আপডেট : ১৬ মার্চ, ২০১৬ ১৪:৪৫

গন্তব্য যেখানেই হোক ট্রেনের টিকেট মিলবে সবখানেই

বিডিটাইমস ডেস্ক
গন্তব্য যেখানেই হোক ট্রেনের টিকেট মিলবে সবখানেই

আন্ত:নগর ট্রেনের টিকিটস কাটতে এবার লম্বা লাইনে দাড়াতে হবে না। নির্ধারিত গন্তব্যের জন্য আর নির্ধারিত স্টেশনে গিয়ে টিকিট কাটার ভোগান্তি পোহাতে হবে না। দেশের মধ্যে এবার একরুটের ট্রেনের টিকিট ৬৪ স্টেশনের যেকোনোটি থেকে কেনা যাবে।

যাত্রীদের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা নিয়ে এ সুবিধা চালু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এ সিস্টেম চালু করার ফলে এখন যাওয়া-আসার টিকিটও চাইলে একসঙ্গে সংগ্রহ করতে পারবেন যাত্রীরা।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, সারাদেশে যেসব জেলায় আন্ত:নগর ট্রেন চলাচল করছে সেসব স্টেশন অনলাইনের আওতায় আনা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের আন্ত:নগর ট্রেনের টিকিটিং সিস্টেম এখন থেকে কমলাপুর রেলস্টেশনে সেন্ট্রাল সার্ভারের সঙ্গে সংযুক্ত। সারাদেশে মোট ৬৪টি স্টেশন এখন সেন্ট্রাল সার্ভারের সঙ্গে একীভূত।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালক (ট্রাফিক) সৈয়দ জহরুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, সোমবার (১৪ মার্চ) থেকে এ সুবিধা চালু হয়েছে। আন্ত:নগর ট্রেনের টিকিট ৬৪ স্টেশন থেকে দেওয়া হয়। এসব স্টেশনের যেকোনোটি থেকে এখন টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।

তিনি জানান, আগে অনলাইনে শুধু কমলাপুর স্টেশন, বিমানবন্দর স্টেশন, বনানী ছাড়া ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনায় কম্পিউটার টিকিটিং সিস্টেম ছিলো। এখন সারাদেশে ৬৪ স্টেশনে এ সুবিধা চালু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) কমলাপুর স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, সোমবার এ সুবিধা চালু হলেও তা যাত্রীদের কেউ জানেন না। টিকিট কাউন্টারের সামনে দেখা গেছে, অনেকেই অগ্রিম যাওয়ার টিকিট কেটেছেন। আসার টিকিট গন্তব্য থেকে নেমে স্টেশন থেকে সংগ্রহ করবেন বলে জানান তারা।

কাউন্টারের সামনে দাঁড়ানো ফেনীগামী যাত্রী আতাউল করিমের সঙ্গে কথা হয়। তাকে এ সুবিধার কথা জানানোর পর কিছুটা অবাক হয়ে বলেন, ‘তাই নাকি! তাহলেতো আমি আসার টিকিটটাও এখন সংগ্রহ করতে পারবো’।

টিকিট কাউন্টারে বুকিং সহকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যাত্রীরা এ সুবিধার বিষয়টি এখনও জানেন না। এদিকে যাত্রীরা বলছেন, ট্রেনের অনেক বিষয় সম্পর্কে সাধারণ যাত্রীরা অবগত হন না। কখন কি সুবিধা থাকে তা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের ফাইলেই বন্দি থাকে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জেডএম

উপরে