঘটনা জানার পরও বিষয়টি গোপন রাখে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

চুরি হওয়া অর্থ ফেরত আনতে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান ফিলিপাইনের ব্যাংকো সেন্ট্রালের গভর্নর আমান্ডো টেটাংকো জুনিয়রের কাছে সহযোগিতা চেয়ে চিঠি লেখেন। কিন্তু, দেশে তিনি এই ঘটনা চেপে যান।

এরপর গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ফিলিপাইনের দৈনিক দি ফিলিপিন্স ডেইলি ইনকোয়ারারের এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির খবর জানায়। বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমেও এ খবর এলে তোলপাড় শুরু হয়।

৭ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা চুরির ঘটনা স্বীকার করে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক দাবি করে, দেশের বাইরে থেকে হ্যাকাররা অর্থ চুরি করেছে। কিন্তু, সংবাদমাধ্যমের একাধিক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যেভাবে টাকা চুরি হয়েছে তাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদেরও সম্পৃক্ততা রয়েছে।

অর্থ লোপাটের বিষয়টি চেপে গিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেভাবে তা ‘সামাল দেয়ার চেষ্টা করেছে’ এটাকে ‘অযোগ্যতা’ অভিহিত করে দৃশ্যত ক্ষুব্ধ অর্থমন্ত্রী রোববার বলেন, ‘এই স্পর্ধার জন্য অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এদিকে আতিউর রহমান সোমবার ভারত থেকে দেশে ফেরার পর রাতেই অর্থমন্ত্রীর বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। পরে রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরির ঘটনায় ব্যর্থতার দায় নিয়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান। মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/মাঝি

উপরে